Image description

চরমোনাইয়ের মাহফিলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সম্পর্কে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীমের বক্তব্যকে ‘অসত্য ও বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করেছেন জমিয়ত নেতারা।

শনিবার (২৯ নভেম্বর) এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি করেছেন দলের সভাপতি মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক, সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা আব্দুর রব ইউসুফী ও মহাসচিব মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী।

বিবৃতিতে তারা বলেন, ইসলামী দলগুলোর ঐক্য প্রসঙ্গে জমিয়ত নিয়ে চরমোনাই পীরের বক্তব্য বাস্তবতাবিবর্জিত। পীর পরিচয় দিয়ে এমন মিথ্যাচারে আমরা বিস্মিত ও হতবাক।

জমিয়ত নেতারা বলেন, সমমনার ফোরামে কোনো আলোচনা ছাড়াই ইসলামী আন্দোলন যখন পিআর ইস্যুকে সামনে নিয়ে আসে এবং এই দাবিতে সমমনার কনসেপ্টের বাইরে গিয়ে যখন তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক দল আরেক দলের সঙ্গে মিলে প্রোগ্রাম করে, তখন থেকে জমিয়ত সমমনার লিয়াজোঁ কমিটির মিটিংয়ে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে। কারণ পিআর আর এক বাক্স ফর্মুলা একটি অপরটির সঙ্গে সম্পূর্ণ রূপে সাংঘর্ষিক।

 

জমিয়ত নেতারা বলেন, ‘বিএনপি কিংবা জামায়াত কোনো দিকেই ধাবিত না হওয়ার সিদ্ধান্ত থাকার পরও সমমনার ফোরামে কোনও রকম আলোচনা ও ফয়সালা  ছাড়াই এই পিআর ইস্যুতে এক দলের দলীয় প্রোগ্রামে আরেক দলের সদলবলে অংশগ্রহণকে আমরা আমাদের সঙ্গে রাজনৈতিক প্রতারণা মনে করেছি।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সঙ্গত কারণেই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে লিয়াজোঁ কমিটির বৈঠকে উপস্থিত হওয়া থেকে আমরা বিরত থেকেছি। এর আগ পর্যন্ত অর্থাৎ কালভার্ট রোডের খেলাফত মজলিসের অফিসে অনুষ্ঠিত লিয়াজোঁ কমিটির সর্বশেষ বৈঠকে আমাদের অংশগ্রহণ ছিল। এর পরের বৈঠকটি হয় সোহরাওয়ার্দীর সমাবেশের পর বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির অফিসে। সেই বৈঠকে আমরা উপস্থিত হইনি। সুতরাং এই বাস্তবতার পরও ধর্মীয় মাহফিলের ভাবগাম্ভীর্যের কোনও তোয়াক্কা না করে একজন দলীয় প্রধানের এমন অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য জাতির সঙ্গে তামাশা সামিল এবং এটা রাজনৈতিক শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণও বটে।’