‘বাংলাদেশের ইতিহাসের মাত্র ৪৪ বছর বয়সে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হলেন শিশির মনির’ এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশকিছু পোস্ট এবং ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন গ্রুপ এবং পেজে আরটিভির সংবাদ ফটোকার্ডের আদলে একটি ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি বেশ জোরেশোরে প্রচার করা হচ্ছে।
এ সম্পর্কিত কয়েকটি পোস্ট দেখুন এখানে, এখানে, এখানে এবং এখানে।
তবে এশিয়া পোস্টের যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
প্রচারিত পোস্টগুলোর মধ্যে বাংলাদেশি টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভির সংবাদ ফটোকার্ড ধরন নকল করে তৈরি একটি ফটোকার্ড ব্যাপকভাবে ছড়াতে দেখা গেছে। এতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান সঙ্গে আইনজীবী শিশির মনিরের একটি ছবি সংযুক্ত করা হয়েছে। ফটোকার্ডটিতে তারিখ হিসেবে ২৭ জুন, ২০২৫ উল্লেখ করা হয়েছে। ফেসবুকে জামায়াত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পেজ এবং গ্রুপে দাবিটি ব্যাপকভাবে প্রচার হতে দেখা গেছে।
তবে দাবিটির সঙ্গে সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমগুলোতে ‘আইনজীবী শিশির মনিরের বিচারপতি’ হওয়ার কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। এ ছাড়াও টেলিভিশন চ্যানেল আরটিভিরটিভির অফিসিয়াল ফেসবুকে পেজ এবং ওয়েবসাইটেদাবিটির সঙ্গে সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড বা সংবাদ পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ আরটিভি এ ধরনের কোনো ফটোকার্ড কিংবা সংবাদ প্রকাশ করেনি।
এ ছাড়াও বাংলাদেশে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের ওয়েবসাইটেও উল্লেখিত নিয়োগসংক্রান্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
অর্থাৎ, আইনজীবী শিশির মনির সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হয়েছেন দাবিতে প্রচারিত দাবিটি সত্য নয়। এই দাবির স্বপক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য সংবাদ কিংবা দালিলিক প্রমাণ নেই।