Image description

“আমাদের কার কত ক্ষমতা আছে তা বড় কথা নয়, আমাদের দায়িত্ব হল সেবকের। জনগণের উপর যে দায়িত্ব আমাদের রয়েছে সেটাই আমাদের পালন করতে হবে। মনে রাখবেন, আগামী পাঁচ বছর পর এই জনগণের কাছেই আমরা আবার দাঁড়াবো। জনগণই একমাত্র ক্ষমতার উৎস। জনগণ যেন আমাদেরকে আবার গ্রহণ করে, সেই লক্ষ্যেই কাজ করতে হবে।”

এভাবেই বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য ক্ষমতার ভোগ নয়, বরং মানুষের কল্যাণে কাজ করা। জনগণের আস্থা অর্জন করতে না পারলে কোনো রাজনৈতিক অর্জনই টেকসই হয় না।

 

মঙ্গলবার রাজধানীর উত্তরা এলাকায় আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মোস্তফা জামান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, গণতন্ত্রের চর্চা ও জনগণের প্রতি জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হলে মাঠপর্যায়ে কাজ বাড়াতে হবে। “জনগণের সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে না পারলে রাজনীতি অর্থহীন হয়ে পড়ে,”—যোগ করেন তিনি।

ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন মোস্তফা জামান। তিনি বলেন, “এই স্থান আমাদের জন্য শুধু একটি অনুষ্ঠানস্থল নয়, এটি একটি স্মৃতিবাহী জায়গা। ২০২৩ সালে স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এখানে জহির উদ্দিন স্বপনসহ বিএনপির অসংখ্য নেতাকর্মীর ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। সেই দুঃসময়ের কথা আমরা ভুলে যাইনি। আজ একই স্থানে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে ইফতার মাহফিল করছি—এটি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রতীক।”

তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সব সময় জনগণের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে রাজপথে ছিল এবং থাকবে। অতীতের নির্যাতন-নিপীড়ন আমাদের দমাতে পারেনি, বরং আন্দোলনকে আরও বেগবান করেছে।”

অনুষ্ঠানে দলীয় বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। ইফতার ও দোয়া মাহফিলে দেশ, জাতি এবং গণতন্ত্রের স্থিতিশীলতার জন্য বিশেষ মোনাজাত করা হয়।