Image description

নাটোরের গুরুদাসপুরে বিএনপি কর্তৃক পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলামের নির্মম হত্যাকাণ্ড এবং ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে এমপির আপস প্রস্তাব বিচারপ্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ২০২৬, বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল শিবগাতুল্লাহ এ নিন্দা জানান এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘গত ১৪ অক্টোবর রাতে চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন শাকিল। ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর নাটোর-৪ আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অথচ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই শাকিলের জানাজায় গিয়ে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ খুনিদের বাঁচাতে বিষয়টি আপসের জন্য ২০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। একজন সংসদ সদস্যের এমন প্রস্তাব অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা। নিজদলীয় ছাত্রনেতাকে হত্যার পর টাকার বিনিময়ে আপসের এমন রাজনীতি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘যে দলের আদর্শ ধারণ  করে রাজনীতি করতেন শাকিল, সেই দলের সন্ত্রীদের হাতেই তাকে প্রাণ দিতে হলো। শাকিল নিজের জীবন ঝুঁকিতে থাকার কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন এবং হুমকিদাতাদের নাম উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। এরপরও তার নিরাপত্তায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ইতোপূর্বে নেত্রকোণায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের আগে তিনি থানায় আশ্রয় চাইলেও প্রশাসন তাকে সহযোগিতা করেনি, এসব ঘটনা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য বিএনপি, ছাত্রদল ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাই দায়ী। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তারা দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, দখল, ভিন্নমতের মানুষের ওপর হামলা, খুন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। ৫ আগস্টের পর নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের হাতে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। মূলত বিএনপি ও ছাত্রদল সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক। তাদের কাছে শিক্ষার্থীরা তো বটেই, নিজ দলের নেতাকর্মীদের জীবনও মূল্যহীন।’

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নুরুজ্জামান মিন্টুসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে, শাকিলের জীবনের ঝুঁকির কথা জানার পরও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

নাটোরের গুরুদাসপুরে বিএনপি সন্ত্রাসী কর্তৃক পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব শাকিল ইসলামের নির্মম হত্যাকাণ্ড এবং ২০ লাখ টাকার বিনিময়ে এমপির আপস প্রস্তাব বিচারপ্রক্রিয়াকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল উল্লেখ করে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বুধবার (২৮ অক্টোবর) ২০২৬, বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম ও সেক্রেটারি জেনারেল শিবগাতুল্লাহ এ নিন্দা জানান এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘গত ১৪ অক্টোবর রাতে চাঁচকৈড় বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন শাকিল। ১২ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৬ অক্টোবর রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি মারা যান। তার মৃত্যুর পর নাটোর-৪ আসনের বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজের বড় ছেলে নুরুজ্জামান মিন্টুকে হত্যাকাণ্ডে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অথচ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই শাকিলের জানাজায় গিয়ে সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ খুনিদের বাঁচাতে বিষয়টি আপসের জন্য ২০ লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেন। একজন সংসদ সদস্যের এমন প্রস্তাব অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা। নিজদলীয় ছাত্রনেতাকে হত্যার পর টাকার বিনিময়ে আপসের এমন রাজনীতি অত্যন্ত ন্যাক্কারজনক।”

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, ‘যে দলের আদর্শ ধারণ  করে রাজনীতি করতেন শাকিল, সেই দলের সন্ত্রীদের হাতেই তাকে প্রাণ দিতে হলো। শাকিল নিজের জীবন ঝুঁকিতে থাকার কথা জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন এবং হুমকিদাতাদের নাম উল্লেখ করে থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছিলেন। এরপরও তার নিরাপত্তায় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি। ইতোপূর্বে নেত্রকোণায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকির হত্যাকাণ্ডের আগে তিনি থানায় আশ্রয় চাইলেও প্রশাসন তাকে সহযোগিতা করেনি, এসব ঘটনা প্রমাণ করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই।’

নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘সারাদেশে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির জন্য বিএনপি, ছাত্রদল ও তাদের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরাই দায়ী। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে তারা দেশজুড়ে চাঁদাবাজি, দখল, ভিন্নমতের মানুষের ওপর হামলা, খুন ও ধর্ষণের মতো অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। ৫ আগস্টের পর নিজেদের অন্তর্দ্বন্দ্বে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের হাতে ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। মূলত বিএনপি ও ছাত্রদল সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক। তাদের কাছে শিক্ষার্থীরা তো বটেই, নিজ দলের নেতাকর্মীদের জীবনও মূল্যহীন।’

নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে নুরুজ্জামান মিন্টুসহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত সবার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। একই সঙ্গে, শাকিলের জীবনের ঝুঁকির কথা জানার পরও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ স্থানীয় প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়িত্বে অবহেলা তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।