Image description

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নতুন সংসদের শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে গুঞ্জন রয়েছে। তবে ঠিক কার কাছে এবং কোন প্রক্রিয়ায় এই শপথ গ্রহণ করা হবে, তা নিয়ে বর্তমানে বিশ্লেষণ করছে দলটি। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, এখন কীভাবে বা কার কাছে শপথ নেওয়া হবে, সেগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা হচ্ছে।

 

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনে দুই তৃতীয়াংশ আসনে বিজয়ী হওয়ার পর কীভাবে এবং কার কাছে শপথ নেওয়া হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে দলটি। পার্লামেন্টের অনুপস্থিতিতে কীভাবে বা কার কাছে শপথ পাঠ করা হবে, তার আইনি দিকগুলো খতিয়ে দেখছেন দলটির নেতারা। বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে শুক্রবার রাতে দেখা করেছেন কয়েকজন শীর্ষ নেতা।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যদি গেজেট প্রকাশ হয় এবং স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকারের (শপথ পড়ানোর) সুযোগ না থাকে, তবে তিনদিনের মধ্যে সিইসির শপথ পড়ানোর সুযোগ রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে আগামী ১৭ তারিখের মধ্যে শপথ অনুষ্ঠিত হতে পারে।

প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, যেদিন সকালে সংসদ সদস্যরা শপথ নেবেন, সেদিন বিকেলেই রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন।

বর্তমান আইন অনুযায়ী, স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার শপথ পড়াবেন। সেটা না হলে রাষ্ট্রপতি মনোনীত ব্যক্তির কাছে শপথ নেওয়া যাবে। কিন্তু স্পিকার বা ডেপুটি স্পিকার অসমর্থ হলে তিনদিন পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়াবেন।

 

দলটির একাধিক নেতা বলছেন, বর্তমানে কে কীভাবে শপথ পড়াবেন, তার আইনি ব্যাখ্যা নিচ্ছে বিএনপি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পড়ালে আইনের দিকগুলো যাচাই করে দেখছে দলটি। 

এবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী, ২৯৭ আসনের মধ্যে বিএনপি একাই জয় পেয়েছে ২০৯টি। জোটের শরিকেরা পেয়েছে আরও ৩টি আসন। সব মিলিয়ে পরবর্তী সংসদে বিএনপি জোটের আসনসংখ্যা দাঁড়াচ্ছে ২১২। তবে আরও দুটি আসনে জয়লাভের সম্ভাবনা আছে বিএনপির। সূত্র- বিবিসি বাংলা