Image description

ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) প্রধান সংগঠক নাঈম আহমাদ বলেছেন, ‘জুলাইকে ঘিরে গড়ে ওঠা শক্তিগুলোকে সংগঠিত করে একটি বিকল্প রাজনৈতিক বলয় তৈরি করা জরুরি। অন্যথায় এ শক্তি এককভাবে একটি রাজনৈতিক ধারার হাতে চলে যেতে পারে।’

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে নাঈম আহমাদ দাবি করেন, জুলাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ শক্তি—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও নাগরিক কমিটি—ঘনীভূত হয়ে এনসিপিতে যায়। আর এনসিপি ঘনীভূত হয় জামায়াতের জোটে গিয়ে। প্রথমে জোট নয়, সমঝোতা-টাইপ নানা নাটুকে আলাপ শোনা গেলেও পরবর্তীতে সেটি জামায়াতের নির্বাচনী জোটে পরিণত হয়। ইদানীং শোনা যাচ্ছে, রাজনৈতিক জোটও হতে পারে। সেটা ঘটলে এনসিপি মূলত জামায়াতের যুব উইংয়ে পরিণত হবে। আর কোনো গেইন করতে না পারা এবি পার্টি সেই জোটে থাকলে তারা হতে পারে জামায়াতের স্বেচ্ছাসেবক উইং।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন শিবির করতাম, তখন জামায়াতে এই দুটি উইং ছিল না। এটা ঘটাতে পারলে সেটি হবে জামায়াতের অন্যতম সেরা সাফল্য। অন্যরা আগে–পরে জোট থেকে বেরিয়ে যাবে বা গুরুত্বহীন হয়ে পড়বে বলে অনুমান করি।’

নাঈম আহমাদ বলেন, এর ফলে ‘জুলাই মানে জামায়াত’; আর জামায়াতের বিরোধী বিএনপি; ফলে বিএনপি মানে জুলাইবিরোধী—এমন একটি রেটরিক ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি জুলাইয়ের জন্য অশনি-সংকেত। এমন মহান বিপ্লবগুলো বিপ্লবোত্তর সময়ে ক্ষমতাসীন দল আপহোল্ড করলে সহজে টিকে যায়; লিগ্যাসি তৈরি হয়। বিএনপি জুলাই বিপ্লবের অংশীজন। রাজনৈতিক এই ক্যারিকেচারে জুলাইকে যদি জামায়াতের হাতে একচেটিয়া ছেড়ে দেওয়া হয়, সেটি জুলাইয়ের জন্য ক্ষতিকর হবে। 

স্ট্যাটাসে তিনি উল্লেখ করেন, জুলাইকে কেন্দ্র করে কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রি ও ক্যাশ ফ্লো গড়ে তুলতে হবে। সে জন্য বৃহত্তর জামায়াতের পাশাপাশি জুলাইয়ের বিকল্প রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে টিকিয়ে রাখতে হবে বা সংগঠিত করে বিকল্প বলয় গড়ে তুলতে হবে। সব ডিম এক হাঁড়িতে রাখা যাবে না। কারণ সেই একক হাঁড়ি যেকোনো সময় তারা বেঁচে দিতে পারে।