ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের রাজাপুর উপজেলার বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি ভোটকেন্দ্র দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ সময় কেন্দ্রে গেলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ড. ফয়জুল হকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে অন্তত ৮ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বড়ইয়া ইউনিয়নের আদাখোলা স্কুলের ৩৬ নম্বর ভোটকেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরে সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে গুরুতর আহত একজনকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) রেফার করা হয়।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন জাহিদ, প্রার্থীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) খায়রুল ও কর্মী সাইফুলসহ কয়েকজন।
আহতরা জানান, কেন্দ্রে ভোট জালিয়াতির অভিযোগ পেয়ে ড. ফয়জুল হক সমর্থকদের নিয়ে সেখানে গেলে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কেন্দ্রে প্রবেশের সময় ধাক্কাধাক্কি ও বিশৃঙ্খলার এক পর্যায়ে প্রার্থীকে লক্ষ্য করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। তাকে রক্ষা করতে গেলে কয়েকজন কর্মী আহত হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ফয়জুল হক অভিযোগ করেন, ‘আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। পরে সেই অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে। বিএনপি প্রার্থী রফিকুল ইসলাম জামালের নির্দেশে তার নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে এবং বড়ইয়া ইউনিয়নের পাঁচটি কেন্দ্র দখল করে আমাদের এজেন্টদের বের করে দিয়েছে।’
এ বিষয়ে বড়ইয়া ইউনিয়নে দায়িত্বরত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামীম রেজা সজীব বলেন, ‘৩৬ নম্বর কেন্দ্রে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ভোট গ্রহণ চলমান।’