Image description

দেশের কিডনি রোগীদের ডায়ালাইসিস সেবা নিশ্চিতে ১০৩০টি যন্ত্র কেনা হবে। এর মধ্যে ১৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জন্য ৫৯০টি এবং ৪০টি জেলা হাসপাতালের জন্য ৪৪০টি। প্রায় ছয় বছর আগে প্রকল্প গ্রহণ এবং এ পর্যন্ত তিনবার টেন্ডার আহ্বান করেও কেনাকাটা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেন্ডার প্রক্রিয়া সবসময় ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আগের দুবারের মতো এবারও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। স্পেসিফিকেশন দেখালেও বোঝা যাবে নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের স্বার্থেই টেন্ডারের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে। যার ফলে আধুনিক মানসম্পন্ন ডায়ালাইসিস যন্ত্র কেনা সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। এতে সরকারের অর্থ ব্যয় হবে কিন্তু জনগণ কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হবে।

আহ্বানকৃত টেন্ডারের কাগজপত্র পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, তৃতীয় দফা টেন্ডার আহ্বান করে যেসব অসংগতি সৃষ্টি করা হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো ডায়ালাইসিস যন্ত্রের ডিসপ্লে ১৫ ইঞ্চির পরিবর্তে ১০ ইঞ্চি করা, যা অপেক্ষাকৃত পুরোনো মডেলের স্বল্প ফাংশনের যন্ত্রের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এক্ষেত্রে যন্ত্রের মূল্য কমার কথা; কিন্তু উল্টো যন্ত্রপ্রতি ৪ লাখ টাকা বাড়িয়ে ২১ লাখ থেকে ২৫ লাখ করা হয়েছে। প্রথম টেন্ডারে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের ৭০ কোটি টাকার অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও এবার ১৬০ কোটি টাকার সংশ্লিষ্ট কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে, যা এককভাবে দেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের নেই।

বর্তমানে সারা বিশ্বে ডাবলপাম্প ডায়ালাইসিস যন্ত্র ব্যবহার করা হলেও এই টেন্ডারে পুরোনো আমলের সিঙ্গেল পাম্প যন্ত্র চাওয়া হয়েছে। এসবিএফ প্রযুক্তির ডুয়েল চেম্বার আধুনিক ডায়ালাইসিস যন্ত্রের মাধ্যমে সব ধরনের জটিল রোগীর ডায়ালাইসিস করা সম্ভব। কিন্তু টেন্ডারে সিঙ্গেল চেম্বারের যন্ত্র চাওয়া হয়েছে। এতে করে আইসিইউর রোগী, উচ্চ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত রোগী কিংম্বা মুমূর্ষু রোগীর ডায়ালাইসিস করা কঠিন। এই যন্ত্রেও দামের পার্থক্য প্রায় তিন হাজার ডলার। কিন্তু টেন্ডারে উচ্চমূল্যে কোনকাটার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ভীষণ দুর্বল রোগী, আইসিইউ রোগীদের ডায়ালাইসিস ফ্লো ১০০ থেকে শুরু হওয়া উচিত। 

এর বেশি ফ্লো হলে অনেকের পক্ষেই ডায়ালাইসিস নেওয়া সম্ভব হবে না; কিন্তু এই টেন্ডারে ফ্লো চাওয়া হয়েছে ৩০০ থেকে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো যন্ত্র ইনস্টলেশন ও চালুকরণের পর প্রতি মেশিনের জন্য প্রস্তুতকারকের মান অনুযায়ী রাসায়নিক জীবাণুনাশক/ডেসকেলিং ফ্লুইড, যেমন সিট্রোস্টেরিল বা সমতুল্য অনুমোদিত রাসায়নিক, মোট ১০ লিটার প্রয়োজন হবে। পণ্যটি প্রস্তাবিত মেশিনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং প্রস্তুতকারক-অনুমোদিত হতে হবে। কিন্তু যে ধরনের স্পেসিফিকেশন চাওয়া হয়েছে সেক্ষেত্রে ওই নির্দিষ্ট কোম্পানির জীবাণুনাশক ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না। এতে রোগী অথবা সরকারের ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বাড়বে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি দেশের অন্যান্য হাসপাতালের জন্য সেন্ট্রাল মেডিকেল স্টোরস ডিপোট (সিএমএসডি) থেকে দুটি লটে ডায়ালাইসিস যন্ত্র কেনা হচ্ছে। কিন্তু সেই টেন্ডারের স্পেসিফিকেশনে ১৫ ইঞ্চি মনিটরসহ আধুনিক মানের যন্ত্র কিনতে প্রস্তাবনা চাওয়া হয়েছে।

