গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কছিম বাজার এলাকার একটি জমি থেকে বিপন্ন প্রজাতির ‘হিমালয়ান’ শকুন উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে গাইবান্ধা বন বিভাগের সহায়তায় শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন-তীর (টিম ফর এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ) গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার সদস্যরা শকুনটিকে উদ্ধার করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠন তীরের সাবেক সভাপতি জিসান মাহমুদ, প্রচার সম্পাদক মেজবাহুল, কার্যকরী সদস্য নিফাউল ইসলাম, সদস্য কাশফিক খানম এবং সাইমুম ইসলাম প্রমুখ।
শিক্ষার্থীদের পরিবেশবাদী সংগঠন-তীর সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় লোকজন সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কছিম বাজার এলাকার বাসিন্দা আমিন হোসেনের জমিতে শকুনটিকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজ শাখার একটি প্রতিনিধিদল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় শকুনটিকে উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা বন বিভাগে নিয়ে যান।
সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘ (আইইউসিএন) কর্মকর্তা সুলতান আহমেদ ও গাইবান্ধা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শরিফুল ইসলামের পরামর্শে শকুনটিকে রংপুর বন বিভাগে হস্তান্তর করা হয়েছে। সেখান থেকে শকুনটিকে উন্নত পরিচর্যার জন্য দিনাজপুরের সিংড়া জাতীয় উদ্যানের শকুন উদ্ধার ও পরিচর্যাকেন্দ্রে পাঠানো হবে।
তীর গাইবান্ধা সরকারি কলেজে শাখার বর্তমান সভাপতি মোশারফ হোসেন জানান, বাংলাদেশে এক সময় সাত প্রজাতির শকুন থাকলেও বর্তমানে ‘রাজশকুন’ পুরোপুরি বিপন্ন। দেশে মাত্র ২৬০টির মতো ‘বাংলা শকুন’ টিকে আছে। এই পরিস্থিতিতে হিমালয়ান শকুন রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।