আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের জন্য ১৭টি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তাদের কেউ বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে আবার অনেকে ‘সমঝোতার ভিত্তিতে’ সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী নিজেদের দলীয় প্রতীকে ভোট করছেন। তবে মাত্র ৪টি আসনে স্বস্তিতে রয়েছেন শরিকরা। কারণ, সেখানে বিএনপির কোনো বিদ্রোহী প্রার্থী নেই। বিজয় নিশ্চিতে বাকি আসনগুলোতে থাকা বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ‘প্রতিবন্ধকতা’ হিসেবে দেখছেন মিত্ররা। তাই তারা চান, নির্বাচনের মাঠে থাকা এসব স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে দ্রুতই বহিষ্কারের মতো সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করুক বিএনপি।
অবশ্য এর আগে ছয় আসনে থাকা দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছিল বিএনপি। আর গতকাল বুধবার বাকি ছয় আসনে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থীদেরও বহিষ্কার করেছে দলটি। কারণ, শরিকদের বিজয় নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর বিএনপি। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনের প্রধান শরিক বিএনপি চায় না যে, নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে শরিকদের কাছে কোনো ভুল বার্তা যাক। তাই শুরু থেকেই নির্বাচন থেকে সরে যেতে দলের পক্ষ থেকে বোঝানোসহ নানা উদ্যোগের পর এবার তাদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিল বিএনপি। কারণ, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়া এসব নেতাকে ‘বিদ্রোহী’ হিসেবে দেখছে বিএনপি।
জানা গেছে, বহিষ্কারের পরও দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন বিএনপি। তাই ধানের শীষ ও জোট প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবে দলটি। গতকাল বুধবার সিলেটে দুই সুফি সাধকের মাজার জিয়ারত করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা মাঠে জনসভার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন তিনি। পর্যায়ক্রমে ঢাকাসহ সব বিভাগীয় শহরে জনসভা করবেন। এ ছাড়া জোট প্রার্থীদের আসনেও যেতে পারেন তিনি। বিএনপি নেতারা মনে করছেন, তারেক রহমানের এই নির্বাচনী মুভমেন্টের মধ্য দিয়ে সারা দেশে ধানের শীষ ও জোটের প্রার্থীদের পক্ষে জোয়ার তৈরি হবে। এর মধ্য দিয়ে দলের বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা দমে যাবে, তারা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়বেন।
জানা গেছে, আসন্ন নির্বাচন কার্যক্রমের শুরুতে ১১৭ আসনে বিএনপির ১৯০ জনের মতো দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন। তাদের কারও কারও মনোনয়নপত্র বাছাইপর্বে বাতিল হয়। আর তপশিল অনুযায়ী গত মঙ্গলবার শেষ দিনে অনেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। নির্বাচনে এখন ৭৫টি আসনে বিএনপির ৮৬ জন ‘অভিমানী’ নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন। এর মধ্যে শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া ১৭টি আসনের মধ্যে ১২টি আসনে বিএনপির নেতারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে আছেন। আর একটি আসন বিএনপি শুরুতে জোট শরিককে ছাড়লেও ‘ঋণখেলাপি সংক্রান্ত জটিলতায়’ সেখানে বিকল্প হিসেবে বিএনপিও তাদের দলীয় প্রার্থী দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ওই আসনে জোট শরিক ও বিএনপি দুই দলেরই প্রার্থী রয়েছে।
গতকাল সকালে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থীরা না সরলে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে বিএনপি। তখন দলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন বলেন, গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, তার আগে ফ্যাসিবাদবিরোধী একটা আন্দোলন ছিলো। দীর্ঘ সময় দেশের সাধারণ মানুষ যেমন ভোট দিতে পারেননি, একই সাথে এটাও সত্য- অনেক ত্যাগী-সংগ্রামী রাজনীতিবিদ রয়েছেন, যারা কখনো নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি। ফলে এতে দীর্ঘ সময় পরে যখন নির্বাচন হচ্ছে, বিএনপির মতো একটা বড় রাজনৈতিক দলে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু প্রতিটি আসনে তো একজনের বেশি মনোনয়ন দেওয়া সম্ভব হয় না।
তিনি বলেন, অনেক আসনে অনেক প্রার্থী রয়েছেন; অনেক ত্যাগী, অনেক সংগ্রামী তারা। দলের জন্য অনেক ভূমিকা রয়েছে। কারও কারও ভেতরে এমন অনুভূতি রয়েছে যে, উনি আসনটিতে মনোনয়ন পেতে পারতেন। প্রত্যাহারের সময় চলে গেছে। এরপরেও যদি কেউ নির্বাচনে প্রার্থী থাকেন, অবশ্যই দল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাহদী আমিন বলেন, ‘আমরা অবশ্যই চাইব, পুরো দল এক হয়ে ধানের শীষের কান্ডারির জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন। যারা এটি করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’
এরপর রাতে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকায় দলের ৫৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি। অবশ্য দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য বিএনপির এসব নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ শিল্প এলাকা ঢাকা-১২ আসনটি গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পান ঢাকা মহানগর উত্তর কমিটির সাবেক আহ্বায়ক সাইফুল আলম নীরব। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটে রয়েছেন। দলীয় শৃঙ্খলাবিরোধী কার্যক্রমের অভিযোগে গত ৩০ ডিসেম্বর তাকে বিএনপির সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়।
গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেক, বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী হাসান পলাশ এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি ও বিএনপি নেতা মো. সাইদুজ্জামান কামাল বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন। পরে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে আব্দুল খালেক ও পলাশ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান। শেষ পর্যন্ত সাইদুজ্জামান কামাল বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন। তবে গতকাল তাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতায় বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে প্রার্থী হন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। কিন্তু এ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলের উপজেলা শাখার সভাপতি মীর শাহে আলমও রয়েছেন। ঋণখেলাপি হওয়ায় বগুড়া-২ আসনে প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে বাধার মুখে পড়েন মান্না। বিষয়টি হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। শেষ পর্যন্ত ঋণ পুনঃতপশিল করায় উচ্চ আদালতের আদেশে প্রার্থী হওয়ার পথ খোলে তার। তবে ২ জানুয়ারি স্বাক্ষর জটিলতায় বাছাইয়ে তার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়, পরে আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পান মান্না। সে সময় মীর শাহে আলমকে দলীয় মনোনয়ন দেয় বিএনপি। প্রত্যাহারের শেষ দিনে কেউ প্রত্যাহার করেননি। মান্না ঢাকা-১৮ আসনেও প্রার্থী হয়েছেন। ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপি এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে প্রার্থী করেছে।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত নেতা হাসান মামুন স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য এবং ছাত্রদল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি। এ আসনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরকে সমর্থন দিয়ে বিএনপি প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। দলের নির্দেশনা অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় হাসান মামুনকে বহিষ্কার করা হয়।
সিলেট-৫ আসনটি জমিয়তের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় জেলা বিএনপির সহসভাপতি মামুনুর রশিদকে (চাকসু মামুন) এরই মধ্যে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
জমিয়তের সহসভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনটি ছেড়ে দেয় বিএনপি। তবে বিএনপির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের মহাসচিব তরুণ দে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন। দুজনকেই এরই মধ্যে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনও বিএনপি মিত্র দল জমিয়তের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মনির হোসেন কাসেমীকে ছেড়ে দিয়েছে। এখানে বিএনপির দুজন নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন। তারা হলেন বিএনপির সাবেক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে প্রার্থী হওয়ায় এ দুজনকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
নড়াইল-২ (লোহাগড়া উপজেলা ও সদরের একাংশ) আসনে বিএনপির চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ পান জোট শরিক অনিবন্ধিত এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ। এর আগে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলামকে প্রাথমিক মনোনয়ন দিয়েছিল দল। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। গতকাল তাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
বাংলাদেশ জাতীয় দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন সৈয়দ এহসানুল হুদা। চূড়ান্তভাবে তাকে ধানের শীষের মনোনয়ন দেওয়া হয় কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে। এখানে প্রাথমিক মনোনয়ন পান কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ও বাজিতপুর উপজেলার সভাপতি শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। পরে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হন। গতকাল দল তাকে বহিষ্কার করেছে।
বিএনপিতে যোগ দিয়ে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনে ধানের শীষ পান এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমদ। তবে ধানের শীষ না পেয়ে সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন। গতকাল তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
গণঅধিকার পরিষদ থেকে পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খান ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে রয়েছেন জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। এ জন্য ফিরোজকে এরই মধ্যে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপিতে যোগ দিয়ে হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসন থেকে ধানের শীষ পান আমজনতার দলের প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া। ধানের শীষ না পেয়ে এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া। গতকাল তাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনে উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহীদ মো. ইকবাল হোসেন ধানের শীষের প্রাথমিক মনোনয়ন পান। তবে চূড়ান্তভাবে ১২ দলীয় জোট শরিক জমিয়তের (অনিবন্ধিত দল) যুগ্ম মহাসচিব রশিদ বিন ওয়াক্কাছকে আসনটি ছেড়ে দেয় বিএনপি। পরে এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হন ইকবাল হোসেন। গতকাল বিএনপি থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিএনপিতে যোগ দিয়ে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে ধানের শীষ পান বাংলাদেশ এলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম। এনডিএমের চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজকে ঢাকা-১৩ আসনে দলীয় মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। তিনি বিএনপিতে যোগদান করেন। বিজেপির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থকে ভোলা-১ (সদর) আসনটি ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। এ ছাড়া নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনটি জমিয়তের মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দীকে ছেড়েছে বিএনপি। এই চার আসনে বিএনপির কোনো নেতা স্বতন্ত্র হিসেবে দাঁড়াননি।