Image description

জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে একের পর এক যান্ত্রিক বিপর্যয় এখন আর কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। বরং গভীর প্রাতিষ্ঠানিক সংকটের রূপ নিয়েছে। আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজের ত্রুটির কারণে ফ্লাইট বাতিল, জরুরি অবতরণ এবং শত শত যাত্রীর বিদেশে আটকে থাকার ঘটনা বিমানের নিরাপত্তাব্যবস্থাপনা ও ভাবমূর্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং এবং পাঁচটি কানাডার ড্যাশ-৮ কিউ৪০০ মডেলের। বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলোর মধ্যে রয়েছে :চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০, চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর, চারটি বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার।

বাংলাদেশ বিমানের বহরে বোয়িংয়ের ছয়টি ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ যুক্ত হয় ২০১৮-২০১৯ সালে। ২০২৪ সালে এ মডেলের উড়োজাহাজে উইন্ডশিল্ডে ফাটলের দুটি ঘটনা ঘটেছে। ২০ জানুয়ারি বিমানের ঢাকা-দাম্মাম ফ্লাইট পরিচালনা করা হয় বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজ দিয়ে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের পর উড়োজাহাজটির উইন্ডশিল্ডে ফাটল দেখা দেয়। ২ ঘণ্টা পর বিমানটি আবার ঢাকায় জরুরি অবতরণ করানো হয়।

আরেকটি ঘটনা একই বছরের ৮ সেপ্টেম্বরের। স্থানীয় সময় রাত ১২টা ৫ মিনিটে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-০৩৪৮। গন্তব্য ছিল ঢাকা। বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজটি যখন ওমানের আকাশে, তখন ফ্রন্ট উইন্ডশিল্ডে ফাটল ধরা পড়ে। ঝুঁকি এড়াতে ফ্লাইটটি আবার দুবাই বিমানবন্দরে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। পরদিন উদ্ধারকারী উড়োজাহাজ পাঠিয়ে ঐ ফ্লাইটের ২৪৪ যাত্রীকে ঢাকায় আনা হয়।

শুধু উইন্ডশিল্ডে ফাটল নয়, ২০২৪ সালে ফ্লাইট পরিচালনার সময় অন্তত দুটি যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে বিমানের ড্রিমলাইনার উড়োজাহাজে। এর মধ্যে ২৩ এপ্রিল চট্টগ্রাম থেকে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেয়। ত্রুটি সারিয়ে প্রায় ১৯ ঘণ্টা পর ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। ১৪ মে ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি ভারতের আকাশসীমা থেকে ফিরিয়ে আনা হয়।

নতুন উড়োজাহাজ বহরে যুক্ত হওয়ার পাঁচ-ছয় বছরের মধ্যে এ ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ার কথা নয় বলে মনে করেন বিমানের একাধিক কর্মকর্তা। একইভাবে ২০২৫ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে মাত্র ২৮ দিনের মধ্যে আটটি বোয়িং উড়োজাহাজে কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ে। ৬ আগস্ট ব্যাংককগামী বোয়িং ৭৩৭-৮০০ ফ্লাইট (বিজি-৩৮৮) ইঞ্জিনে অস্বাভাবিক কম্পন ধরা পড়ায় মিয়ানমারের আকাশসীমা থেকে ঢাকায় ফিরে আসে। পরদিন ৭ আগস্ট আবুধাবিগামী বোয়িং ফ্লাইটে টয়লেট ফ্লাশ সিস্টেম সম্পূর্ণ অকেজো হওয়ায় উড্ডয়নের এক ঘণ্টা পর ঢাকায় ফিরে আসতে বাধ্য হয়।

এর তিন দিন পর ১০ আগস্ট রোমের লিওনার্দো দা ভিঞ্চি বিমানবন্দরে বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার (বিজি-৩৫৬) উইং ফ্ল্যাপের ত্রুটির কারণে ২৬২ জন যাত্রী নিয়ে আটকে পড়ে। যন্ত্রাংশ লন্ডন থেকে পাঠানো হয়। যাত্রীদের হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হয়। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই পরের মাসের ১৭ সেপ্টেম্বর দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার ১৭৮ যাত্রী নিয়ে ২৬ ঘণ্টা আটকে থাকে। যান্ত্রিক ত্রুটি সারাতে ঢাকা থেকে খুচরা যন্ত্রাংশ পাঠানো হয়। ভিসা সমস্যার কারণে তিন যাত্রীকে বিমানবন্দরের লাউঞ্জেই থাকতে হয় ।

