Image description

যুদ্ধে জড়িয়ে রাশিয়ায় প্রতিনিয়ত মারা পড়ছে বাংলাদেশি। এরপরও দেশটিতে কর্মী যাওয়া থামছে না। চলতি বছরের ৯ মাসেই গেছেন প্রায় তিন হাজার, যা গত তিন বছরে প্রায় ৮ হাজার ৯৩২ জন। ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নিলে নাগরিকত্ব ছাড়াও মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হচ্ছে। এই লোভেই রাশিয়ায় আসা অনেকে যুদ্ধে জড়াচ্ছেন বলে সেখানকার বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

সরকারও এসব কর্মীর দায় নিতে নারাজ। জানতে চাইলে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিককর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর স্ট্রিমকে বলেন, ‘কাউকে তো জোর করে যুদ্ধে নেওয়া যায় না। যারা রাশিয়া যাচ্ছেন, তারা জেনেশুনে শর্ত মেনে যাচ্ছেন। কেউ ইচ্ছে করে গেলে, আমাদের কিছু করার থাকে না। তবে আমরা কখনো চাই না আমাদের নাগরিকরা অন্য দেশের হয়ে যুদ্ধ করুক; বিপদে পড়ুক।’

তিনি আরও বলেন, ‘যুদ্ধে নেওয়ার জন্য রাশিয়া প্রলোভন দেখাচ্ছে। ভালো বেতন, সুযোগ-সুবিধা, ফ্ল্যাট ও নাগরিকত্ব দিচ্ছে। এসবের লোভে দেখা যাচ্ছে– যারা গেছেন, তারা বাংলাদেশ থেকে নয়, তৃতীয় কোনো দেশ থেকে গেছেন। তৃতীয় দেশ থেকে গেলে আমাদের হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ থাকে না।’

অভিবাসন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাশিয়ায় যুদ্ধে জড়ানোর ক্ষেত্রে শুধু কর্মীকে দোষ দিয়ে লাভ নেই। কাজের জন্য গিয়ে অবাধে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার দায় সরকারেরও। তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এমনকি সাধারণ মানুষকে যুদ্ধের ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতন পর্যন্ত করছে না।

২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে রাশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া বেড়েছে। গত ২ বছর ৯ মাসে গেছে ৮ হাজার ৯৩২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্মী ২০২৫ সালে গেছে, ৪ হাজার ৭২৭ জন। ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩৯৫ এবং চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গেছে ২ হাজার ৮১০ জন।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর স্ট্রিমকে বলেন, ‘রাশিয়ায় এখন দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধাবস্থা চলছে। এই জায়গায় সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, সরকার থেকে অনুমোদন নিয়ে কর্মীরা রাশিয়া যাচ্ছেন। আর সেখান থেকে তারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাচ্ছেন। এখন এই বিষয়ে ব্যবস্থা না নিলে, দায় সরকারের ওপর বর্তায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখছি– সরকার কর্মীকে দোষারোপ করে নিজের দায় এড়ানোর চেষ্টা করছে। এটি আসলে অন্যায়, বন্ধ হওয়া উচিত।’

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক শরিফুল হাসান স্ট্রিমকে বলেন, ‘রাশিয়ার ঘটনা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। দিনের পর দিন এটি চলছে। সরকার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে না পারে, সাধারণ মানুষকে যদি সচেতন করতে না পারে, তাহলে এর ব্যর্থতা তাদেরই।’

 

কর্মী যাওয়া বৃদ্ধি পেলেও সঠিক চিত্র নেই

বাংলাদেশ জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্যে, ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে রাশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী যাওয়া বেড়েছে। গত ২ বছর ৯ মাসে গেছে ৮ হাজার ৯৩২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্মী ২০২৫ সালে গেছে, ৪ হাজার ৭২৭ জন। ২০২৪ সালে ১ হাজার ৩৯৫ এবং চলতি বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গেছে ২ হাজার ৮১০ জন। বিএমইটির কর্মকর্তারা বলছেন, কর্মী যাওয়ার এই হার অব্যাহত থাকলে ২০২৫ সালের রেকর্ড এবার ছাড়িয়ে যাবে।

