Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ সামনে রেখে নির্বাচন ব্যবস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত সব পক্ষকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে এক সুতাও যেন নড়চড় না হয়। যা করবেন, স্বচ্ছভাবেই করবেন।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বরগুনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সেল ও ভিজিল্যান্স ও অবজারভেশন টিমের সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্বাচন কমিশনসহ নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার চোখে সব প্রার্থী সমান। এটি শুধু কথায় নয়, আমাদের কাজের মাধ্যমেও প্রতিফলিত হতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো পক্ষপাতদুষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়নি এবং ভবিষ্যতেও দেওয়া হবে না। তবে কেউ যদি ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে ব্যর্থ হয়ে পক্ষপাতিত্ব করেন, তার বিরুদ্ধে কমিশন কঠোর ব্যবস্থা নেবে।

 

নির্বাচন কমিশনার জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণ করবে ভোটার—অন্য কেউ নয়। পোস্টাল ভোট প্রসঙ্গে সানাউল্লাহ বলেন, এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ত্রুটি বরদাশত করা হবে না। লাইভ ভেরিফিকেশন ছাড়া কোনো ভোট গ্রহণযোগ্য হবে না। ভোটার নিজেই ভোট দিয়েছেন—এটি নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা।

 

তিনি আরো বলেন, ইতিমধ্যে কিছু বিভ্রান্তিকর ভিডিও ক্লিপ ছড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, তবে এসব বিষয়ে কমিশন অত্যন্ত সতর্ক রয়েছে।

সানাউল্লাহ বলেন, যে ভোটার খামের কিউআর কোড স্ক্যান করবেন না, তার ভোট বাতিল বলে গণ্য হবে। প্রতি ৩০০ ভোটারের জন্য একজন পোলিং অফিসার ও একজন প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগ দেওয়া হবে। প্রয়োজনে রিটার্নিং অফিসারের চাহিদা অনুযায়ী অতিরিক্ত জনবলও নিয়োগ করা যাবে। পোস্টাল ভোট কেন্দ্রগুলোতে অন্যান্য কেন্দ্রের তুলনায় বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার তাসলিমা আক্তার। এ সময় জেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।