Image description
বুঝিয়ে প্রত্যাহারের চেষ্টা, কাজ না হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

প্রতিশ্রুতি দিয়েও রক্ষা করছেন না বিএনপি নেতারা। দলীয় প্রার্থী ঘোষণার আগে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের ডেকে বর্তমান বাস্তবতা, আগামী নির্বাচনের চ্যালেঞ্জসহ সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এমনকি বিগত দিনে তাদের ত্যাগ স্মরণ করে সরকার গঠন করতে পারলে প্রত্যেককে মূল্যায়নের কথাও বলেছিলেন। সেসময় প্রত্যেকেই দলের নির্দেশ মেনে দল যাকে মনোনয়ন দেবে তার হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

কিন্তু তফসিল ঘোষণার পর মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে যেন বেমালুম সেই প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে গেছেন বিএনপি নেতারা। দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শতাধিক আসনে বিদ্রোহী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিএনপি নেতারা। অথচ দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, বেগম সেলিমা রহমান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল কিংবা ফ্যাসিস্ট হাসিনার আমলে সর্বোচ্চ মামলার আসামী যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেলের মতো নেতারা মনোনয়ন বঞ্চিত হলেও মেনে নিয়েছেন দলের সিদ্ধান্ত। এতে দলে কিছুটা অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা শরিকদের আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে বিএনপি। এছাড়া ধানের শীষ ও জোটের প্রার্থীদের বিজয় নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে দলটি বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণে তার ব্যত্যয়ও ঘটার আশঙ্কাও করছেন অনেকে। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে যাচ্ছে বিএনপি। ইতোমধ্যে ১০ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বাকিদের বিষয়েও প্রথমে আলোচনা, বুঝিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহারের চেষ্টা করবে দল, এতে কাজ না হলে আজীবনের জন্য দলের দরজা বন্ধ করার ঘোষণাও আসতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির একাধিক শীর্ষ নেতা।

বিএনপি সূত্রে জানা যায়, সারাদেশে শতাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে বিএনপির। এর মধ্যে ১০ জনকে ইতোমধ্যে বহিষ্কার করা হয়েছে। আলোচনার পর ৪ জন প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন। বাকীদের সাথেও দলের চেয়ারম্যান কিংবা দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা কথা বলছেন। ২০ জানুয়ারি মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের মধ্যেই এসব প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন এবং নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন বলে প্রত্যাশা করছেন কেন্দ্রীয় নেতারা।

বিএনপির একাধিক নেতা জানান, বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে কিছুটা অস্বস্তিতে আছে দল, তফসিল অনুযায়ী, ২০ জানুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের চূড়ান্ত তারিখ। তারা আশা করেন, এই সময়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা দলীয় সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন এবং সরে দাঁড়াবেন। এ লক্ষ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে থাকা দলীয় নেতাদের নির্বাচন থেকে সরাতে তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন পর্যায় থেকে তাদের সঙ্গে আলোচনা করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে রাজি করানোর উদ্যোগ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজেও গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলছেন। বিশেষ করে যেসব আসনে সমঝোতার ভিত্তিতে জোট শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, সেসব আসনে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে ধানের শীষ বা জোট প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দিচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে সরকার গঠন হলে তাদের যথাযথ মূল্যায়নের আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। বহিষ্কৃত নেতাদের ক্ষেত্রেও শিগগির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া অঞ্চলভিত্তিক কিছু নেতাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য। বিএনপির চেয়ারম্যান তাদের কাছে কি প্রত্যাশা করছেন এবং চেয়ারম্যান তাদের কি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন সেসব বিষয়ও এসব নেতা বিদ্রোহী প্রার্থীদের সঙ্গে দেখা করে জানাচ্ছেন।

জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করে ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করার ঘোষণা দিয়েছেন। বিএনপির আশা, এ উদ্যোগের মাধ্যমে সংকটের সমাধান হবে। এ কারণে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত অপেক্ষা করবে দলটি।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দলের সিদ্ধান্ত অমান্য করে অনেকেই নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। দলের পক্ষ থেকে তাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে, দল যদি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায় তাহলে তাদের যোগ্যতা অনুযায়ী মূল্যায়ন করা হবে। তিনি বলেন, বিএনপি চেয়ারম্যান ইতোমধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলেছেন, আরো কয়েকজন নেতাকে এলাকাভেদে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে তারাও কথা বলছেন। এরপরও যদি কেউ নির্বাচনী প্রার্থী থাকেন তাহলে দল পরবর্তীতে কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, একটা বৃহৎ রাজনৈতিক দলে অনেক প্রার্থী থাকে যাদের প্রত্যাশা থাকে, তারা হয়তো তাদের প্রত্যাশা মনোনয়ন পায়নি। কিন্তু বৃহত্তর স্বার্থে, আমাদের আসন সমঝোতার স্বার্থে এবং পার্লামেন্টে আমরা মাল্টিপার্টি রিপ্রেজেন্টেশনের জন্য যেটা বলি আর কি, বহু পার্টির যে একটা প্রতিনিধিত্ব থাকবে, সেটার স্বার্থে আমরা আমাদের অনেক যোগ্য প্রার্থীকে বলতে গেলে বঞ্চিত করেছি। সুতরাং তাদের মনোব্যথা আছে তাদের আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্রে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিয়েছি আর কিছু কিছু ক্ষেত্রে তাদের আমরা বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করবো। আশা করি সেটার মীমাংসা হবে।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ত তাঁদের বোঝানো হচ্ছে। এরপরও না বুঝলে তাঁদের বিরুদ্ধে তো সাংগঠনিক ব্যবস্থা নিতেই হবে। এ ছাড়া আর উপায় কী। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২০ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাঁরা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবেন, তাঁদের সাধুবাদ জানানো হবে। তবে সময়সীমা পার হলে অবাধ্য বা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গকারী নেতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির সিদ্ধান্ত, দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সর্বশক্তি নিয়োগ করতে হবে। কোনো আসনে শেষ পর্যন্ত বিদ্রোহী থাকলেও নেতা-কর্মীরা দল মনোনীত প্রার্থী ছাড়া অন্য কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করতে পারবেন না। নির্দেশ অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট ইউনিট বা কমিটিও দায়ী হবে।