কর্মী যাওয়া বাড়লেও, তাদের মধ্যে কতজন যুদ্ধে জড়িয়েছেন, সেই তথ্য সরকারের কাছে নেই। কারণ হিসেবে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে চেয়েও তারা এই তথ্য পাননি।

রাশিয়ার বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব মিজানুর রহমান স্ট্রিমকে বলেন, ‘কতজন যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন, এখন কতজন আছেন, তা বলা সম্ভব নয়। নানাভাবে আমরা হাজারখানেক জেনেছি। তবে আমাদের মনে হয় না, এত বাংলাদেশি যুক্ত হয়েছেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘রাশিয়া যুদ্ধ শুরুর পর থেকে রেলস্টেশন, বাসস্টেশন, সব জায়গায় বিজ্ঞাপন দিয়েছে। যুদ্ধে অংশ নিলেই চুক্তি সইকালীন (সাইনিং মানি) ১০-২৫ লাখ টাকা দেয়। এরপর প্রতি মাসে ২-৪ লাখ টাকা বেতন দেয়। সঙ্গে রাশিয়ার নাগরিকত্ব। এসব লোভে আমাদের অনেকে কাজের জন্য এসে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ছে।’

কাউকে জোর করে যুদ্ধে নেওয়া সম্ভব নয়। জেনেশুনে শর্ত মেনে গেলে সরকারের কিছু করার থাকে না।নুরুল হক নুর, প্রতিমন্ত্রী, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিককর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়

রাশিয়া অবস্থানরত বাংলাদেশিদের ভাষ্যে, যুদ্ধক্ষেত্রে হাজারের বেশি বাংলাদেশি রয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর দ্রুত রাশিয়া জিতে যাবে– এমন আশায় অনেকেই জড়িয়ে পড়েন। মৃত্যুহার বেড়ে যাওয়ায় এখন কিছুটা কমছে। তবে বাংলাদেশিদের যুদ্ধে যাওয়া থামেনি।

নাম প্রকাশ না করে মস্কোর এক বাংলাদেশি স্ট্রিমকে বলেন, রাশিয়ার অলিগলিতে যুদ্ধে যোগ দিলে বিশাল অর্থ লাভের বিজ্ঞাপন সাটানো। কর্মীদের আবাসনে গিয়ে অনেক এজেন্সি সরাসরি প্রলোভন দেয়। বাংলাদেশ থেকে সরকারি কাজের কথা বলে আনার পরে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে।

শুধু তাই নয়, সরকারের কাছে রাশিয়ায় মারা যাওয়া বাংলাদেশিদের সঠিক তথ্যও নেই। গত ৭ মে যাওয়া ৩০ জনের ১৮ জন যুদ্ধক্ষেত্রে মারা গেছেন– স্বজনেরা বললেও সরকার দাবি তাদের কাছে এই বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।

মস্কোর বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব বলেন, ‘দুজনকে আমরা উদ্ধার করেছি। ২৮ জন জীবিত না মৃত– এ রকম কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। কয়েকদিন আগে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ২৮ জনের ব্যাপারে চিঠি দিয়েছি। এখনো উত্তর পাইনি।’

রাশিয়ার অলিগলিতে যুদ্ধে যোগ দিলে বিশাল অর্থ লাভের বিজ্ঞাপন সাটানো। কর্মীদের আবাসনে গিয়ে অনেক এজেন্সি সরাসরি প্রলোভন দেয়। বাংলাদেশ থেকে সরকারি কাজের কথা বলে আনার পরে যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাশিয়ায় যুদ্ধে গিয়ে মারা গেছে– এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য আমাদের কাছে নেই। আনুষ্ঠানিক তথ্য পেলে আমরা পদক্ষেপ নিতে পারব।’

 

