Image description

টুডে রিপোর্ট

বিগত  কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বেশ কয়েকটা ঘটনা ঘটেছে। গুরুত্বপুর্ণ এই ঘটনা গুলোকে কাকতালিয় মনে করছেন না অনেকেই। 

ঘটনা ১ঃ 

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন  সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

রোববার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টা ৩০ মিনিটে প্রধান বিচারপতির গুলশানের বাসভবনে এ সাক্ষাৎ শুরু হয়।

জানা গেছে, রাজধানীর গুলশান-২ এর ৯৬ নম্বর রোডের ৩ নম্বর বাড়িতে দুজনের মধ্যে এই বৈঠক হয়। তবে কোন বিষয়ে এই আলোচনা, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

ঘটনা -২ ঃ 

পতিত ফ্যাসিষ্ট আওয়ামী লীগ এই প্রথম জেনারেল ওয়াকারের সমর্থনে প্রথমবার প্রকাশ্যে বিবৃতি দিয়েছে।   প্রধান বিচারপতি - জেনারেল ওয়াকার বৈঠকের ঠিক একই সময় দলটির ফেসবুক পেইজে প্রকাশিত বিবৃতি বলা হয়েছে "  

সম্প্রতি সেনাপ্রধানকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ স্লোগান ও অবমাননাকর মন্তব্য ছড়ানো হচ্ছে। এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে হেয় করে দেশের ভেতরে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাইরের বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করার নোংরা ষড়যন্ত্র চলছে। প্রশ্ন জাগে,কে বা কারা এই অপচেষ্টার নেপথ্যে? উত্তর স্পষ্ট যারা রাষ্ট্রকে দুর্বল করতে চায়, যারা অবৈধ অস্ত্রের জোরে ক্ষমতার ভাগ চায়, তারাই সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এই অপতৎপরতায় লিপ্ত।"

ঘটনা-৩ঃ 

ঠিক একই সময় ধানমন্ডীতে  ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগের জঙ্গি মিছিল হয়েছে। 

ঘটনা-৪ ঃ ক্যাম্পাসগুলো  একযোগে অস্থির হয়ে উঠেছে। চবিতে ছাত্রদের ওপর ব্যাপক হামলা হয়েছে। রাবিতে ছাত্রদল  বনাম বাকি ছাত্ররা মুখোমুখি।   ডাকসু নির্বানকে বানচাল করার জন্য হাইকোর্টের দারস্থ  হয়েছে ফ্যাসিষ্টপন্থি বামরা। 

সব মিলিয়ে চারিদিকে অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে  ইউনুস সরকারের একাধিক সূত্র বলছে, এর পেছনে কাজ করছে  জেনারেল ওয়াকারের অনুগত বাহিনী। ওয়াকার  ফের  আর্মি  ক্যু  করার দিকে এগোচ্ছে ।  অবশ্য এর আগেও ওয়াকার একাধিকবার চেষ্টা করেও ক্যু করতে ব্যর্থ হয়। 

খবরে প্রকাশ, আজ রাতেই  গাজীপুরসহ বেশ কিছু জায়গায় আরও অস্থিরতা সৃষ্টি  করে সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের পটভূমি তৈরী করা হতে পারে।   

অবশ্য পশ্চিমা দূতাবাসের সাথে যোগাযোগ রাখেন এমন একজন সিনিয়র সাংবাদিকের মতে, জেনারেল ওয়াকারের এরকম নড়াচড়ার খবর  তাদের জানা নাই।   

ঘটনাগুলোর দিকে তীক্ষ্ণ নজর রাখেন এমন একজন বিশ্লেষক বলছেন, ডঃ ইউনুস সরকারকে সরিয়ে আরেকটি ভারত- ও আওয়ামীলীগ-বান্ধব তত্ত্বাবধায়ক   সরকার নিয়ে আসার প্লান অনেক আগের।  সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরে আনার চেষ্টা   করা হচ্ছে। ডিসেম্বরের মধ্যে তা করা হতে পারে। আর বর্তমান বিচারপতির মেয়াদকাল আগামী ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ হবে। সে হিসেবে বর্তমান বিচারপতিই হতে পারেন জানুয়ারি ২০২৬ পরের নির্বাচনকালী সরকারের প্রধান । এরেই অংশ হিসেবেই জেনারেল ওয়াকার-প্রধান বিচারপতি বৈঠক হতে পারে।