বিএনপির নেতৃত্ব মনে করছে, বিদ্রোহী প্রার্থীদের কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারলে ভোটের মাঠে বিএনপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে। তাই দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষাই এখন বিএনপির সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।

আসন্ন নির্বাচনে শরিকদের সঙ্গে ১৭টি আসনে সমঝোতা করেছে বিএনপি। এর মধ্যে বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, ভোলা-১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) আন্দালিভ রহমান পার্থ, নড়াইল-২ আসনে এনপিপির ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, যশোর-৫ আসনে জমিয়তের মুফতি রশিদ বিন ওয়াক্কাছ, পটুয়াখালী-৩ আসনে গণ অধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর, ঝিনাইদহ-৪ আসনে রাশেদ খাঁন, ঢাকা-১২ আসনে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, ঢাকা-১৩ আসনে এনডিএমের ববি হাজ্জাজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, লক্ষ্মীপুর-১ আসনে বিএলডিপির শাহাদাত হোসেন সেলিম, কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে সৈয়দ এহসানুল হুদা এবং কুমিল্লা-৭ আসনে এলডিপির রেদওয়ান আহমেদকে ছেড়ে দিয়েছে। এদের মধ্যে ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, রাশেদ খান, শাহাদাত হোসেন সেলিম, এহসানুল হুদা, রেজা কিবরিয়া, রেদওয়ান আহমেদ ও ববি হাজ্জাজ বিএনপিতে যোগ দিয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন। এ ছাড়া জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশকে চারটি আসন ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। সিলেট-৫ আসনে জমিয়তের মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, নীলফামারী-১ আসনে মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে দলটির মনির হোসেন কাসেমী। এসব আসনে তারা দলীয় প্রতীকে (খেজুরগাছ) নির্বাচন করছেন।

মিত্র দলের একাধিক শীর্ষ নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আসন ছাড় দেওয়া হলেও তৃণমূল বিএনপিকে এ বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা না দেওয়ায় মাঠপর্যায়ে দ্বিধা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানোর পর কিছু এলাকায় পরিস্থিতির সামান্য উন্নতি হলেও তা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। এ কারণে সমঝোতার আসন পাওয়া প্রার্থীদের বড় অংশই মনে করছেন, বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে কঠোর নির্দেশ না দিলে পূর্ণ সহযোগিতা পাওয়া কঠিন হবে।

এরই মধ্যে নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, গণঅধিকারের নুরুল হক নুর, রাশেদ খান এবং জমিয়ত নেতারা পৃথকভাবে বিএনপির চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। নিজেদের নির্বাচনী এলাকার সমস্যাগুলো তারা জানিয়েছেন।

তারা বলেছেন, তাদের জন্য ছেড়ে দেওয়া আসনগুলোয় ‘কোনো ব্যানারেই’ বিএনপি নেতাদের রাখা যাবে না। সেখানে বিজয় নিশ্চিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে থাকা বিএনপির নেতারাই প্রধান বাধা।

তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাতের পর প্রত্যাহারের ঘোষণা : ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে গণসংহতির জোনায়েদ সাকির বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে বহিষ্কৃত হওয়া দলের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেককে গত ৮ জানুয়ারি ঢাকায় ডেকে কথা বলেন বিএনপির চেয়ারম্যান। জানা গেছে, এ সময় তাকে নির্বাচন থেকে সরে গিয়ে সাকির পক্ষে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছেন আব্দুল খালেক। তিনি বলেন, দলের বাইরে গিয়ে তো আর পারা যাবে না। চেয়ারম্যান যখন ডেকেছেন, তাকে সম্মান করতেই হবে। এ ছাড়া একইদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামানের সঙ্গেও কথা বলেন তারেক রহমান। পরে এক ভিডিওবার্তায় আসন্ন নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা জানান আরএকে সিরামিকসের এই ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)। সুনামগঞ্জ-৫ আসনের বিদ্রোহী প্রার্থী বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী দলীয় চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে মিজানুর লেখেন, ‘আমার শ্রদ্ধেয় অভিভাবক বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব আমাকে গতকাল তার গুলশান কার্যালয়ে ডেকে দল ও দেশের স্বার্থে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেছেন।’ নোয়াখালী-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চাওয়া বিএনপি নেত্রী হাসনা জসীমউদ্দিন মওদুদ ৫ জানুয়ারি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘দলের চেয়ারম্যান ও নতুন নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মুর্শিদা খাতুন তার মনোনয়ন প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন। মুর্শিদা বিএনপির সিনিয়র নেতা শহীদুজ্জামান বেল্টুর স্ত্রী।