Image description

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় একটি ফেসবুক পোস্টকে ঘিরে ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ)। অভিযুক্ত নেতা হলেন আবদুর রশিদ খান ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. শহিদুল গাজী।

সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয় পটুয়াখালী জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হারুন অর রশিদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।

জানা যায়, নওয়ালা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামাল বিশ্বাসকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন শহিদুল গাজী। ওই পোস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সৈনিক হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি নিজেকে এবং শেখ মুজিবুর রহমান ও জিয়াউর রহমানের আদর্শে কথা বলেন রাজনীতি করার। পাশাপাশি বিএনপির দুঃসময়ে পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন।

পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সংগঠনের ভেতরে সৃষ্টি হয় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার। বিষয়টি জেলা ছাত্রদলের নজরে এলে তদন্ত শেষে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নেওয়া হয় উদ্যোগ।

এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল পটুয়াখালী জেলা শাখা থেকে তাকে দেওয়া হয়েছে শোকজ নোটিশ। নোটিশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দিতে বলা হয়েছে লিখিত ও মৌখিক জবাব। সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও করা হয়েছে উল্লেখ।

এ বিষয়ে শহিদুল গাজী বলেছেন, তার সঙ্গে একটি পুরোনো ছবি ছিল জামায়াত নেতা ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের। যা নিয়ে নওয়ালা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে বিভিন্নভাবে করতেন হেনস্তা এবং আখ্যা দিতেন ‘গুপ্ত’ বলে। এতে অভিমান থেকেই তিনি ফেসবুকে দেন ওই পোস্টটি।

তবে তিনি দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনসহ বিভিন্ন সময়ে বিএনপির কর্মসূচিতে তিনি অংশ নিয়েছেন সক্রিয়ভাবে।