
চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গতকাল বুধবার বাংলাদেশ সময় বিকেল সোয়া ৪টায় চীনের হাইনান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। সেখানে তাকে অভ্যর্থনা জানান হাইনান প্রদেশের ভাইস গর্ভনর কিওনহাই বোয়াও ও চীনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নাজমুল ইসলাম। এর আগে গতকাল বুধবার দুপুর ১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকা ত্যাগ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম প্রেস ব্রিফিংয়ে জানিয়েছিলেন, প্রধান উপদেষ্টার এ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে এ সফর অত্যন্ত ফলপ্রসূ হবে। প্রধান উপদেষ্টার বেইজিং সফরে ছয় থেকে আটটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। পাশাপাশি এ সফরে চারটি ঘোষণা আসতে পারে। যার মধ্যে বেশ কয়েকটি প্রকল্পের অর্থায়নের জন্য বাংলাদেশকে এক থেকে দুই বিলিয়ন ডলার ঋণ সহায়তার ঘোষণা দেবে চীন। এছাড়া মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে অর্থায়নের বিষয়টিও যুক্ত থাকবে। দেশের বাণিজ্য খাতে সবচেয়ে বড় অংশীদার চীন। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পণ্য সেখান থেকেই আমদানি হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২০২৩-২৪ অর্থবছরেও দেশটি থেকে ১ হাজার ৬৬৪ কোটি ডলারের পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। এছাড়া দেশের প্রতিরক্ষা খাতেও বৃহৎ অংশীদার চীন।
অর্থনীতিবিদ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশটি কোনো নির্দিষ্ট সরকার নয়, বরং জনসাধারণের পর্যায়ে সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহী। সে হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার এই সফরে দেশটির সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হওয়ার প্রত্যাশা থাকবে তাদের।
দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির জন্য ড. ইউনূসের এই সফর খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে স্বৈরাচারি হাসিনা সরকারের পতনের পর ভারত অপপ্রচারের পাশাপাশি নানাভাবে বাংলাদেশকে হেয় করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা যাতে চীন না যান সেজন্যও ভারতের কূটনৈতিক অপচেষ্টা অব্যাহত ছিল। বিশেষ করে, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়ন ইস্যুতে ভারত চায় নি এই মুহূর্তে চীনের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কের উন্নতি হোক। বরং দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিদেশি কূটনীতিকরা আমেরিকার নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কোনঠাসা করার অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল, এখন আছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বড় একটি অংশ হয়ে উঠেছিল তিস্তা মহাপরিকল্পনা। বাংলাদেশে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন নিয়ে অনেক আগে থেকেই আগ্রহ দেখিয়ে আসছে চীন। গত বছর হাসিনা ক্ষমতায় থাকাকালে তার ভারত সফরের আগে চীনকে ঠেকাতে নয়াদিল্লির পক্ষ থেকেও প্রকল্পটি নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করা হয়। ওই সময় ভারত প্রকল্পটির দায়িত্ব পেতে পারে বলে আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ মহল থেকে ইঙ্গিতও দেয়া হয়। এরপর থেকে চীন থেকে বড় ধরনের অর্থ সহায়তা আসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পেছনে এ বিষয়টিও কাজ করে বলে অভিমত দিয়েছিলেন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তারই ধারাবাহিকতায় মোদী সরকার ড. ইউনূসের এই সফরকে নসাৎ করার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছিল। কিন্তু হাসিনার পতনের পর থেকে বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক উন্নতির লক্ষ্যে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূতকে বেশ তৎপর হয়ে উঠতে দেখা যায়। চীনের পক্ষ থেকে গ্রীন সিগনাল পাওয়ার পর থেকেই চীনা রাষ্ট্রদূতের তৎপরতাকেও ভারত ভালোভাবে নেয়নি। বরং তারা ঘুরেফিরে বলার চেষ্টা করেছে, এদিকে তারা গভীর দৃষ্টি রেখেছে। গণ-অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতন হলেও তিস্তার বিষয়টি নিয়ে খুব একটা অগ্রগতি হয়নি