এদিকে, দরপত্র নিয়ে জটিলতার মধ্যেই দীর্ঘায়িত হচ্ছে কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের বাস্তবায়ন। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে রোগীদের ওপর। রাজধানীকেন্দ্রিক সেবার কারণে জেলা পর্যায়ের অনেক রোগীকে চিকিৎসার জন্য ছুটতে হচ্ছে দূরদূরান্তে। যাদের নিয়মিত ডায়ালাইসিসের ওপর বেঁচে থাকা নির্ভর করছে, তাদের জন্য প্রতিটি বিলম্বই বাড়াচ্ছে চিকিৎসা ও যাতায়াতের চাপ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের ২২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং জেলা সদর হাসপাতালগুলোতে ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার অংশ হিসেবে হিমোডায়ালাইসিস মেশিন কেনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। প্রথম দফায় ২০২৪ সালের ১৭ অক্টোবর দরপত্র জমা ও খোলার দিন নির্ধারিত ছিল। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর নির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়াই ওই দরপত্র বাতিল করা হয়। প্রথম দরপত্রে অংশগ্রহণের জন্য সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ৭০ কোটি টাকার কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছিল। পরে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হলে কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত ৭০ কোটি টাকা থেকে কমিয়ে দেড় কোটি টাকা করা হয়। একই সঙ্গে ডায়ালাইসিস মেশিনের মনিটর ১৫ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে অজ্ঞাত কারণে দ্বিতীয় দরপত্রটিও বাতিল করা হয়। সর্বশেষ দরপত্রে আবারও পরিবর্তন আনা হয়েছে শর্তে। এবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ১৬০ কোটি টাকার কাজের অভিজ্ঞতার পাশাপাশি অন্তত ১ হাজার ৩০টি ডায়ালাইসিস মেশিন স্থাপন ও সরবরাহের অভিজ্ঞতা চাওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, মনিটরের আকার ১৫ ইঞ্চি থেকে কমিয়ে ১০ ইঞ্চি করা হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, সর্বশেষ দরপত্রের শর্ত পূরণ করে বাংলাদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষে অংশ নেওয়া কঠিন। জাপানের একটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথ অংশীদারত্বে যুক্ত একটি কোম্পানি এ ক্ষেত্রে সুবিধাজনক অবস্থানে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।

অভিযোগ রয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের মেশিন কেনা হলে নিজস্ব ডায়ালাইজার ব্যবহারের বাধ্যবাধকতার কারণে ভবিষ্যতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যেতে পারে। ডায়ালাইজার হিমোডায়ালাইসিসের গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ। মেশিনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বিকল্প উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হলে দীর্ঘমেয়াদে সরবরাহকারী পরিবর্তন, মূল্য প্রতিযোগিতা এবং ক্রয়ব্যয় নিয়ন্ত্রণে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এ কারণে শুধু মেশিনের ক্রয়মূল্য নয়, এর পুরো কার্যকালজুড়ে ডায়ালাইজার, ফিল্টার, টিউবিংসহ প্রয়োজনীয় উপকরণের ব্যয়ও বিবেচনায় নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দরপত্রের কারিগরি শর্তে বিকল্প উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ কতটা রয়েছে, সেটিও যাচাই করা প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, জার্মানির বি-ব্রাউন কোম্পানির ডায়ালাইসিস মেশিন উন্নতমানের হলেও তাদের মনিটর ১৫ ইঞ্চি। এ ছাড়া সরকার যে দামে মেশিন কিনতে চায়, সেই দামে সরবরাহ করে প্রয়োজনীয় মুনাফা করা সম্ভব হবে না বলে সংশ্লিষ্ট পরিবেশকদের মধ্যে উদ্বেগ রয়েছে। ওই কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় পরিবেশক হিসেবে দরপত্রে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করা প্রতিষ্ঠানটি মেশিন সরবরাহ করলেও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক উপকরণ সরবরাহের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে। অন্যদিকে, জার্মানির আরেক প্রতিষ্ঠান ফ্রিজিনিয়াস সরাসরি দরপত্রে অংশ নিতে আগ্রহী বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তবে তাদের স্থানীয় পরিবেশক ছয় শতাংশ কমিশন দাবি করায় দুপক্ষের মধ্যে জটিলতা তৈরি হয়েছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় পরিবেশকের এককভাবে দরপত্রে অংশ নেওয়ার সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এ প্রকল্পের দরপত্র আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র বা আইসিবি হওয়ায় সরবরাহকারীদের আগ্রহ বেশি। তাদের দাবি, স্থানীয় দরপত্রে ভ্যাট, কর, অগ্রিম আয়কর ও অন্যান্য শুল্ক-কর মিলিয়ে সরবরাহকারীর ব্যয় প্রায় ৩৫ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। বিপরীতে, আন্তর্জাতিক দরপত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যয় প্রায় ৩ শতাংশ বলে দাবি করছেন তারা।

