Image description

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ছাত্রলীগের কর্মী সন্দেহে মারধরের শিকার মো. মনিরের দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় দায়ের করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের এক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এ রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ এই রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘আসামি মনির জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে ছাত্রদল কর্তৃক আটক হন।’

 
 

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামি মনিরকে রিমান্ডে নিতে যুক্তি তুলে ধরা হয়। অন্যদিকে আসামিপক্ষ থেকে রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ডের আদেশ দেন।

 
 

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রথমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে আসামি মো. মনিরকে আটক করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। পরে তাকে কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা, কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইবনে খালিদ হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে আবেদন জানান।

তদন্ত কর্মকর্তা রিমান্ড আবেদনে গ্রেপ্তার দেখানো এই আসামিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে উল্লেখ করেন।

রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ মামলার এজাহারনামীয় ও তদন্তে পাওয়া অন্য আসামিরা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সমর্থনে একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী মিছিল, জননিরাপত্তা বিঘ্নিতকরণ এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরির চক্রান্তে লিপ্ত ছিল।

পাশাপাশি আসামিরা নিষিদ্ধ সংগঠনের সমর্থনে প্রচার-প্রচারণা চালানোসহ দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করার ষড়যুদ্ধে লিপ্ত ছিল বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের নাম-ঠিকানা উদ্ধার এবং অর্থদাতা ও নির্দেশদাতাদের খুঁজে বের করার স্বার্থে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের প্রয়োজন বলে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ২৭ জুলাই ডিএমপির কোতোয়ালি থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়।