এছাড়াও শারজাহ, চট্টগ্রাম ও সিংগাপুরে একাধিক ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটির ঘটনা ঘটেছে। চট্টগ্রাম থেকে দুবাইগামী একটি ফ্লাইটে যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দিলে তা ১৯ ঘণ্টা আটকে ছিল। ১৪ মে ঢাকা-টরন্টো ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে সেটি ভারতের আকাশসীমা থেকে ফিরিয়ে আনা হয়।

সর্বশেষ ২৫৬ জন যাত্রী নিয়ে বিজি৩০৬ ফ্লাইটটি টরন্টো থেকে ছেড়ে আসার পর ৭ আগস্ট স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ইতালিতে জরুরি অবতরণ করে। দীর্ঘ ৪০ ঘণ্টা রোমের ফিউমিচিনো বিমানবন্দরে আটকে থাকার পর রবিবার (৯ আগস্ট) ঢাকায় ফিরে আসে।

এসব সংকটের কারণে বিমানের অন টাইম পারফরম্যান্স মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিমানের বহরে থাকা দশটি প্রশস্ত দেহের উড়োজাহাজের মধ্যে চারটি (তিনটি বোয়িং ৭৮৭ ও একটি বোয়িং ৭৭৭) গ্রাউন্ডেড রয়েছে। বিমানের ফ্লাইট শিডিউল প্রায় ভেঙে পড়েছে। উড়োজাহাজ প্রাপ্যতার অনিশ্চয়তার কারণে নিয়মিত সময়সূচি তৈরি করা যাচ্ছে না।

বিমানের মুখপাত্র এ বি এম রওশন কবির স্বীকার করেছেন, সাম্প্রতিক সমস্যার ফ্রিকোয়েন্সি উদ্বেগজনক। তবে তিনি দাবি করেছেন, যাত্রী নিরাপত্তার বিষয়ে কখনো আপস করা হয়নি।

মার্কিন উড়োজাহাজ নির্মাতা সংস্থা বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজ পরিচালনা করতে গিয়ে বার বার বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে। এসব যান্ত্রিক ত্রুটি বা অব্যবস্থাপনা নিয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্তও করা হয়েছে। এসব তদন্তে উঠে এসেছে, নির্ধারিত ‘চেক’ ও ‘সার্ভিসিং’ সঠিকভাবে সম্পন্ন না হওয়ায় বারবার ত্রুটি দেখা দিচ্ছে।

একটি জটিল ত্রুটি মেরামতের লগ মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টায় শেষ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে, যা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিয়মের পরিপন্থি। এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ এ টি এম নজরুল ইসলাম সতর্ক করে বলেছেন, ‘এ ধরনের পুনরাবৃত্তিমূলক ত্রুটি বড় কোনো বিপর্যয়ের পূর্বাভাস হতে পারে।’

বিমানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা হলো আন্তর্জাতিক ট্রানজিট বা দূরবর্তী স্টেশনগুলোতে কোনো নিজস্ব যন্ত্রাংশের রিজার্ভ নেই। রোম ও দুবাইয়ের ঘটনায় যন্ত্রাংশ ঢাকা ও লন্ডন থেকে পাঠাতে হয়েছে। পরবর্তী সময় বিমান সূত্র জানিয়েছে, জেদ্দা, দুবাই, মদিনা, দাম্মাম, আবুধাবি ও শারজায় অতিরিক্ত চাকার মজুতের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তদন্তে দেখা গেছে, বিমানের বোয়িং ৭৭৭ ও অন্যান্য বড় ফ্লাইটের জন্য পাইলট নিয়োগে ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। ক্যাপ্টেন আবদুল বাসিত মাহতাবের বাণিজ্যিক পাইলট লাইসেন্স পাওয়ার সময় মাত্র ৩৩ ঘণ্টা ৪৫ মিনিট একক উড্ডয়নের অভিজ্ঞতা ছিল। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘সিপিএল পাইলটদের পুরো ক্যারিয়ারের ভিত্তি। এই লাইসেন্সের সঙ্গে কোনো সমস্যা পরবর্তী সব লাইসেন্স ও রেটিংয়ের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে’।

অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ১৩ আগস্টের মধ্যে ঘটে যাওয়া কারিগরি ত্রুটিগুলো খতিয়ে দেখতে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রাথমিক ব্যবস্থা হিসেবে দুই কর্মকর্তাকে বদলিও করা হয়েছে। একজন প্রকৌশলী কর্মকর্তাকে শাস্তিমূলক বদলি এবং চট্টগ্রামের আরেক জনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ রাতের রক্ষণাবেক্ষণ শিফট চালু করা হয়েছে। ইনভেন্টরি ব্যবস্থাপনা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বোয়িংয়ের কাছে প্রকৌশলী পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন। সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক স্টেশনগুলোতে কেন যন্ত্রাংশ মিলছে না বা কেন তড়িঘড়ি করে মেইনটেইন্যান্স লগ সই করা হচ্ছে—তা খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ অডিট টিম কাজ করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যান্ত্রিক ত্রুটি যেমন মাঝেমধ্যেই স্বাভাবিক, তেমনি বিমানের এই ‘বোয়িং সংকট’ থেকে উত্তরণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে হবে। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, বহরের সব বোয়িংয়ের স্বাধীন আন্তর্জাতিক অডিট, ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে খুচরা যন্ত্রাংশের ডিপো স্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণে দায়ী প্রকৌশলীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া আবশ্যক।

প্রসঙ্গত, মার্কিন বোয়িংয়ের ৭৮৭ ড্রিমলাইনার মডেলের উড়োজাহাজ পরিচালনা করতে গিয়ে বিশ্ব জুড়ে সমস্যায় পড়ছে বিভিন্ন এয়ারলাইনস। আকাশে থাকা অবস্থায় হঠাত্ উচ্চতা পড়ে যাওয়া, উইন্ডশিল্ডে ফাটলসহ নানা ধরনের কারিগরি ত্রুটি ধরা পড়ছে প্রায়ই। এ মডেলের উড়োজাহাজে বড় ধরনের নির্মাণ ত্রুটির অভিযোগ এখন বৈশ্বিক আকাশ পরিবহন খাতের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে এসব দুশ্চিন্তার মধ্যেই চলতি বছরের গেল ১ মে বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চূড়ান্ত চুক্তি সই করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। যা কিনতে খরচ পড়বে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বা ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা। বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ এবং বোয়িংয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট পল রিগি চুক্তিতে সই করেন।

জানতে চাইলে বিমানের পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সদস্য ও এভিয়েশন বিশ্লেষক কাজী ওয়াহিদুল আলম ইত্তেফাককে  বলেন, ‘বহরের বেশির ভাগ উড়োজাহাজ অনেক পুরোনো হওয়ায় এবং সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সমস্যা নিয়মিত দেখা দিচ্ছে, যা প্রতিষ্ঠানটির ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’

কাজী ওয়াহিদুল আলম আরো বলেন, ‘যেহেতু উড়োজাহাজগুলো পুরোনো, তাই নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও মান নিয়ন্ত্রণ পরীক্ষা করতে হবে। ইঞ্জিনিয়ার ও পাইলট নিয়োগে স্বজনপ্রীতি করা যাবে না। যোগ্য লোক নিয়োগ দিতে হবে।’

এভিয়েশন বিশ্লেষক উইং কমান্ডার (অব.) ড. এ টি এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বিমান চালাতে গেলে যান্ত্রিক ত্রুটি হবেই। কিন্তু ঘন ঘন যান্ত্রিক ত্রুটিগুলো বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়, বরং এটি বিমানের অভ্যন্তরীণ অব্যবস্থাপনারই বহিঃপ্রকাশ। এসব নেতিবাচক ঘটনার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে দেশের জাতীয় বিমান সংস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা ও ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিমানের ইঞ্জিনিয়ারিং ও মেইনটেইন্যান্স বিভাগের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।

এ টি এম নজরুল ইসলাম বলেন, কীভাবে ত্রুটি হলো এটা শনাক্ত করতে পেরেছে কি না এটাই আসল কথা। বিমান প্রতিনিয়ত রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়। যে ক্রয় করে তার যেমন দায়বদ্ধতা থাকে, যে বিক্রি করে তারও দায়বদ্ধতা থাকে। তবে  কেনার ব্যাপারে পেশাদারিত্ব থাকতে হবে বেশি। 

এ ব্যাপারে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদকে মুঠো ফোনে বারবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

যান্ত্রিক ত্রুটির বোয়িং ফাঁদে বিমান, তারপরও বোয়িংয়ের কাছ থেকে উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করল সংস্থাটি? এমন প্রশ্নের জবাবে বিমানের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) বোসরা ইসলাম ইত্তেফাককে বলেন, পৃথিবীতে দুটো ভালো বিমান কোম্পানি আছে, একটি হচ্ছে ইউরোপের এয়ারবাস আর যুক্তরাষ্ট্রের বোয়িং। আমরা এজন্য তাদেরই চুজ করি। আমাদের মাত্র ১৯টি বিমান। এই এয়ারক্রাফট স্বল্পতার কারণই মূল সমস্যা। অন্যদের বিমান বেশি হওয়ায় ত্রুটি হলে দ্রুত সমাধান করে ফেলে। আমরা পারি না। অথচ আমাদের বিমানের প্রচুর চাহিদা।’