সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নবম জাতীয় বেতন স্কেলে ৯০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি এবং ১৬ গ্রেড চালুর সম্ভাবনার যে খবর ছড়িয়ে পড়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাতে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নবম পে-স্কেলে বেতন কত শতাংশ বাড়বে কিংবা গ্রেড সংখ্যা কত হবে—এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কমিশনের সদস্যদের মধ্যে এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মতভেদ থাকায় এখনো সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।
কমিশনের এক সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বেতন বৃদ্ধির হার, গ্রেড সংখ্যা, সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণসহ নানা বিষয়ে আলোচনা চলছে। এ অবস্থায় সামাজিক মাধ্যমে প্রচারিত ৯০ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি বা ১৬ গ্রেড চালুর খবরের কোনো সত্যতা নেই।
এদিকে নবম পে-স্কেল সংক্রান্ত পূর্ণ কমিশনের স্থগিত সভার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভায় গ্রেড সংখ্যা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
পে-কমিশন সূত্র জানায়, সরকারি বেতন কাঠামো নিয়ে বর্তমানে তিনটি বিকল্প বিবেচনায় রয়েছে। একাংশ বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রেখে বেতন-ভাতা বাড়ানোর পক্ষে মত দিয়েছে। অন্য একটি অংশ গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৬ করার প্রস্তাব দিয়েছে, আর আরেকটি অংশ আরও কমিয়ে ১৪টি গ্রেড করার পক্ষে মত প্রকাশ করেছে।
কমিশন জানিয়েছে, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য নবম জাতীয় বেতন কাঠামো প্রণয়নের লক্ষ্যেই সব প্রস্তাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় ঐকমত্য তৈরি হলে শিগগিরই সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হবে।
শীর্ষনিউজ