Image description

খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয় দিয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেল নগরীর সোনাডাঙ্গা নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মেহেদী হাসান মিরাজ, আল নাঈম ও মিরাজ গাজী। জানা যায়, এরমধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ কোনো পদে না থাকলেও বিভিন্ন সময় এনসিপির কর্সূচিতে অংশ নেন ও জেলা নেতাদের সঙ্গে তার যোগাযোগ আছে। 

স্থানীয়রা জানায়, নগরীর সোনাডাঙ্গার নেসার উদ্দিন সড়কের বাসিন্দা শাহনাজ পারভীনের বাবা ক্যান্সারে আক্রান্ত এসএম শফিকুল ইসলাম সানা চিকিৎসার জন্য গত কয়েকদিন আগে কয়রা থেকে খুলনায় আসেন। তিনি উপজেলা যুবলীগের সাবেক নেতা ও কয়রা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান।  তিনি সোনাডাঙ্গা নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়িতে ওঠেন। সোমবার বিকেলে তিনজন যুবক ওই বাড়িতে গিয়ে একজন এনসিপির খুলনা জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দেন। তারা ওই বাড়ির মালিককে বলেন, এখানে আওয়ামী লীগের একজন নেতা আত্মগোপনে রয়েছে। একপর্যায়ে ওই যুবকরা তাদের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ সময় কৌশলে তিনি সোনাডাঙ্গা থানা খবর দিলে তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। 

খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, এসএম শফিকুল ইসলাম সানা উনি যুবলীগের সাবেক নেতা, কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দু্ইবার নির্বাচিত হয়েছেন। এখন অসুস্থ তাই মেয়ের বাসায় এসেছিলেন। তার মেয়ের বাসায় যেয়ে ওই তিনজন চাঁদা দাবি করে। খবর পেয়ে তিনজন আটক করে থানা আনা হয়। এদের মধ্যে মেহেদী হাসান মিরাজ নিজেকে এনসিপি খুলনা জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দিয়েছেন। এনসিপির নেতাদের সঙ্গে তার ছবি আছে তবে কোনো পদে সে নেই। এঘটনায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

এবিষয়ে জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান বলেন, তারা এনসিপির কোনো পদে নেই। এরমধ্যে মিরাজ ছেলেটাকে এনসিপির কিছু কর্মসূচীতে দেখেছি। এনসিপি এধরণের কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না। থানারা ওসিকে জানিয়েছি তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে।