Image description

জাতিসংঘ, মানবিক সংস্থা এবং সাধারণ ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘদিনের আহ্বানের পর রবিবার ইসরায়েল ঘোষণা দিয়েছে, গাজা ও মিসরের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত পারাপার পুনরায় খুলবে, তবে তা কেবল ‘মানুষের সীমিত চলাচল’-এর জন্য।

এর আগে শুক্রবার হামাস গাজায় চলমান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতির ‘দ্বিতীয় ধাপে অবিলম্বে অগ্রসর হওয়ার’ আহ্বান জানায়। এতে রাফাহ পুনরায় খোলার পাশাপাশি ভূখণ্ডটি পরিচালনার জন্য একটি প্রযুক্তিবিদ-নির্ভর ফিলিস্তিনি কমিটির প্রবেশের বিধান রয়েছে।

এর আগে ইসরায়েল জানিয়ে এসেছিল, গাজায় আটক শেষ জিম্মি র‍্যান গভিলির মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা এই প্রবেশদ্বার খুলতে রাজি নয়।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয় এবং বুধবার ইসরায়েলে দাফন সম্পন্ন হয়।

 

এক বিবৃতিতে শুক্রবার দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বেসামরিক বিষয়াবলি তদারককারী ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংস্থা কোগ্যাট জানায়, ‘আগামী রবিবার রাফাহ ক্রসিং উভয় দিকেই খুলবে, তবে কেবল মানুষের সীমিত চলাচলের জন্য।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘মিসরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে, ইসরায়েলের পূর্ববর্তী নিরাপত্তা ছাড়পত্রের পর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মিশনের তত্ত্বাবধানে’ প্রবেশ ও প্রস্থান অনুমোদিত হবে।

মিসরের সঙ্গে ভূখণ্ডটির দক্ষিণ সীমান্তে অবস্থিত এই পারাপারটি গাজার একমাত্র প্রবেশ ও প্রস্থানের পথ, যা ইসরায়েলের মধ্য দিয়ে যায় না।

 

যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’-এর পেছনে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহার করার পরও এলাকাটি ইসরায়েলি সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ইসরায়েলি সেনারা এখনো গাজার অর্ধেকেরও বেশি এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে।

রাফাহ পারাপারটি ত্রাণ প্রবেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনী এর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে এটি বন্ধ রয়েছে। আগেও এটি পুনরায় খোলার উদ্যোগ নেওয়া হলেও সেগুলো বাস্তবায়িত হয়নি।