এসব অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. এহসানুল করিম বলেন, যারা দরপত্র কিনেছেন তারাও ইজিপিতে এ ধরনের বেশকিছু সংশোধনী সংযুক্ত করেছেন। এসব সংশোধনী নিয়ে আগামী পাাঁচ দিনের মধ্যে টেকনিক্যাল কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রি-বিডে স্পেসিফিকেশন পরিবর্তন হতে পারে। অধ্যাপক ডা. এহসানুল করিম বলেন, এর আগে আরও দুইবার ডায়ালাইসিস যন্ত্র ক্রয়ে স্থানীয় টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেনাকাটা সম্ভব হয়নি। তাই মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে এবার আন্তর্জাতিক টেন্ডার আহ্বান করা হয়েছে। আমরা চেষ্টা করব দেশি-বিদেশি সব ধরনের প্রতিষ্ঠান যেন টেন্ডাওে অংশ নিতে পারে, নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য স্পেসিফিকেশন তৈরি করা হয়েছে এমন অভিযোগ যেন কেউ না করে।

কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটির (ক্যাম্পস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ মানুষ কোনো না কোনো কিডনি রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে প্রতি বছর প্রায় ৪০ হাজার রোগী ডায়ালাইসিসনির্ভর হয়ে পড়েন। দেশে কতজন রোগীর কিডনি সম্পূর্ণ বিকল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য জাতীয় পরিসংখ্যানের ঘাটতি রয়েছে। তবে রোগীর চাহিদার তুলনায় ডায়ালাইসিস সেবার পরিধি যে অপ্রতুল, তা নিয়ে চিকিৎসকদের উদ্বেগ রয়েছে।

২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা ও জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন’ শীর্ষক প্রকল্প অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। প্রাথমিক পরিকল্পনায় ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের ২২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যা এবং ৪৪টি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ হয়নি। প্রকল্পের মেয়াদ একাধিকবার বাড়ানো হয়েছে। গত ৭ এপ্রিল জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, প্রকল্পটির আওতায় ১৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ৪৪টি জেলা সদর হাসপাতালে অবকাঠামো উন্নয়ন, চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ ও ক্রয় কার্যক্রম চলছে। প্রকল্পটি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করার আশা প্রকাশ করেন তিনি।

রাজধানীর স্যানডোর পরিচালিত ডায়ালাইসিস কেন্দ্রে বর্তমানে নতুন রোগী যুক্ত করার সুযোগ নেই বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। চার শিফটে ২৪ ঘণ্টা কার্যক্রম চালিয়ে দিনে ২৩৬ জনের ডায়ালাইসিসের সক্ষমতা রয়েছে কেন্দ্রটির। তবে চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সাল পর্যন্ত বছরে ১৯ হাজার সেশন স্বল্পমূল্যে দেওয়ার কথা থাকলেও গত বছর ৪২ হাজার সেশন পরিচালনা করা হয়েছে। স্যানডোর ডায়ালাইসিস সিস্টেমের কনসালট্যান্ট ডা. কে ইউ এম শামসুন নাহার বলেন, ‘কভিডকালে আমরা এক বছরে ৯৬ হাজার সেশনও পরিচালনা করেছি। চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সাল পর্যন্ত বছরে ১৯ হাজার সেশন ডায়ালাইসিস সেবা দেওয়ার কথা। কিন্তু মানবিক কারণে গত বছরও ৪২ হাজার সেশন ডায়ালাইসিস দিয়েছি। তবে নতুন রোগী যুক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না।’ চুক্তির মেয়াদ শেষে সরকার সেবার পরিধি বাড়ালে নতুন রোগীদের সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে জানান তিনি।

জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটের ভাষ্য মতে, সারা দেশে এখন প্রায় ৪০০টি ডায়ালাইসিস বেড চালু রয়েছে। তবে শুধু ডায়ালাইসিস দিয়ে কিডনি রোগের সামগ্রিক সমাধান সম্ভব নয়। রোগ প্রতিরোধে জোর দিতে হবে।

সামগ্রীক বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, এসব অভিযোগ আমার কাছে এখনও আসেনি। তবে অপেক্ষাকৃত নিম্নমানের যন্ত্র ক্রয় বা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের জন্য স্পেসিফিকেশন তৈরি—এমন কিছু হলে অবশ্যই সেটি পরিবর্তন করা হবে। রোগীদের স্বার্থে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার ভিত্তিতে কেনাকাটা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, কিডনি রোগীদের জন্য আরেকটি সুখবর হলো আট বিভাগে বিশেষায়িত কিডনি হাসপাতাল অবকাঠামো নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে। সেগুলা দ্রুত চালু করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।