Image description

এক সময় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন সাবরিনা সাকা মীম। শৈশবে গানের অনুষ্ঠান দিয়েই আসেন মিডিয়া জগতে। ১৯৯২ সালে থেকে বিটিভির নাটকে অভিনয়ের শুরুটা। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলে গেছে তার জীবন। বাহ্যিক পরিবর্তনও এসেছে বেশ। প্রথম দেখায় রীতিমতো দ্বিধায় পড়ে যাবেন তার ভক্ত-অনুরাগীরা। ভেঙেছে সংসারও।

প্রায় ১৪ বছর আগে ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে ঘর বাঁধেন মীম। সেই সংসার ভেঙে গেছে বলেই জানালেন এই অভিনেত্রী। কিন্তু বিয়ে বিচ্ছেদ হয়েছে ৮ বছর আগেই।

সংগীতশিল্পী পুতুলের পডকাস্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বিচ্ছেদের বিষয়ে মীম বলেন, আসলে মানুষের জীবন তো মানুষের হাতে লেখা না। এটা আমি বিশ্বাস করি। আমি বিয়ে করেছি। অন্যান্য মেয়ে যেমন চিন্তা করে বিয়ে করেন, আমিও তাই করেছি। সবকিছু সুন্দর মতো চলবে, সেই চেষ্টাও ছিল। নিশ্চয়ই আমার পার্টনারেরও সেই চেষ্টা ছিল। কিন্তু যেকোনোভাবেই সংসারটা টিকল না।

২০১২ সালের ৭ ডিসেম্বর পারিবারিক আয়োজনে ডা. শাহরিয়ার আহমেদ সজিবের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন মীম। বিয়ের পর অভিনয় থেকে পুরোপুরি নিজেকে গুটিয়ে নেন। কারণ মীমের শ্বশুরবাড়ির লোকজন তার অভিনয় চালিয়ে যাওয়া নিয়ে আপত্তি ছিল।

সংসার ভাঙার পেছনে কী এটাই কারণ? এ প্রশ্নের জবাবে মীম বলেন, আপনি হয়তো গান পছন্দ করেন, আরেকজনের গান নাই পছন্দ হতে পারে। আমি অভিনয় পছন্দ করি, একটা মানুষের অভিনয় নাও ভালো লাগতে পারে। এসব কোনো বিষয় না। এ ছাড়াও আরো অনেক ইস্যু ছিল, দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো আরো খারাপের দিকে যাচ্ছিল।

‘আমি কাউকে দোষ দেব না। হয়তো আমিও দোষী, হয়তো সেও (বর) দোষী, যার সঙ্গে আমার বিয়ে হয়েছিল। আমিও যখন বুঝতে পারলাম- না, এটা আসলে হচ্ছে না। আমি সাড়ে ৫ বছর অপেক্ষা করেছি। কারণ, কখনো যেন মনে না হয় সংসারটি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করিনি। ২০১৮ সালের ৭ জুন, বিচ্ছেদের পেপারে সাইন করি।
সম্পর্কে আস্থা হারিয়েছেন সাবরিনা সাবা মীম। গত ৯ বছরে নতুন করে ঘর বাঁধার সাহস করেননি এই অভিনেত্রী,’ বলছিলেন মীম।

প্রায় ১৮ বছর মিডিয়ায় কাজ করার পর নিজেকে গুটিয়ে নেন মীম। ২০১২ সালে সর্বশেষ তাকে নাটকে দেখা যায়। পরে সংবাদ পাঠিকা হিসেবে কাজ করলেও অভিনয়ে আর ফেরেননি এই অভিনেত্রী।