Image description

বিএনপির আহ্বানে সাড়া দিয়ে জামায়াতে ইসলামী জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকারের পদ নেবে কি না, সে বিষয়ে দলটির সংসদীয় দল একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ কথা বলেছেন সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা ও জামায়াতের নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেছেন, সেই সিদ্ধান্তটা তখন খোলাসা হবে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সভাকক্ষে বিরোধী সংসদীয় দলের বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের৷

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের বলেন, তাঁরা মনে করেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির সংসদে ভাষণ দেওয়ার কোনো অধিকার নেই। তিনি স্বৈরাচারের দোসর। বিএনপি কেন যে তাঁকে দিয়ে ভাষণ দেওয়াচ্ছে, তা তাঁদের কাছে বোধগম্য নয়। এ বিষয়ে তাঁরা কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সেটা কাল জানা যাবে।

ডেপুটি স্পিকার প্রসঙ্গে বিরোধীদলীয় উপনেতা বলেন, ‘এটুকু বলব যে, আমরা একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কিন্তু সিদ্ধান্তটা কী, সেটা খোলাসা হবে তখন, যখন আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে আলোচনা হবে।’

সাংবাদিকেরা বিষয়টি নিয়ে আরও সুনির্দিষ্টভাবে জানতে চাইলে আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ‘আপনারা অনেক চৌকস সাংবাদিক। আমার কথাবার্তায় যদি না বোঝেন, তাহলে কিছু করার নেই।’

আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, জামায়াতে ইসলামী সংসদে সবসময় একটা ইতিবাচক এবং সিরিয়াস ভূমিকা নেবে।

এদিকে রাজনৈতিক ব্যস্ততা থাকায় বিরোধীদলের বৈঠক শেষ হওয়ার আগেই চলে যান বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন দলটির সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। নাহিদ সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বললেও আলোচনার বিষয়ে বিস্তারিত কিছু বলেননি।

এরপর জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। বৈঠক শেষ হওয়ার পর জামায়াতের আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের সাংবাদিকদের ব্রিফ করার কথা রয়েছে। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি সংসদ ভবনেই রয়েছেন।