
সামরিক গোয়েন্দারা রাজনীতিবিদদের ক্যান্টেমেন্টে নিয়ে বুদ্ধি দেয়, হুমকি দেয়, শাসায়, এটা নতুন না। কিন্তু সেটা সাহাস করে রিয়েল টাইমে ফাঁস করে দেয়ার ঘটনা মনে হয়, এই প্রথম। বিগত ৭৮ বছরে পাকিস্থান-বাংলাদেশের ইতিহাসে মনে হয় এটাই প্রথম। যার নজির দেখালেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। এর আগে সামরিক গোয়েন্দাদের সাথে রাজনীতিবিদের বৈঠকের ঘটনা আমরা ২০-৩০ বছর পর জানতে পারতাম, তাদের কোন আত্নজীবনীমূলক বইয়ের ভেতরে বা স্মর্তি কথায়। যখন সেই তথ্য প্রকাশের আর কোন আবেদন থাকতো না। Hasnat Abdullah revealed it in REAL TIME !
বাকিটা আমান আব্দুহু বলেছেন ---
বাংলাদেশের চুয়ান্ন বছরের ইতিহাসে একজন রাজনীতিবিদও যে কাজ করার সাহস করে উঠতে পারেনাই, হাসনাত আবদুল্লাহ সেই কাজ করেছে। সে ষড়যন্ত্রকারী সেনাবাহিনীর নাম সরাসরি উল্লেখ করে জানিয়ে দিয়েছে, আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসনের জন্য এই সেনাবাহিনীই কাজ করে যাচ্ছে।
জামায়াত বিএনপি ডান বাম সুশীল অসুশীল থেকে শুরু করে এমনকি সম্প্রতি মাহমুদুর রহমান, সবাই সেনাবাহিনীর সামনে নত হতে বাধ্য হয় এবং তারা কেউ কখনো সেনাবাহিনীর নামও উল্লেখ করতে পারে না। কারণ তাদের সবার নানা ভয় আছে। হাসনাত আবদুল্লাহ যে সাহস দেখিয়েছে, তা অনন্য। তার পরিণতি হয়তো ভালো হবে না, পুরা বাংলাদেশের গোলামরা তাদের মালিকের ইশারায় নেমে যেতে পারে, কিন্তু এই ছেলেটার পরিস্কার উচ্চারণ নতুন একটা ইতিহাস রচনা করলো। তা মুছে যাবে না।
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী হলো পলাশী যুদ্ধের ঐতিহ্যবাহী সেনাবাহিনী। পলাশীর যুদ্ধে আর্মি চীফ কে ছিলেন? হযরত মীর জাফর আলী খান। সেই থেকে শুরু হলো, ক্যাশপ্রেমিক সেনাবাহিনী এই অঞ্চলের মানুষদেরকে চিরস্থায়ী গোলামী ও পশ্চাদপদতার জালে আটকে রাখার জন্য শত শত বছর যাবত একটানা কাজ করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী হলো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় শত্রু।
মোকাররম হোসেন