Image description

বিভিন্ন কমিটি গঠনের পর এবার নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করেছে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়। ইতোমধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৬টি ক্যাডার পদসহ ২১৩ পদ সৃষ্টি করতে মঞ্জুরি মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক অফিসকে জানানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিছু সরাসরি নিয়োগ হবে আবার কিছু প্রেষণে নিয়োগ করা হবে।

১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ’ সংক্রান্ত ২২ অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন’।

এরপর ২০ বছর অতিক্রান্ত হলেও এ নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এর মধ্যে ১৯৯৪ সালে অধস্তন আদালতের বিচারকদের বেতন গ্রেড নিয়ে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। সেই ক্ষোভ থেকে তৎকালীন বিচারক মাসদার হোসেনসহ ৪৪১ বিচারকের পক্ষে হাইকোর্টে রিট করা হয়।

এই রিটের চূড়ান্ত শুনানি শেষে হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালে জুডিসিয়াল সার্ভিসকে স্বতন্ত্র সার্ভিস করার আদেশ দেন। রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আপিল করে। সেই আপিলের শুনানি শেষে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর আপিল বিভাগ রায় দেন।

 

রায়ে কয়েক দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—  সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্টের থাকবে; বিচার বিভাগ জাতীয় সংসদ বা নির্বাহী বিভাগের অধীনে থাকবে না এবং জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটসহ সব বিচারক স্বাধীনভাবে কাজ করবেন; জুডিসিয়ারির (নিম্ন আদালত) বার্ষিক বাজেট প্রণয়নের ওপর নির্বাহী বিভাগের কোনো হাত থাকবে না। এই বাজেট সুপ্রিম কোর্ট প্রণয়ন এবং বরাদ্দ করবে।

 

আপিল বিভাগের ওই রায় ঘোষণার প্রায় ৮ বছর পর ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর তৎকালীন সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক ঘোষণা করা হয়। কিন্তু সেই ঘোষণা কাগজে কলমে রয়ে যায়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর ১০ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

এরপর ২১ সেপ্টেম্বর প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের ইনার গার্ডেনে এক অভিভাষণে বলেন, বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণের স্বার্থে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন একান্ত আবশ্যক। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ক অনুচ্ছেদে অধস্তন আদালতের বিচারকরা বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন মর্মে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু বিচারকদের প্রকৃত স্বাধীনতা ততদিন পর্যন্ত নিশ্চিত হবে না; যতদিন না বিচার বিভাগে দীর্ঘ দিন ধরে বিরাজমান দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা, অর্থাৎ, সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয়ের যৌথ এখতিয়ার সম্পূর্ণরূপে বিলোপ করে জরুরি ভিত্তিতে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অধীনে পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে।

 

এরপর একই বছরের ২৭ অক্টোবর পৃথক সচিবালয়ের প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠান।

পাশাপাশি বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপন এবং বিচার বিভাগের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সুপারিশ করে। সংস্কার কমিশনের সুপারিশে বলা হয়, সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদে ঘোষিত নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের মূলনীতিকে মাসদার হোসেন মামলার রায়ের আলোকে অর্থবহ ও কার্যকররূপে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিচার বিভাগের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বোপরি নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগকে সম্পূর্ণরূপে পৃথকীকরণের জন্য পৃথক সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপন করাসহ বিভিন্ন প্রস্তাব দেন।

এরপর সব কিছু পেছনে পেলে কাঙ্ক্ষিত ৩০ নভেম্বর বিচার বিভাগ পৃথককরণের উদ্দেশ্যে স্বতন্ত্র সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

একদিন পর ১ ডিসেম্বর পদ সৃজন কমিটি গঠন করা হয়। আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহ, বিচারপতি বজলুর রহমান, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে সদস্য করে এ কমিটি গঠন করা হয়।

একই দিন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীকে সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়।

২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবকে সাচিবিক সহায়তা করার জন্য  হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার মীর মাশহুর আহমেদকে মনোনয়ন দেওয়া হয়।

৭ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫–এর ভিত্তিতে গঠিত ‘পদ সৃজন কমিটির’ প্রথম সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এতে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তা–কর্মচারী পদে নিয়োগের জন্য মোট ৪৮৯টি নতুন পদ সৃজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে কর্মকর্তা পদে ১০৭টি এবং সহায়ক কর্মচারী পদে ৩৮২টি পদ সৃষ্টির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১০৭টি কর্মকর্তা পদের মধ্যে জুডিসিয়াল সার্ভিসের প্রশাসনিক পদ ১০৫টি, মুখ্য হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা পদ একটি এবং সিস্টেম অ্যানালিস্ট পদ একটি রয়েছে।

১০ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হকের নেতৃত্বে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জাফর আহমেদ, বিচারপতি মো. যাবিদ হোসেন, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সচিব, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবকে সদস্য করে কমিটি গঠন করা হয়।

