Image description

পন্থি উপদলগুলোর প্রভাব রয়েছে এমন কোনও ইরাকি সরকারকে তারা মেনে নেবে না। একই সঙ্গে মিলিশিয়াদের দমনের প্রচেষ্টার সঙ্গে তারা প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও অর্থায়নের বিষয়টিকে জুড়ে দিয়েছে।

ইরাকের অনেক ইরান সমর্থিত মিলিশিয়া গোষ্ঠী রাষ্ট্রীয় বাজেট থেকে অর্থায়ন পায় এবং দেশের নিরাপত্তা কাঠামোর ভেতরেই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যদিও তারা সরকারের নিয়ন্ত্রণে নেই। এই বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্র এবং মিলিশিয়াদের হামলার শিকার হওয়া অন্যান্য দেশের তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। দেশগুলোর দাবি, বাগদাদ এই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে।

অস্ত্র জমা দিতে অস্বীকৃতি কয়েকটি গোষ্ঠীর

ইরাকের কোঅর্ডিনেশন ফ্রেমওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকটি সশস্ত্র উপদল অবশ্য অস্ত্র রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার এই প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ গোষ্ঠী কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং হারাকাত আল-নুজাবা অস্ত্র সমর্পণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা এই বিষয়টিকে ইরাকের সার্বভৌমত্ব এবং দেশটিতে বিদেশি সেনা উপস্থিতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করে হাজির করছে।

কাতাইব হিজবুল্লাহ অন্যান্য উপদলের অস্ত্র রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও স্পষ্ট করেছে যে, তাদের নিজস্ব সশস্ত্র তৎপরতা প্রতিরোধমূলক কাজ হিসেবে অব্যাহত থাকবে। গোষ্ঠীটির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চ্যানেল আবু মুজাহিদ আল-আসাফ-এ একটি সাম্প্রতিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা অস্ত্র সমর্পণ করার পরিবর্তে আধাসামরিক বাহিনী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস-এর সঙ্গে সমন্বয় করার প্রস্তাব দেবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে সুন্নি উগ্রপন্থি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)-কে মোকাবিলা করার জন্য এই পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস গঠিত হয়েছিল। তারা ওই সময় ইরাকের একটি বিশাল অঞ্চল দখল করে নিয়েছিল। শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর এই রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পাওয়া ছত্র সংগঠনটির অধীনে থাকা অনেক দলই এখনও তাদের নিজস্ব কমান্ড এবং ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে।