Image description

দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী না হতে শুরু থেকেই কঠোর অবস্থান নেয় বিএনপি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে বহিষ্কার, কঠোর বার্তা এবং বিভিন্ন পর্যায়ে সমঝোতা ও আলোচনার পরও ৬৩টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে এখন বিএনপি পরিচয়ের ৭৪ জন বিদ্রোহী নেতার মুখোমুখি হতে হবে। বিএনপির রাজনীতি করা এসব আগ্রহী প্রার্থী দলের টিকিট না পেয়ে বিদ্রোহী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। মনোনয়ন না পেয়ে দলের কঠোর অবস্থানের পরও ভোটের লড়াইয়ে থাকছেন স্বতন্ত্র হিসেবে। যাদের প্রায় সবাইকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এসব বিদ্রোহীর মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক নেতা, জেলা কমিটির নেতা, বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা রয়েছেন। দলীয় নির্দেশ অমান্য করে ঢাকা বাদে ৬৩ জেলায় ১১৮টি আসনে প্রায় ১৭৯ জন বিএনপি নেতা ধানের শীষ প্রতীকের মনোনীত প্রার্থীর বাইরে মনোনয়নপত্র দিয়েছিলেন। এরপর অনেক নেতার সঙ্গেই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটি কথা বলে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বান জানায়। দল থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়, প্রার্থিতা অব্যাহত রাখলে দল থেকে বহিষ্কার করা হবে। এমনকি দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানও কারও কারও সঙ্গে ঢাকায় ডেকে নিয়ে কথা বলেছেন। তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহারও করে নিয়েছেন।

বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমীন বলেন, ‘আমরা অবশ্যই চাইব, পুরো দল এক হয়ে ধানের শীষের কান্ডারির জন্য সর্বোচ্চ আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করবেন। যারা এটি করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই দল সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেক আসনে অনেক প্রার্থী রয়েছেন, অনেক ত্যাগী, সংগ্রামী নেতা তারা। দলের জন্য অনেক ভূমিকা রয়েছে। কারও কারও ভেতরে অনুভূতি রয়েছে, উনি আসনটিতে মনোনয়ন পেতে পারতেন। প্রত্যাহারের সময় চলে গেছে। এখন নির্বাচন পরিচালনা কমিটি থেকে আলাপ-আলোচনা করা হবে, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব থেকে আলোচনা করা হবে। তারপরে যদি কেউ প্রার্থী থাকেন, অবশ্যই দল থেকে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন যারা: ঢাকা বিভাগে ১৪টি আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির ১৮ নেতা। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মমিন আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মহিউদ্দিন ও নরসিংদী-৫ আসনে জেলা বিএনপির সহসভাপতি জামাল আহমেদ চৌধুরী স্বতন্ত্র ভোট করছেন।

ঢাকা-৭ আসনে দলীয় প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার। ঢাকা-১৪ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য এস এ খালেকের ছেলে দারুস সালাম থানা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক সাজু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন স্বতন্ত্র হিসেবে। এ আসনে বিএনপি প্রার্থী করেছে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সমন্বয়ক সানজিদা ইসলাম তুলিকে।

টাঙ্গাইল-৫ আসনে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ ইকবাল বিদ্রোহী হয়ে ভোট করছেন। নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খান আঙ্গুর, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রেজাউল করিম ও বহিষ্কৃত জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন; নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির বহিষ্কৃত দুই সদস্য মোহাম্মদ শাহ আলম ও মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন স্বতন্ত্র ভোট করছেন।

রাজবাড়ী-২ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য নাসিরুল হক সাবু, গোপালগঞ্জ-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এম. এইচ. খান মঞ্জু এবং জেলা বিএনপির সাবেক আরেক সভাপতি সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

মাদারীপুর-১ আসনে শিবচর উপজেলা বিএনপির সদস্য কামাল জামান মোল্লা ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী এবং মাদারীপুর-২ আসনে ছাত্রদলের সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্টন বৈদ্য স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন।

রংপুর বিভাগের পাঁচটি আসনে ধানের শীষের প্রতীকের প্রার্থীদের চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বিএনপির ছয় নেতা। দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ. ন. ম বজলুর রশীদ, দিনাজপুর-৫ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে লড়ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রেজওয়ানুল হক ও পাবর্তীপুর উপজেলা বিএনপির কৃষিবিষয়ক সম্পাদক জাকারিয়া বাচ্চু। নীলফামারী-৪ আসনে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ আরফান সরকার রানা, রংপুর-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও রংপুর মহানগর বিএনপির সদস্য রিটা রহমান। গাইবান্ধা-৫ আসনে স্বতন্ত্র লড়াইয়ে রয়েছেন জেলা বিএনপির বহিষ্কৃত সহসভাপতি নাহিদুজ্জামান নিশাদ।

রাজশাহী বিভাগের আটটি আসনে বিএনপির প্রার্থীদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলটির ৯ নেতা। নওগাঁ-১ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও নিয়ামতপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ছালেক চৌধুরী, নওগাঁ-৩ আসনে মহাদেবপুর উপজেলা বিএনপির সদস্য পারভেজ আরেফিন সিদ্দিকী ও নওগাঁ-৬ আসনে সাবেক উপমন্ত্রী আলমগীর কবির স্বতন্ত্র হয়ে লড়ছেন।

