মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বা টিউশন ফি আদায় করা হলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দেশের সব সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত, অনুমোদিত এবং শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য এই নির্দেশনা বাধ্যতামূলক।
সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে জারি হওয়া এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলের সই করা এই চিঠিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী দুটি স্মারকের নীতিমালার আলোকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানদের অনুরোধ করা হয়েছে। এর আগে গত ১৩ মে মাউশির পরিচালক কামরুন নাহার চিঠিটি অনুমোদন করেন।
মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ২০১৪ ও ২০১৫ সালের দুটি নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়। বলা হয়েছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী সব মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে অধ্যয়নের সুযোগ লাভ করবে। সরকারি অনুমোদিত বা শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোনো অবস্থাতেই এই শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মাসিক বেতন বা টিউশন ফি দাবি বা আদায় করতে পারবে না। যদি কোনো প্রতিষ্ঠান এই নিয়ম অমান্য করে তবে তা সরাসরি ‘বিধি ভঙ্গ’ হিসেবে গণ্য হবে এবং ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা প্রতিষ্ঠান প্রধানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই নির্দেশনাটি দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি কলেজ, মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং মাদ্রাসাসহ সংশ্লিষ্ট সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকেও অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।