Image description

আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম শুনানি শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখান। শুনানির সময় কলিমউল্লাহ বলেছেন, ‘আমি কোন রাজনৈতিক দলের কেউ না। আমার রাজনৈতিক কোন পদপদবি নেই। উপাচার্য থাকা অবস্থায় ক্যাম্পাসে কোনো রাজনীতি করিনি।’

এদিন কারাগার থেকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। তার উপস্থিতিতে শুনানি শুরু হয়। শুনানিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কাফরুল থানার উপপরিদর্শক মো. জহুরুল ইসলাম উল্লেখ করেন, তদন্তে মামলার আসামি নাজমুল আহসান ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্যপ্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। আসামির নাম, ঠিকানা যাচাই করা হচ্ছে। সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচারের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো একান্ত প্রয়োজন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী মহসিন রেজা ও মহিমা বাঁধন তাকে গ্রেপ্তার না দেখানোর প্রার্থনা করেন।

এর আগে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের মামলায় গত বছরের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ। ওইদিনই জামিন আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এই মামলায় গত ১৪ জুন তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান। পরবর্তীতে এক লাখ টাকা মুচলেকা ও পাসপোর্ট জমার সাপেক্ষে জামিননামা দাখিলের অনুমতি দেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত। তবে গত ৩০ জুলাই উত্তরা পশ্চিম থানার জুলাই যোদ্ধা মুস্তাঈন বিল্লাহ সাব্বির হত্যাচেষ্টা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এই মামলায় গত ৩১ আগস্ট হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন পান। গত ৭ সেপ্টেম্বর আদালতে তার জামিননামা দাখিল করলে ওইদিন কাফরুল থানার তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় ফের গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১০ সেপ্টেম্বর আসামির উপস্থিতিতে শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, তরিকুল ইসলাম রুবেল ঢাকার মিরপুর-১৫ সেকশনে একটি ডেভেলপার কোম্পানিতে চাকরি করতেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ৫ মার্চ কাফরুল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।