Image description

গাজীপুরের টঙ্গীতে বস্তিকেন্দ্রিক মাদক কারবারের বিশাল সিন্ডিকেট সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন স্পট থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক সরবরাহ হচ্ছে। মাদক ব্যবসার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে খুন, ছিনতাইসহ নানা অপরাধে বাড়ছে উদ্বেগ। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মাদক কারবারিরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ম্যানেজ করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সরেজমিন জানা যায়, টঙ্গীর ১৫টি ওয়ার্ডের ১৯টি বস্তিতে মাদক কারবার ছড়িয়ে পড়েছে। হাজি মাজার, কেরানির টেক, ব্যাংক মাঠ, আমতলী ও মিলগেট বস্তিসহ এরশাদনগর, শিলমুন, মরকুন, আরিচপুর, গাজীপুরা ও পাগাড় এলাকায় রয়েছে মাদকের একাধিক স্পট। এসব এলাকায় নারী-পুরুষ উভয়েই মাদক ব্যবসায় জড়িত বলে অভিযোগ রয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবি, মাদক ব্যবসার অর্থে অনেক কারবারি বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে গত ২৮ সেপ্টেম্বর ব্যাংক মাঠ বস্তি এলাকায় হাসানের হাতে রফিকুল ইসলাম জয় নামে এক যুবক খুন হন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর গোপালপুরে মাদক ব্যবসার বিরোধে নূরুল ইসলাম নামে আরেক যুবককে হত্যা করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ নজরুল ইসলাম বলেন, ঘরে ঘরে মাদক ছড়িয়ে পড়ছে। সরকার কঠোর ব্যবস্থা না নিলে যুবসমাজ ধ্বংস হয়ে যাবে। 

টঙ্গী পূর্ব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানান, গত দুই মাসে অর্ধশতাধিক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার এবং অর্ধশত মাদক মামলা হয়েছে। গাজীপুর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. এমদাদুল ইসলাম মিঠুন জানান, গত ১ অক্টোবর পূর্ব আরিচপুরে ১৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ এক নারীকে এবং মরকুনে ৬ হাজার পিস ইয়াবাসহ আরেক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে।