Image description

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরের জন্য দিল্লি সরকার বারবার অনুরোধ জানালেও তিনি পলাতক শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারত সফরে যাবেন না বলে জানিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, একই অনুরোধ জামায়াতের আমিরকে করা হলে ‘এতদিনে জামায়াত আমির দিল্লিতে থাকতেন’।

শুক্রবার দুপুরে জুমার নামাজ শেষে ঝিনাইদহ সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

রাশেদ খাঁন বলেন, আওয়ামী লীগ ও ভারতের সঙ্গে গোপনে আঁতাত করে দেশকে অশান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে জামায়াত। জামায়াতের একের পর এক লংমার্চ কর্মসূচির ঘোষণা সেই ষড়যন্ত্রের অংশ।

তিনি আ‌রো বলেন, ভারতের একের পর এক অনুরোধ সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যাননি। পলাতক শেখ হাসিনা ও শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ভারত সফর করবেন না।

রাশেদ খাঁন বলেন, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দেশের জাতীয় সমস্যা। এই সংকট উত্তরণে সরকারের পাশাপাশি বিরোধীদলের গঠনমূলক ভূমিকা প্রয়োজন। কিন্তু আমরা দেখছি বিরোধী দল গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের অজুহাতে লংমার্চ করছে।

জামায়াতে ইসলামীর সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াত স্বার্থের জন্য তার শত্রুদের সঙ্গে আঁতাত করতে পারে। ভারতের সঙ্গে আঁতাত করে ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগকে ফেরানোর জন্য জামায়াত অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আওয়ামী লীগের ভাষা ও জামায়াতের আমীরের ভাষা একই সূত্রে গাঁথা।

বিরোধী দলের লংমার্চের সমালোচনা করে রাশেদ খাঁন আরো বলেন, জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু জামায়াতসহ বিরোধীদল চট্টগ্রামে লংমার্চ করেছে। এখন তারা আবার রংপুরের উদ্দেশ্যে লংমার্চ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে। জামায়াতের এই লংমার্চ ও আওয়ামী লীগের ডিসেম্বরে ফেরার ঘোষণা দেশকে অশান্ত করার একটি অপচেষ্টা। জনগণকে বলব, আপনারা সতর্ক থাকুন। এই জামায়াতের চরিত্র সম্পর্কে জানুন।