Image description

নেতাকর্মীদের ভোটের দিন রোজা রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও মৌলভীবাজার-৩ (সদর-রাজনগর) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী এম নাসের রহমান। 

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৮ নম্বর কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির আয়োজিত নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরামর্শ দেন।

এম নাসের রহমান বলেন, রোজা রাখার কারণটা হলো দুপুরে ভাত খেতে কাউকে বাসাবাড়িতে যেতে হবে না। ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, ওইদিন নফল রোজা রাসুলুল্লাহ রাখতেন।

আমরা রাখলে সওয়াবও পাব। রোজা রেখেই নামাজ শেষে সেন্টারে চলে আসতে হবে। ভোটারদের সেন্টারে ডেকে আনার কাজ পুরোদমে শুরু করতে হবে। 

তিনি বলেন, ভোট ৫টায় শেষ হলে এরপর থেকে গণনা শুরু হবে।

এসময় ইফতারির টাইম চলে আসবে, তখন বাসাবাড়ি থেকে আসা-যাওয়া আর খেজুর খেয়ে ইফতারি করে মাঠের মধ্যে চাদর বিছিয়ে জামায়াতে নামাজ আদায় করে নেবেন। কারণ, এ সময়ে এদিক-সেদিক চলে গেলে কিছু একটা হয়ে যাবে। ভোটের সেন্টার ছাড়া যাবে না। সেন্টার ছাড়লেই চুরি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
ওই চোছা পার্টির। সাবধানের মার নেই। ভোটের দিন চাদর জায়নামাজ সঙ্গে নিয়ে আসবেন। যেকোনো একজনে ইমামতি করে জামায়াতে নামাজ আদায় করে নেবেন। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

নাসের বলেন, যেকোনোভাবে ভোটারদের সেন্টারমুখী করতে হবে। ভোটের কাস্টিং বাড়াতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বী দল শক্ত না দুর্বল দেখার দরকার নেই। এবারের নির্বাচনে প্রধান প্রতিপাদ্য হলো ১৮ বছর পরে যে নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকার ফিরে পেয়েছেন, এটা ভালোভাবে প্রয়োগ করবেন। কোনো অবস্থায় যেন এটা মনে না আসে বিএনপি তো পাস হয়ে গেছে। আপনারা যদি সেন্টারে গিয়ে ভোট না দেন, তাহলে কি বিএনপি পাস হবে? এ ধরনের চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিতে হবে। ১২ তারিখ যাতে কারো কোনো কাজের অজুহাত না থাকে।

তিনি আরো বলেন, আওয়ামী লীগ তো মারা গেছে। নৌকাও ডুবে গেছে, কিন্তু তার আম পাবলিক ভোটাররা তো আছে। তাদের বলবেন এই মার্কা তো আর আসবে না। নৌকা মার্কা ইতিহাস হয়ে গেছে। এই দলও ইতিহাস হয়ে গেছে। এই দল আর ফেরত আসবে না। অতএব, তাদের আমাদের ঘরে নিয়ে আসেন। আমাদের যদি তারা ধানের শীষে ভোট দিয়ে মূল্যায়ন করে আমরাও তাদের দেখব, ইনশাআল্লাহ।

স্থানীয় দামিয়া বাজারে কনকপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফখরুল ইসলামের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক শিব্বির আহমদের পরিচালনায় বক্তব্য দেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মো. আয়াছ আহমেদ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মুজিবুর রহমান মজনু, সাধারণ সম্পাদক মো. মারুফ আহমেদ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রসিক সহ জেলা, উপজেলা যুবদল ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।