Image description
 

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াত–এনসিপি জোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ দেবিদ্বারের বিভিন্ন এলাকায় কালো টাকা প্রবেশ, ভোট কেনাবেচা এবং কিছু প্রিজাইডিং অফিসার ‘বিক্রি হয়ে যাওয়ার’ অভিযোগ তুলেছেন।

বুধবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব অভিযোগ করেন।

ভিডিও বার্তায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা শুনতে পেয়েছি দেবিদ্বারের বিভিন্ন প্রান্তরে কালো টাকা ঢুকছে। আপনারা কোথাও এমন কিছু দেখলে আমাদের এনসিপি নির্বাচনি কন্ট্রোল রুমে জানাবেন। প্রশাসনকেও ইনফর্ম করুন। আমি এখন থেকে নির্বাচনের মাঠে আছি খবর পেলেই সেখানে উপস্থিত হব।

তিনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করে বলেন, কালো টাকার প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা চাই। ভোট একটি পবিত্র আমানত। টাকার ছড়াছড়ি হতে দেওয়া হবে না। ভোটের ফলাফল প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত আমি মাঠে থাকবো।

হাসনাত অভিযোগ করে বলেন, জাফরগঞ্জ এলাকায় কিছু স্বর্ণকারের মাধ্যমে টাকা বিতরণ করা হয়েছে। বরকামটা ইউনিয়নের কয়েকজন প্রিজাইডিং অফিসার ‘বিক্রি হয়ে গেছেন’ বলেও দাবি করেন তিনি। এছাড়া সুলতানপুর, রাজামেহের ও ফতেয়াবাদ ইউনিয়নেও টাকার লেনদেন শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, যেখানে অর্থসহ কাউকে পাওয়া যাবে, সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে তা প্রতিরোধ করা হবে।

ভিডিও বার্তায় কিছু উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্যও করেন এই প্রার্থী। যারা টাকা নিয়ে বের হবে, তাদের পাকড়াও করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে হবে।

হাসনাত আরও বলেন, যারা টাকার মাধ্যমে নির্বাচন প্রভাবিত করার চেষ্টা করছেন, তাদের নাম-পরিচয় প্রমাণসহ জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে। এখন থেকে প্রতিটি ইউনিয়নে অবস্থান করবেন এবং ভোটের ফলাফল নিয়েই ঘরে ফিরবেন।