বেশি কর্মী পাঠিয়েছে বন্যা বিজয় ওভারসিজ

রাশিয়ায় কর্মী পাঠানো এজেন্সির তালিকা বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রায় তিন বছর ধরে ৬৩টি রিক্রুটিং এজেন্সি রাশিয়ায় কর্মী পাঠাচ্ছে। এর মধ্যে নিয়মিত ১০ এজেন্সি, যার একটির লাইসেন্স এখন বাজেয়াপ্ত। সবচেয়ে বেশি কর্মী পাঠিয়েছে বরুণ দেবনাথের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত রিক্রুটিং এজেন্সি ‘বন্যা বিজয় ওভারসিজ’। তারা এখন পর্যন্ত ২ হাজার ৪০৮ কর্মী পাঠিয়েছে।

রাশিয়ায় কর্মীদের কাছ থেকে ভোগান্তির অভিযোগ এলে, গত ১৩ মে বন্যা বিজয় ওভারসিজের সার্ভার লক করে বিএমইটি। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ‘পিওআই অ্যান্ড তমনি এইচআর কোম্পানি’সহ একাধিক এজেন্সির নামে কর্মী পাঠানো অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে শুধু জাহাঙ্গীর হোসেনের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ‘পিওআই অ্যান্ড তমনি এইচআর কোম্পানির’ মাধ্যমে ৩১৯ জন পাঠিয়েছে।

এ ব্যাপারে বরুণ দেবনাথের নম্বরে একাধিকার কল দিলেও রিসিভ হয়নি। তবে জাহাঙ্গীর হোসেন স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, ২০২৪ সালে তিনি লাইসেন্স বরুণ দেবনাথের কাছে বিক্রি করেছেন। এই লাইসেন্সের বিপরীতে তিনি রাশিয়া লোক পাঠান। জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘রাশিয়ায় কর্মী পাঠালে ঝামেলা হতে পারে, বুঝতে পারার পর কার্যক্রম বন্ধ করেছি। এরপর বরুণ যোগাযোগ করলে লাইসেন্স বিক্রি করে দিই।’ তবে লাইসেন্সের মালিকানায় জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘লাইসেন্সটি বিএমইটি থেকে এখনো পরিবর্তন করা হয়নি। এজন্য আমার নামেই রয়ে গেছে।’

অনুসন্ধানে জানা যায়, বরুণ দেবনাথ আরও ৩-৪টি রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্সে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কর্মী রাশিয়া পাঠিয়েছেন। স্ত্রীর মাধ্যমে একটি চাইনিজ কোম্পানির মাধ্যমে এসব কর্মী পাঠিয়েছেন বরুণ, যাদের অধিকাংশ যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন। অনেকে আবার প্রতারণার শিকার হয়ে দেশে ফিরে এসেছেন।

এ ছাড়া সামিউর রহমানের রানওয়ে ইন্টারন্যাশনাল ৫৫৫, মো. হান্নানের নোয়াখালী ওভারসিজ ৪২৫, টিএস ওভারসিজ লিমিটেড ২৬৬, রাজিয়া সুলতানার ফ্লেয়ার এক্সপ্রেস লিমিটেড ২৫৩, হারুন খানের ফাইয়াজ ওভারসিজ ২৩৬, আতিকুর রহমান বিশ্বাসের আল আকাইবা অ্যাসোসিয়েটস ২৩২ ও মোহাম্মদ এনামুল হকের হক ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি ১৯১ কর্মী রাশিয়া পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে সম্প্রতি ৩০ কর্মীর ১৮ জনের মৃত্যুর ঘটনায় টিএস ওভারসিজ লিমিটেডের লাইসেন্স বাজেয়াপ্ত করেছে বিএমইটি।