। তবে গত মাসে এক ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছিলেন, তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নে চীন প্রস্তুত আছে। তবে প্রকল্পটা কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, সে সিদ্ধান্ত স্বাধীনভাবে বাংলাদেশকেই নিতে হবে। এ নদীর তীরে বসবাসকারী হাজার হাজার মানুষের কল্যাণে তিস্তা প্রকল্প যত দ্রুত সম্ভব বাস্তবায়ন করতে হবে। ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশ ২০২১ সালে একটি প্রস্তাব পাঠিয়ে তিস্তা প্রকল্পে চীনের সহায়তা চেয়েছিল। চীন প্রকল্পটি মূল্যায়ন করে ২০২৩ সালে বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাল্টা প্রস্তাবে জানায়, প্রকল্পটি সংশোধন করা উচিত। তবে এরপর বাংলাদেশের কাছ থেকে ফিরতি কোনো প্রস্তাব পায়নি চীন। অর্থাৎ ভারতের চাপে হাসিনাই চীনের আগ্রহ সত্ত্বেও তিস্তা প্রকল্পের মতো একটি উন্নয়নমূলক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নে আর আগ্রহ দেখায় নি। বরং নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে ভারতকে খুশি রাখতে চেয়েছে।
ইআরডির তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর শেষে চীন থেকে এ যাবৎকালে পাওয়া অর্থ সহায়তার মোট প্রতিশ্রুতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৬ কোটি ডলার। এর মধ্যে গত জুনের শেষ পর্যন্ত ছাড় হয়েছে ৭৩৩ কোটি ডলারের কিছু বেশি। গত অর্থবছরে ছাড় হয়েছে ৪১ কোটি ডলারের কিছু কম। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে কোনো প্রতিশ্রুতি না এলেও ছাড় হয়েছে আরো প্রায় ২৭ কোটি ডলার। হাসিনা সরকারের আমলে তুলনায় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সাত মাসে ছাড়ের হার তুলনামূলক অনেক বেশি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ড. ইউনূসের সফরে অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো চুক্তি না হলেও সমঝোতা স্বাক্ষর হবে। আগামীর বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. লাইলুফার ইয়াসমিন বলেন, সব সময়ই দেখা যায় কোনো একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকেন্দ্রিক সম্পর্ক চীন গড়ে তোলে না। তারা ‘জনগণের সঙ্গে জনগণের’ এবং ‘সরকারের সঙ্গে সরকারের’ সম্পর্ক গড়ে তোলে। যার জন্য আমি মনে করছি যে পিপল টু পিপল যোগাযোগ বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে তারা বাংলাদেশে একটি বার্তা দিচ্ছে যে, আমরা তোমাদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী এবং সেই গতিটি আরো বৃদ্ধি করতে চাচ্ছি। যে ধরনের প্রটোকল দিয়ে বিশেষ বিমানে চীন সফরে গেলেন প্রধান উপদেষ্টা, সেই আন্তরিকতা থেকেই প্রমাণ হয় যে বাংলাদেশের সঙ্গে যে সম্পর্ক ছিল তারা চাচ্ছে সেই সম্পর্ককে তারা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নয়, বরং একটি অ্যাক্টর হিসেবে দেখেছে। অর্থাৎ বৈশ্বিক ও দক্ষিণ এশিয়ার একটি অ্যাক্টর হিসেবে বাংলাদেশকে দেখছে বলেই তারা অনুধাবন করতে পারে, বাংলাদেশকে যারা প্রতিনিধিত্ব করেন তাদের কতটা সম্মান প্রাপ্য।
প্রধান উপদেষ্টার আসন্ন সফরের পরিপ্রেক্ষিতে আর্থিক সহায়তার ক্ষেত্রে বড় ধরণের কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা আছে কিনা জানতে চাইলে সাবেক রাষ্ট্রদূত এম হুমায়ুন কবির বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার এরই মধ্যে বেইজিংয়ের সমর্থন পাচ্ছে। কারণ চীনারা বুদ্ধিমান। তারা দেখছে এখানে সুযোগ আছে, তাই সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের ভাবভঙ্গি বেশ ইতিবাচক। অন্তর্বর্তী সরকার বলেই তারা গতি কমিয়ে দেবে, তা মনে হয় না। জানুয়ারিতে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা চীন সফর করে এসেছেন। এরপরই সফরের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে প্রধান উপদেষ্টাকে। অর্থাৎ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের গতি অব্যাহত আছে। প্রকল্প অর্থায়নবিষয়ক কিছু হবে না হয়তো। কারণ এ সরকারের অর্থায়ন উপযোগী প্রকল্প তৈরিও তো করতে হবে। কিন্তু সেটা তো এ সরকারের হাতে নেই। সে সুযোগও সরকার পায়নি। কাজেই এ রকম কিছু না হয়ে দুই পক্ষের জন্য যে সহজ ক্ষেত্রগুলো আছে, সেগুলোই হয়তো অগ্রাধিকারে থাকবে। আমাদের প্রত্যাশার মধ্যে আছে আর্থিক সহায়তা, বাজেট সহায়তা, বাণিজ্য সহায়তা, রোহিঙ্গাবিষয়ক