নিবন্ধনের আওতায় আনা হচ্ছে ব্যাটারিচালিত আটোরিকশা। নিবন্ধন পেতে এসব রিকশার ব্যাটারি সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে রিচার্জ করতে হবে। নিবন্ধন নিতে হবে সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভা থেকে। গতকাল সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর, সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানসমূহে সৌরবিদ্যুতের ব্যবহারসংক্রান্ত এক পর্যালোচনা সভায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এসব কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হবে। তবে সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য কোনো মাধ্যমে ব্যাটারি রিচার্জ করা হলে সেই রিকশাকে নিবন্ধন দেয়া হবে না এবং নবায়ন করা হবে না। এটা নিশ্চিত করবে সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভাগুলো। আমরা বিধিমালা তৈরির জন্য একটা মিটিং করেছি, বিধিমালা করছি। ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে সিটি করপোরেশন এবং পৌরসভার আওতায় রেজিস্ট্রেশনভুক্ত করছি। সেখানে কিছু শর্ত দেয়া হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব রিকশার রেজিস্ট্রেশন এখন থেকে বিআরটিএ দেবে না। জাতীয় সংসদে এটার জন্য আইন পাস করা আছে। রেজিস্ট্রেশন ফি কতো হবে, নবায়ন ফি কতো হবে, রেজিস্ট্রেশন ও নবায়নের যে পূর্বশর্ত আমরা দিয়েছি, সেটি হচ্ছেÑ বুয়েট, সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি এবং জেলা পর্যায়ে আমাদের যে ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটগুলো আছে সেখানকার অটোমোবাইল শাখা থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে এবং এই ফিটনেস সার্টিফিকেট দেয়ার জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলো একটা ফি পাবে।
শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে আমরা সুন্দরভাবে সাজানোর জন্য আটটা জোনে বিভক্ত করছি। দক্ষিণে ও উত্তরে চারটি করে জোন হবে। এসব রিকশার আটটি জোনে আটটি রং থাকবে। একটি জোনের ই-রিকশা বা ইলেকট্রিক রিকশা আরেকটি জোনে যেন যেতে না পারে, এজন্য আলাদা আলাদা কালার থাকবে। এটা নিয়ে ইতিমধ্যে ট্রাফিক পুলিশ ও সিটি করপোরেশন মিটিং করেছে। বিধিমালা তৈরির কাজ চলছে। এটা জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর করার জন্য সিটি করপোরেশন ও ট্রাফিক পুলিশ যৌথ উদ্যোগ নেবে। কে কোন রুট ব্যবহার করতে পারবে বা পারবে নাÑ এটাও বিধিমালায় থাকবে। সৌরবিদ্যুতের বাইরে অন্য বিদ্যুৎ চার্জে রিচার্জ করতে গেলে তাদের যে জরিমানা হবে সেটাও আইনে থাকবে।