রাশিয়ায় কর্মীদের কাছ থেকে ভোগান্তির অভিযোগ এলে, গত ১৩ মে বন্যা বিজয় ওভারসিজের সার্ভার লক করে বিএমইটি। এরপর প্রতিষ্ঠানটি ‘পিওআই অ্যান্ড তমনি এইচআর কোম্পানি’সহ একাধিক এজেন্সির নামে কর্মী পাঠানো অব্যাহত রেখেছে। এর মধ্যে শুধু জাহাঙ্গীর হোসেনের নামে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ‘পিওআই অ্যান্ড তমনি এইচআর কোম্পানির’ মাধ্যমে ৩১৯ জন পাঠিয়েছে।

ফ্লেয়ার এক্সপ্রেস লিমিটেডের মালিক রাজিয়া সুলতানা। তাঁর নম্বরে কল দিলে আনিসুর রহমান রিসিভ করে চেয়ারম্যান পরিচয়ে বলেন, ‘আমরা যাদের পাঠাচ্ছি, সবাই কাজ পাচ্ছেন। ফলে আমাদের কর্মী পাঠাতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না।’ ফাইয়াজ ওভারসিজের মালিক হারুণ খান বলেন, ‘আমরা রাষ্ট্রদূতের পরামর্শ নিয়েই কর্মী পাঠাচ্ছি। কোনো কর্মী এখন পর্যন্ত সমস্যার সম্মুখীন হননি।’

বাজার বন্ধের পক্ষে বিশেষজ্ঞরা, সরকারের ‘না’

যুদ্ধ চলাকালে রাশিয়ার শ্রমবাজার বন্ধের পরামর্শ দিয়েছেন অভিবাসন বিশেষজ্ঞরা। তাদের ভাষ্যে, সরকার বিষয়টি ভেবে দেখলে আমাদের কর্মীদের যুদ্ধের মতো ভোগান্তি থেকে রেহাই দেওয়া সম্ভব হবে।

আসিফ মুনীর বলেন, ‘রাশিয়ায় যুদ্ধ চলছে। এই সময়ে বাজারটা স্থগিত করতে পারি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে, আবার চালু করা যেতে পারে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শুধু স্থগিত করলেই হবে না। বাজারকে দূতাবাস দিয়ে ভালো করে যাচাই-বাছাই করে দেখতে হবে। যাওয়ার পর কাজ না পেলে, তাদের দেশে আনার বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে হবে।’

শরিফুল হাসান বলেন, ‘রাশিয়া কোনো শ্রমবাজার হয়ে ওঠেনি। এটি আসলে যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আমাদের কাজের নামে মানবপাচারের বড় জায়গা হয়ে উঠছে। ফলে বাজারটি চালু রাখার প্রশ্নই আসে না।’

সরকারকেই দায়িত্ব নিতে হবে। কারণ, সরকারের অনুমোদন নিয়েই কর্মীরা রাশিয়া যাচ্ছেন।আসিফ মুনীর, অভিবাসন বিশেষজ্ঞ

অভিবাস খাতের ব্যবসায়ীরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপে একমাত্র রাশিয়া বড় বাজার হয়ে উঠছে। শুধু যুদ্ধের কারণে বন্ধ না করে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে কর্মীর কাজ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘বাজার বন্ধ সমাধান হতে পারে না। কীভাবে এখানে যাচাই-বাছাই করে আরও কর্মী পাঠানো যায়, তা নিয়ে কাজ করতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর বলেন, ‘রাশিয়ায় কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছে, সত্য। আবার হাজার হাজার মানুষ কাজ করছেন। যেখানে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হচ্ছে, যাওয়ার সুযোগ রয়েছে, তা বন্ধ করা উচিত নয়। আমরা এখন চাহিদাপত্র ভালো করে দেখে ছাড়পত্র দিচ্ছি।’

মস্কো দূতাবাসের প্রথম সচিব মিজানুর রহমান বলেন, ‘সরাসরি ভিজিট করে চাহিদাপত্র সত্যায়ন করা হচ্ছে। ২৯টি দেশের কর্মীদের যুদ্ধে যাওয়া নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়া। সেই তালিকায় বাংলাদেশের নাম যুক্ত করতে চিঠি দিয়েছি।’