সহায়তা, ছোট প্রকল্পগুলোয় সহায়তা দেয়া। কিছু ক্ষেত্রে ঋণ পরিশোধের সময় বৃদ্ধি করা-এ ধরনের বিষয়গুলো এই সফরের ক্ষেত্রে প্রত্যাশা করা যেতে পারে। তবে তিস্তার বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হবে কিনা সে বিষয়ে আমি নিশ্চিত না। এটি খুব সংবেদনশীল বিষয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক বলেন, যেকোনো দেশই অন্য কোথাও বড় ধরনের দ্বিপক্ষীয় বিনিয়োগ নিয়ে এগোনোর আগে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও রাজনৈতিকভাবে নির্বাচিত সরকারের উপস্থিতিকে খুব গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দাতা দেশগুলোর মধ্যে সাধারণত ছোটখাটো নানা বিনিয়োগের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রক্ষা করে চলার প্রবণতা দেখা দেয়। সে হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার চীন সফরে বড় অংকের কোনো সহায়তার প্রতিশ্রুতি না পাওয়া গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।
তবে অনেকেই মনে করছেন, প্রধান উপদেষ্টার এই সফরে বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগের দুয়ার খুলে যাবে। যা আগামীতে যে সরকার ক্ষমতায় আসবে সেই সরকার এর সুফল বোগ করবে। সম্প্রতি চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে বিএনপিসহ আটটি রাজনৈতিক দলের নেতারা চীন সফরে গিয়েছেন। এ সফরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির চারজন নেতাও যুক্ত হন। ২২ সদস্যের এ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশকে এক বৈঠকে ২৫ বিলিয়ন ডলার উন্নয়ন প্রকল্পে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, বাংলাদেশের সে সময়ের দুর্নীতিপরায়ণ সরকার সে অর্থ জনগণের কল্যাণে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারেনি। ২০১৬ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আট বছরে তারা এ ২৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে মাত্র ৭ বিলিয়ন ডলার তারা কাজে লাগাতে পেরেছিল। স্বভাবতই আমাদের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে এটি বলতে পারি, রাজনৈতিক অর্থনীতির দিক থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চাচ্ছে চীন। তারই ফলে তারা প্রধান উপদেষ্টাকে সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তিনি বলেন, এরই মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান অনেক দেশে গিয়েছেন। কিন্তু যতদূর জানি এটিই বোধহয় প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর। এ থেকে বোঝা যায় এ সফরের গুরুত্ব কত বেশি এবং এ সরকার চীনকে কত বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।
প্রধান উপদেষ্টার সফরসূচী থেকে জানা যায়, ২৮ মার্চ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বেইজিংয়ের গ্রেট হল অব দ্য পিপলে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করবেন। চীনের প্রেসিডেন্টের সাথে ড. ইউনূসের এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞমল। তারা বলছেন, এটা বর্তমান সরকার এমনকি আগামীতে যারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে আসবেন তাদের জন্য বড় ধরণের সুখবর বয়ে আনবে। হাসিনা সরকার যা পারেনি, ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান হয়ে তা দেখিয়ে প্রমান করলে বিশ্বে তার গ্রহণযোগ্রতা কতো বেশি।
সফরকালে প্রধান উপদেষ্টার হুয়াওয়ের একটি উচ্চ প্রযুক্তির উদ্যোগ পরিদর্শন ও চীনের শীর্ষস্থানীয় একটি সংবাদ মাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দেবে পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি সেখানে বক্তব্য দেবেন। এরপর ওইদিনই প্রধান উপদেষ্টা দেশে ফিরবেন। এর আজ ২৭ মার্চ দেশটির হাইনান প্রদেশে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার (বিএফএ) সম্মেলনে যোগ দেবেন ড. ইউনূস। সম্মেলনের উদ্বোধনী প্লেনারি সেশনে বক্তব্য দেবেন তিনি। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে চীনের স্টেট কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রিমিয়ার দিং ঝুঝিয়াংয়ের বৈঠক হতে পারে। সবকিছু মিরিয়ে প্রধান উপদেষ্টার চীন সফর এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিসহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।