রাজশাহী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ইসফা খায়রুল হক ও যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের সহসভাপতি রেজাউল করিম। নাটোর-১ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী দলের কেন্দ্রীয় সহ-দপ্তর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু। নাটোর-৩ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। পাবনা-৩ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম আনোয়ারুল ইসলাম ধানের শীষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে লড়ছেন। পাবনা-৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঈশ্বরদী পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া পিন্টু।

খুলনা বিভাগের ১০টি আসনে বিএনপির ১১ নেতা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। কুষ্টিয়া-১ আসনে দৌলতপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরুজ্জামান হাবলু মোল্লা বিদ্রোহী প্রার্থী। ঝিনাইদহ-৪ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী গণঅধিকার থেকে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া রাশেদ খানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রয়েছেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদত সাইফুল ইসলাম ফিরোজ। যশোর-৫ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের রশীদ আহমাদ। তিনি এ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত মুফতি ওয়াক্কাসের ছেলে। অবশ্য আসনটিতে প্রথমে বিএনপির মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল শহীদ ইকবাল হোসেনকে। পরে তাকে বসিয়ে দেওয়া হলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন তিনি।

নড়াইল-১ আসনে বিএনপির তিন বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক বি এম নাগিব হোসেন, এস এম সাজ্জাদ হোসেন ও সুকেশ সাহা ভোট করছেন। নড়াইল-২ আসনে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

বাগেরহাটের চারটি আসনের প্রতিটিতেই বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী রয়ে গেছেন। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম নিজে বাগেরহাট ১, ২ ও ৩—এই তিনটি আসন থেকে নির্বাচন করছেন। বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলের বিরুদ্ধে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাসুদ রানা প্রার্থী রয়েছেন।

বাগেরহাট-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান শিপন ও সাতক্ষীরা-৩ আসনে লড়ছেন দলটির কেন্দ্রীয় সদস্য ডা. শহিদুল আলম।

বরিশাল বিভাগের দুটি আসনে ধানের শীষের বিরুদ্ধে লড়ছেন তিনজন। বরিশাল-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সোবহান। ঝালকাঠি-১ আসনে লড়ছেন বিএনপি নেতা পরিচয় দেওয়া মঈন আলম ফিরোজী ও সাব্বির আহমেদ।

ময়মনসিংহ বিভাগে ১১টি আসনে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন বিএনপির ১১ নেতা। জামালপুর-৩ আসনে লড়ছেন মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ। শেরপুর-১ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ। শেরপুর-৩ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ঝিনাইগাতী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম বাদশা।

ময়মনসিংহ জেলার ৮টি আসনে বিএনপির আটজন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ময়মনসিংহ-১ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ও দল থেকে বহিষ্কৃত শাহ শহীদ সারোয়ার, ময়মনসিংহ-৩ আসনে উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত আহ্বায়ক আহাম্মদ তায়েবুর রহমান, ময়মনসিংহ-৬ আসনে উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য প্রকৌশলী শাসুদ্দিনের স্ত্রী আখতার সুলতানা, ময়মনসিংহ-৭ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল খালেকের ছেলে আনোয়ার সাদাত, ময়মনসিংহ-৯ আসনে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী, ময়মনসিংহ-১০ আসনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ আসনে ভালুকা উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ মোর্শেদ আলম বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন।

চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি আসনে ধানের শীষের বিপক্ষে লড়ছেন বিএনপির ১৪ নেতা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন জেলা বিএনপির সহসভাপতি অ্যাডভোকেট কামরুজ্জামান মামুন। স্থানীয়ভাবে জেলা কমিটির নেতারা তাকে দলীয় নির্দেশ মেনে ভোটের মাঠ থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু কর্মী-সমর্থকদের চাপের মুখে তিনি ভোটের মাঠে থেকে যান।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন জেলা বিএনপির অর্থনৈতিক বিষয়ক সম্পাদক কাজী নাজমুল হোসেন তাপস। কুমিল্লার তিনটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন। কুমিল্লা-২ আসনে রয়েছেন খালেদা জিয়ার এক সময়কার এপিএস তিতাস উপজেলা বিএনপির সদস্য আবদুল মতিন, কুমিল্লা-৭ আসনে চান্দিনা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আতিকুল আলম শাওন, কুমিল্লা-৯ আসনে সাবেক সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমের মেয়ে সামিরা আজিম দোলা।

চাঁদপুর-৪ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক আবদুল হান্নান। নোয়াখালী-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কাজী মফিজুর রহমান। এর আগে তিনি উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিন দশকের বেশি সময় ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই নেতা পেশায় ব্যবসায়ী।

নোয়াখালী-৬ আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন হাতিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল আজিম এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর উদ্দিন রাজিব।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনে দলের দুই বিদ্রোহী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সাবেক সহসভাপতি মিজানুল হক চৌধুরী ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম নির্বাচন করছেন।

চট্টগ্রাম-১৬ আসনে দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক লেয়াকত আলী ও খাগড়াছড়ি সংসদীয় আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন সমীরণ দেওয়ান।

সিলেট বিভাগে পাঁচটি আসনে ধানের শীষের বিরুদ্ধে লড়ছেন বিএনপির পাঁচ নেতা। সুনামগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন। সুনামগঞ্জ-৪ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন। মৌলভীবাজার-৪ আসনে জেলা বিএনপি নেতা ও শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক মেয়র মহসিন মিয়া মধু ভোট করছেন।

হবিগঞ্জ-১ আসনে সদ্য বিএনপিতে যোগ দেওয়া ড. রেজা কিবরিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শেখ সুজাত মিয়া। হবিগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিজানুর রহমান চৌধুরী।