Image description

১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের দিন গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর প্রচারে কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে এনসিপির অ্যাম্বাসেডর হলেন সুফিয়ান রায়হান। তিনি এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য। সুফিয়ান চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের সন্তান।

সোমবার বিকেলে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন এনসিপির চৌদ্দগ্রাম উপজেলা যুগ্ম সমন্বয়ক মামুন মজুমদার।

জানা গেছে, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এনসিপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া শুক্রবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে অ্যাম্বাসেডরদের নাম ঘোষণা করেন।

ঘোষিত অ্যাম্বাসেডররা দায়িত্বপ্রাপ্ত আসনে গণভোটের প্রচার চালাবেন এবং ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করতে সাংগঠনিকভাবে কাজ করবেন। এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লা-১১ চৌদ্দগ্রাম আসনে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব, জাতীয় নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য, মিডিয়া উপ-কমিটির প্রধান এবং এনসিপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সুফিয়ান রায়হানকে।

তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এগারো দলীয় জোট ‘ঐকবদ্ধ বাংলাদেশ’-এর স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মামুন মজুমদার বলেন, বৈষম্য, ক্ষমতার অপব্যবহার ও ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটিয়ে ইনসাফভিত্তিক নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অপরিহার্য।

ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠন এবং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ‘হ্যাঁ’ ভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ মানে ফ্যাসিবাদের মূলোৎপাটন, ন্যায়বিচারের বিজয় এবং গণতন্ত্রের পুনর্জাগরণ। নতুন বাংলাদেশের পক্ষে, জনগণের ক্ষমতার পক্ষে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া নাগরিক এর দায়িত্ব। ‘না’ তে ফ্যাসিবাদ, হ্যাঁ’তে জনগণ।

অ্যাম্বাসেডর হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় সুফিয়ান রায়হান বলেন, কুমিল্লা-১১ বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ আসন। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এখানকার মানুষ জীবনও দিয়েছে। এমন একটি আসনে আমাকে গণভোটের অ্যাম্বাসেডর ঘোষণা করেছে এনসিপি। আমার দলের আস্থার প্রতিদান আমি দেব ইনশাআল্লাহ।

এই এলাকার সন্তান হিসেবে আমি এখানকার প্রতিটি অলিগলি চিনি। চৌদ্দগ্রামে জুলাইয়ের আদর্শের জনপ্রতিনিধিই সংসদে যাবে। গণভোটের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ‘হ্যাঁ’কে জিতিয়ে আনাই আমার লক্ষ্য। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে এলাকার মানুষের দোয়া সমর্থন ভালোবাসা পাচ্ছি।

চৌদ্দগ্রামের সচেতন মানুষ আমার সঙ্গে আছে। বর্ডার দখল, বাজার দখলের রাজনীতি চৌদ্দগ্রামে চলবে না। মাঝ রাতে মানুষের ঘুম নষ্ট করে মাইক বাজিয়ে ‘না’ ভোটের যে ক্যাম্পেইন- এটা সফল হবে না। দিন শেষে চৌদ্দগ্রামে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হবে ইনশাআল্লাহ।