Image description
 

জামায়াতে ইসলামীর সাথে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচন গেলে লক্ষ্য অর্জন হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জেষ্ঠ্য যুগ্ম মহাসচিব ও মুখপাত্র গাজী আতাউর রহমান। আজ শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় মোট ২৬৮ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। একই সঙ্গে বাকি ৩২ আসনে অন্য প্রার্থীদের সমর্থন দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের এই নেতা।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, প্রচলিত আইনে ৫৪ বছর রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছে, এই আইন ব্যর্থ হয়েছে। আমরা সব সময় বলে এসেছি প্রচলিত আইনের পরিবর্তে আল্লাহর আইন, ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন করি। এখন যদি দেখি প্রধান রাজনৈতিক শক্তি আল্লাহর আইন নয়, প্রচলিত আইন প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করবেন, তখন আমাদের লক্ষ্য অর্জিত হবে না। জোটবদ্ধ ইসলামী সংগঠনগুলোর প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানাই। তবে তারাও যেন জামায়াতের এসব নীতির ব্যাপারে ক্লিয়ার হয়ে নেন।

তিনি বলেন, একটি কারণই নয়, রাজনৈতিক কারণের মধ্যে হচ্ছে আমরা যখন একই সঙ্গে নির্বাচন করব তখন উভয়ের পারস্পারিক সম্মানবোধ থাকতে হবে। জামায়াত নেতারা তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বলেছেন তারা ক্ষমতায় গেলে জাতীয় সরকার গঠন করবেন। আমাদের প্রশ্ন হল— তিনি একটি জোটে আছেন, এখানে জাতীয় সরকার হবে না কি সরকার হবে— এটা একটা মৌলিক প্রশ্ন। তিনি তো এই বিষয়টি আমাদের সঙ্গে আলোচনা করেননি। নির্বাচনের আগেই যদি সমন্বয় হয়ে যায় প্রতিদ্বন্দ্বী দলের সাথে, তাইলে এই নির্বাচন পাতানো হবে কিনা, সমঝোতার হবে কিনা সেটিও সন্দেহ চলে আসে। ফলে আগামী দিনের সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে কিনা এই আশঙ্কাটা আমাদের মধ্যে আছে। যখন আস্থা, বিশ্বাস, শ্রদ্ধার জায়গা ভেঙে যায়, তখন জোট থাকে না।

এক প্রশ্নে জবাবে গাজী আতাউর রহমান বলেন, আমাদের আত্মসম্মানে লেগেছে। প্রথম দিন থেকেই জামায়াত আমির চরমোনাই পীরকে ইনসাল্ট করেছেন। তিনি প্রথম আলোর জরিপের কথা বলে আমাদের আমিরকে ইনসাল্ট করেছেন। সেদিনই আমাদের আমির বলেছেন, তাদের হয়তো মতলব ভাল না। আমরা দেখলাম শেষ পর্যন্ত তারা এই জরিপের মধ্যেই ছিলেন। তারা বলেছেন, আপনাদের তো অনেক আসন দেওয়া হয়েছে, জরিপে তো এত পার্সেন্ট না।