Image description

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ভোটার তথ্য সংগ্রহের অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

জামায়াতের দাবি, রবিবার দুপুরে তাদের কয়েকজন নারী কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের কাছে ভোট চাইতে গেলে বিএনপি সমর্থকদের বাধার মুখে পড়েন।

একপর্যায়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। পরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।

 

অন্যদিকে বিএনপির অভিযোগ, জামায়াতের নারী কর্মীরা সাধারণ ভোটারদের বাড়িতে গিয়ে ভোটার আইডি কার্ড ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করছিলেন। এমনকি কোরআন শরীফ ছুঁইয়ে শপথ করানোর অভিযোগও করেন তারা।

বিষয়টি জানতে চাইলে জামায়াত কর্মীরা উত্তেজিত হয়ে পুরুষ কর্মীদের ডেকে এনে অতর্কিত হামলা চালায় বলে দাবি বিএনপির। এ সময় বহিরাগত লোকজন লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দফায় দফায় হামলায় অংশ নেয় বলেও অভিযোগ করা হয়।

 

আহত নেতাকর্মীদের হাসপাতালে দেখতে গিয়ে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী শরীফুজ্জামান বলেন, ‘নির্বাচনী মাঠের শান্ত পরিবেশ পরিকল্পিতভাবে অশান্ত করা হচ্ছে। জামায়াতের অতর্কিত হামলায় নারীসহ বিএনপির আটজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।

 

অপরদিকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ পারভেজ রাসেল বলেন, জামায়াতের নারী কর্মীদের বারবার নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিএনপির হামলায় জামায়াতের নারীসহ পাঁচজন আহত হয়েছেন।

আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হোসেন আলী জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।