Image description
 

দশমিনা ও গলাচিপা উপজেলা নিয়ে গঠিত পটুয়াখালী-৩ আসন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। ১৯৯১ সালের পর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দলটির দখলে ছিল আসনটি। কখনও কোনো নির্বাচনে এ আসনে জয়লাভ করতে পারেনি বিএনপি। তবে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে এই প্রথম পটুয়াখালী-৩ আসন দখলে নিতে পেরেছে বিএনপি। গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও বিএনপির আসন সমঝোতার জোটের প্রার্থী নুরুল হক নুরের মাধ্যমে আসনটি বিএনপির ঝুলিতে জমা পড়েছে। সরাসরি ধানের শীষের মাধ্যমে না হলেও জোট প্রার্থীর ট্রাক প্রতীকের মাধ্যমে আসনটি পায় বিএনপি। 

 

এবারের সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৩ আসনে মোট পাঁচ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে ৯৬ হাজার ৭৬৬ ভোট পেয়ে নুরুল হক নুর সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসান মামুন। তিনি ঘোড়া প্রতীকে পান ৮০ হাজার ৫৭৬ ভোট। আসনটিতে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও উৎসব মুখর পরিবেশে ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা যায়, আসনটিতে ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির আনওয়ার হোসেন হাওলাদার, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টির মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী চৌধুরী, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ থেকে আখম জাহাঙ্গীর হোসাইন, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ থেকে গোলাম মাওলা রনি ও ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে এসএম শাহজাদা আওয়ামী লীগ থেকে এমপি নির্বাচিত হন। তবে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিএনপি থেকে শাহজাহান খান জয় পেয়েছিলেন। যেটি আওয়ামী লীগসহ কয়েকটি দল বর্জন করেছিল।