ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ওই ঘটনায় বিএসএফের সঙ্গে কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে জরুরি পতাকা বৈঠকে নিরস্ত্র বাংলাদেশির ওপর গুলি কেন, তার জবাব চেয়েছে বিজিবি।
এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে পীরগঞ্জ সীমান্ত-সংলগ্ন ভারতের চকশিবানন্দ ক্যাম্প এলাকায় কয়েকজন বাংলাদেশির ওপর গুলি চালায় বিএসএফ। এতে পীরগঞ্জের ইদ্রইল গ্রামের আসাদুল হক (৩৮) নিহত হন। এ ছাড়া একই গ্রামের মোস্তাকিন ও উদয় চন্দ্র রায় নামে দুই বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ।
ঘটনার পর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে জরুরি পতাকা বৈঠক হয়। দিনাজপুর ৪২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, আমরা অলরেডি একটা পতাকা বৈঠক করেছি। সেখানে বিএসএফ কেন নিরস্ত্র বাংলাদেশিদের ওপর গুলি চালিয়েছে তার জবাব চাওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিএসএফের দাবি, ওই বাংলাদেশিরা চোরাকারবারি। সীমান্ত বেড়া ডিঙিয়ে তারা ভারতের ভেতর ঢুকছিলেন। এখন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বৈঠক হলে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।
মরদেহ ফেরত ও আটকদের বিষয়ে বিজিবির এই অধিনায়ক জানান, ভারতীয় আইন অনুযায়ী, ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালে পাঠিয়েছে বিএসএফ। আটকদের দ্রুত ফেরতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।