ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ এইমাত্র ফেনী পৌঁছেছে। এখানে উৎসবমুখর পরিবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক লোক সমাগম হয়েছে।
মহিপাল হোছাইনিয়া মাদরাসার সামনে পথসভায় উপস্থিত হয়েছেন প্রধান অতিথি বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা: শফিকুর রহমান। জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ফেনী জেলা আমির মুফতি আবদুল হান্নানের সভাপতিত্বে আয়োজিত পথসভায় আরো উপস্থিত হয়েছেন লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) অলি আহমেদ, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবিপার্টি) চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) মুখপাত্র রাশেদ প্রধান, বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীসহ ১১ দলীয় জাতীয় নেতৃবৃন্দ।ভোলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আবদুর রহিমের সঞ্চালনায় ১১ দলীয় ঐক্যের স্থানীয় ও জাতীয় নেতৃবৃন্দ পথসভায় বক্তব্য রাখছেন।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, জনগণের ন্যায্য দাবি আদায়, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সঙ্কট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে আজ সকালে রাজধানী থেকে এ লংমার্চ শুরু হয়েছে।
জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেট জামাল উদ্দিন বলেন, ‘পথসভায় সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ১১ দলীয় ঐক্যের নেতাকর্মীরা উৎসবমুখর পরিবেশে মহিপালে অবস্থান নিয়েছে। পথসভায় অন্তত ৫০ হাজার মানুষের সমাগম হয়েছে। দূর থেকে দেখতে মহিপালের বিভিন্ন স্পটে এলইডি স্কিন স্থাপন করা হয়েছে।’
জেলা জামায়াতের আমির মুফতি আবদুল হান্নান নয়া দিগন্তকে বলেন, ‘জনদাবি আদায়ে লংমার্চ ও পথসভাকে ঘিরে জনগণ স্বোচ্চার হয়ে উঠেছে। লংমার্চে ফেনী থেকে ১৫০টি গাড়িসহ মোট এক হাজার গাড়ি অংশ নেবে।’