Image description

সিরাজগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার সঙ্গে কাজ করায় কাজিপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শেখ জাহিদ হাসানকে  মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। 

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সিরাজগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সাইদুল ইসলাম ও তার লোকজন এমন ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীর। 

সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে উপজেলার মেঘাই পুরাতন বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত জাহিদ শহরের আভিসিনা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

বিকেলে হাসপাতাল থেকে শেখ জাহিদ হাসান বলেন, দলীয় মনোনয়ন নিশ্চিত হওয়ার আগে আমরা রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপার পক্ষে কাজ করেছি। যখন সেলিম রেজা ভাইয়ের মনোনয়ন নিশ্চিত হয় তিনি আমাকে ফোন দিয়ে বলেন, আমার কোনো গ্রুপ নেই। আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করবো।  

আমরা রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপার আদেশে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করার লক্ষ্যে মেঘাই বিএনপি অফিসে ১০/১২ জন বসেছিলাম।

ঠিক সেই সময় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে ২০/২৫ জন এসে আমাকে বেদম মারধর করে। 

এদিকে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম বলেন, আমি ওখানে যাই নাই। এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা না। আপনারা হাসপাতালে গিয়ে সরেজমিনে দেখেন। দেখলেই বুঝবেন। 

সেলিম রেজা বলেন, আমরা সবাই এক হয়ে গেছি। এখানে কোনো বিরোধ নেই। আজকে যেটা ঘটেছে সেটা তাদের নিজেদের মধ্যে। আমি নিজেও জাহিদকে দেখতে গিয়েছি। যেটা ঘটেছে নিজেরা বসে সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করছি। 

কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. এনায়েতুর রহমান বলেন, আমাদের কেউ অভিযোগ দেয়নি। বাই দা বাই আমি জানতে পারলাম ফেসবুকে একটা স্টাট্যাসের বিষয় নিয়ে চড় থাপ্পরের ঘটনা ঘটেছে। তবে এ বিষয়ে কেউ লিখিত বা মৌখিক অভিযোগ করেনি। 

জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, বিষয়টা আমার নলেজে আসে নাই। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এ ধরনের ঘটনার কোনো অভিযোগ এলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।