১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কার্যালয় উদ্বোধন করেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসনিক ভবন-৪-এর (সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদসংলগ্ন) দ্বিতীয় তলার দুটি কক্ষে আপাতত সচিবালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অফিসিয়াল কাজে ই-নথি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের দাপ্তরিক কার্যক্রমকে গতিশীল, স্বচ্ছ ও দায়বদ্ধ করার লক্ষ্যে এবং সরকারের অন্য বিভাগ এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ দাপ্তরিক কার্যক্রমকে গতিশীল করার লক্ষ্যে ই-নথি ব্যবস্থাপনা চালু করা হয়েছে। এখন থেকে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের যাবতীয় কার্যক্রম এই আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।

সবশেষ ৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় থেকে মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক বরাবর একটি স্মারক পাঠিয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর পাঠানো ওই স্মারকে বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে জুডিসিয়াল সার্ভিসের ৪৬ ক্যাডার পদসহ মোট ২১৩টি পদ রাজস্ব খাতে স্থায়ীভাবে সৃজন এবং যানবাহন ও অফিস সরঞ্জামাদি টিওএন্ডইতে অন্তর্ভুক্তকরণে সরকারের মঞ্জুরি নির্দেশক্রমে জ্ঞাপন করছি। জনবল কাঠামোর মধ্যে রয়েছে, সিনিয়র সচিব পদ ১টি, অতিরিক্ত সচিব ৪টি , যুগ্ম সচিব ৪টি, উপ সচিব ১৭টিসহ ১২৩ পদ।

আরও বলা হয়, এ পদ সমূহ, যানবাহন ও সরঞ্জামাদির ব্যয়ভার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত বাজেটের সংশ্লিষ্ট খাত হতে ব্যয় বহন করা হবে। সচিবালয় অধ্যাদেশের ১৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত পদ সৃজন কমিটির সুপারিশক্রমে বর্ণিত বিষয়াদি অনুমোদনে প্রধান উপদেষ্টা ও রাষ্ট্রপতির অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিশেষ কর্মকর্তা মোয়াজ্জেম হোছাইন বলেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ে নিয়োগের কার্যকম চলছে। কিছু নিয়োগ সরাসরি হবে আবার কিছু নিয়োগ প্রেষণে হবে। এখানে বাজেটের বিষয় আছে। তাই অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারও আছে।

অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য
অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে এই অধ্যাদেশ প্রণীত হয়েছে। অধ্যাদেশে সংবিধানের ২২ অনুচ্ছেদ, ১০৯ অনুচ্ছেদ ও ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং মাসদার হোসেন মামলার রায়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

যেভাবে চলবে সচিবালয়
অধ্যাদেশের ১ এর ২ উপধারায় বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপন ও কার্যক্রমে পূর্ণরূপে চালু হওয়া সাপেক্ষে সরকার সুপ্রিম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে ধারা-৭ এর বিধানাবলী সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা কার্যকরও করবে।

ধারা ৭-এ বলা হয়েছে, (১) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান হবে। (২) সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কাজে রাষ্ট্রপতির পক্ষে প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করবে।

(৩) সার্ভিস সদস্যদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত কার্যাদি সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব কর্তৃক সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট কমিটির পরামর্শের জন্য উপস্থাপিত হবে।

(৪) উপ-ধারা (৩)-এ উল্লিখিত কমিটির সদস্যরা নির্ধারিত পদ্ধতিতে আপিল বিভাগের বিচারকগণ কর্তৃক মনোনীত হবেন।

(৫) উপ-ধারা (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, আইন ও বিচার বিভাগ ও এর কার্যপরিধিতে বর্ণিত প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা এবং অন্য কোনো মন্ত্রণালয়, বিভাগ, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান বা কর্তৃপক্ষের দপ্তরে সার্ভিস সদস্যগণের পদায়ন বা বদলি সংক্রান্ত কার্যাদি এতদুদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সংবিধানের ১৩৩ অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিমালা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সম্পাদিত হবে।

সচিবালয় গঠন ও নিয়ন্ত্রণ
৪ ধারায় বলা হয়েছে, (১) সংবিধানের ২২, ১০৯ এবং ১১৬ অনুচ্ছেদের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নামে একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় থাকবে।

(২) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব উক্ত সচিবালয়ের প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

(৩) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সরকারের মন্ত্রণালয় যেইরূপ প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করার অধিকারী সেরূপ প্রশাসনিক কার্যক্রম গ্রহণ করতে পারবে।

(৪) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের একজন সচিব এবং অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী থাকবেন। (৫) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিব সরকারের সিনিয়র সচিবের সমমর্যাদা ও সুবিধাদি ভোগ করবেন।

(৬) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সব কর্মকর্তা ও কর্মচারী সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সচিবের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কাজ-কর্ম পরিচালনা করবেন।

(৭) প্রধান বিচারপতি প্রশাসনিক ক্ষমতা অর্পণ করে আদেশ জারি করতে পারবেন।

এছাড়াও বিচার প্রশাসন সংক্রান্ত কমিটি, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় কমিশন গঠন, বাজেট ব্যবস্থাপনা, অর্থ ব্যয়, কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ পদ্ধতি, শর্তাবলি, বেতন ইত্যাদি সম্পর্কে অধ্যাদেশে উল্লেখ রয়েছে।