এখন পর্যন্ত যেভাবে ভোট হয়েছে ফলাফলে যদি একই ধারা থাকে তাহলে ফলাফল মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, জামায়াতে ইসলামীর জন্মের পর থেকে বার বার নিষিদ্ধ হয়েছে। কখনো থেমে থাকেনি। যারা হাল ধরেছিলেন তারা চলে গেছেন। কারোর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এবার কেউ জুলুমের শিকার হয়ে চলে গেছেন।
ফলাফল নিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল আসতে শুরু করেছে। অগ্রিম বলা সমীচীন নয়। জনগণের ওপর আস্থা আছে। প্রাথমিক ফলাফলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এটাকে নিশ্চয়তা দেওয়া যাবে না। দেশের স্বার্থ আমাদের কাছে বড়। এ পর্যন্ত যে ফলাফল এসেছে বেশিভাগ জায়গায় এগিয়ে আছে। আমাদের আরেকটু অপেক্ষা করতে হবে।
প্রবাসীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, গত ৩ নির্বাচনে আমরা কেউই ভোট দিতে পারিনি। এবার প্রবাসীরাও ভোট দিতে পেরেছেন। তারা আমাদের জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তারা অনেক অধিকার থেকেই বঞ্চিত ছিলেন। ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা হলে বাকিগুলো এমনিই চলে আসবে। আমরা যদি তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করি তারা আমাদের আরও উজাড় করে দেবেন।
সংবাদকর্মীদের নিয়ে বলেন, সাংবাদিকরা আমাদের সহযোগীতা করেছেন। আমরা তাদের প্রতি কৃতজ্ঞ। খোঁজ নিতে পারিনি। খোঁজ নেয়াটা দায়িত্ব ছিল। ক্ষমা চাই। আমরা একসাথে কাজ করবো। একা কোনও প্রকারের পক্ষে দেশ গড়া সম্ভব নয়। রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিকদের চারদিক থেকে সব খেয়াল রাখতে হয় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, অনেক শঙ্কা ছড়ানো হয়েছিল। বড় কোনও কেলেঙ্কারি হয়নি। সমাজে একসঙ্গে চলতে গেলে ভুলভ্রান্তি হতেই পারে
নিজের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, আজকেও আমাদের দেখা হয়েছে। যেকোনো একজন জিতবে। আমরা একজনের জয় মেনে নেবো। আমি নির্বাচিত হলে সবার পরামর্শ নিয়ে একসাথে কাজ করবো। সরকারে গেলে সকল দলকে পাশে চাইবো। যেসব দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক আছে তা বজায় রাখবো, খোলা মন নিয়ে সবার প্রাপ্য দিবো আমাদেরটা বুঝে নিবো।
তিনি আরও বলেন, এবার যত পর্যবেক্ষক এসেছে অতীতে আসেনি। এগুলো নির্বাচন হওয়ার পক্ষে ভূমিকা রেখেছে। যারা নিজের অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালন করেছে তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।