রংপুরের বদরগঞ্জে হুমায়ুন কবির নামে এক যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ওই যুবলীগ নেতা পুলিশি হেফাজতে থাকা অবস্থায় নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘আমাকে পুলিশ ধরলো’।
গ্রেপ্তারের পর তার দেওয়া ফেসবুক পোস্টটি দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পরে। যা নিয়ে তৈরি হয় ব্যাপক সমালোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া। পরে অবশ্য পোস্টটি ফেসবুক থেকে মুছে (ডিলিট) ফেলা হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরের দিকে বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের কাঁচাবাড়ী এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
হুমায়ুন কবির উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার (ইউপি সদস্য)। একইসঙ্গে তিনি স্থানীয় ওয়ার্ড যুবলীগের নেতা। এ ছাড়া, ছাত্রলীগের সাবেক ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।
এ বিষয়ে বদরগঞ্জ থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান জাহিদ সরকার বলেন, সন্ত্রাস দমন আইনে যুবলীগ নেতা হুমায়ুন কবিরকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে বিকেলে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
ফেসবুকে পোস্ট দেওয়া প্রসঙ্গে ওসি বলেন, যুবলীগ নেতা গ্রেপ্তারের পর কীভাবে সেলফি তুলে কিংবা পোস্ট দিয়েছে, সেটা তো বুঝতে পারলাম না। তবে ও হয়তো দেয়নি। ওর স্ত্রী দিয়েছে হয়তো। তারপরও বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি।
এ ছাড়া, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের হারাগাছ সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি সাদ্দাম হোসেনকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বুধবার তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
গ্ৰেপ্তার সাদ্দাম হোসেন রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার বানুপাড়া কলেজ বাজার এলাকার আজাহারুল ইসলামের ছেলে।
মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের অভিযানে তাকে হারাগাছের বানুপাড়া কলেজ বাজার এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে।
এ ব্যাপারে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহজাহান আলী জানান, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ধারায় কোতয়ালি থানায় মামলা রুজু হয়। সেই মামলার আসামি সাদ্দাম হোসেনকে গতরাতে (মঙ্গলবার) গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, বুধবার দুপুরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। পরে আদালত সাদ্দাম হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।