দেশের বিভিন্ন স্থানে ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ। পটুয়াখালী-৪ নম্বর আসনের বিভিন্ন কেন্দ্র ও বিভিন্ন জায়গায় বিএনপি সমর্থকরা হাতপাখার নেতাকর্মীদের ওপর ‘হামলা’ করেছে বলেও তার অভিযোগ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সংবামাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি বলেছেন, ‘ভোলা-১ আসনে বহু কেন্দ্রে ভোট আগে হয়ে গেছে।’
তিনি বলেন, ময়পুর মেমোরিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ‘মারধর করে বের করে দেওয়া’ এবং ‘জাল ভোট’ দেওয়ার অভিযোগ করেছেন তিনি।
শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলছেন, ভোলা-১ আসনে ভেদুরিয়া ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ব্যাংকের হাট বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে জামায়াতের নারী এজেন্টরা ‘ভোটারদের ব্যালট নিয়ে জোর করে নিজেদের মার্কায় ভোট দিয়েছেন।’
ভোলা-১ আসনের আওতাধীন উত্তর দিঘোলদী ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইসলামী আন্দোলনের ভোলা জেলা উত্তরের সেক্রেটারি ও প্রার্থীর নির্বাচনি এজেন্টসহ পর্যবেক্ষণ টিমকে স্থানীয় বিজেপি নেতাকর্মীরা ‘দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে’ রাখে এবং পরে ‘সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে’ তাদের উদ্ধার করা হয় বলে তার ভাষ্য।
ভোলা-৪ সংসদীয় আসনের আওতাধীন চরকলমী ইউনিয়ন এর ৬০ ও ৬১ নম্বর কেন্দ্রে ‘ভোট কারচুপিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপি কর্মীরা হাতপাখার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা’ করেছে বলে ইসলামী আন্দোলনের এ নেতার অভিযোগ।
তিনি বলছেন, এ ঘটনায় কয়েকজন ‘গুরুতর’ আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
ইসলামী আন্দোলন বলছে, নরসিংদী-৫ আসনের রায়পুরায় “ভোট চুরিতে বাধা দেওয়ায় বিএনপি কর্মীরা হাতপাখার এজেন্টকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া দিয়েছে।”
এ ছাড়া ঝালকাঠি-০১ আসনে রাজাপুর থানার বড়ইয়া ইউনিয়নে দলের এজেন্টদের ‘কুপিয়ে জখম’ করা এবং ‘পিটিয়ে কেন্দ্র থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার’ অভিযোগ করা হয়েছে বার্তায়।
ইসলামী আন্দোলন বলছে, বিষয়গুলো স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। ঢাকার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের কাছেও লিখিত অভিযোগ করা হবে।