এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ হতে যাচ্ছে সোমবার (১০ আগস্ট)। এবার লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮২ দিন পর ফল পেতে যাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। করোনাভাইরাসের বছর ২০২০ সাল বাদে বিগত ২০ বছরে এটিই সবচেয়ে দেরিতে ফল প্রকাশ। বিগত বছরগুলোতে ৬০ দিনের মধ্যেই অধিকাংশ সময় ফল প্রকাশ করা হয়েছে। কখনো কখনো দু-তিনদিন দেরি হলেও এত দেরিতে এসএসসিতে ফল প্রকাশের ঘটনা ঘটেনি।
শিক্ষক-অভিভাবকরা বলছেন, ফল প্রকাশে এমন দেরিতে ফলপ্রার্থী প্রায় সাড়ে ১৮ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের উদ্বেগে দিন কাটছে। তাদের অনেকে ট্রমায় ভুগছে। এছাড়া ফল বিপর্যয়সহ নানান নেতিবাচক তথ্য ছড়িয়ে পড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন শিক্ষক-অভিাবকরাও।
ফল প্রকাশের এমন দেরিতে শিক্ষাপঞ্জিও এলোমেলো হয়ে পড়বে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। তারা জানিয়েছেন, ফল প্রকাশে এমন দেরিতে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিতেও দেরি হবে। এতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আগেই তিনমাসের সেশনজটে পড়তে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। এর প্রভাব পড়বে এইচএসসি পরীক্ষার প্রস্তুতিতে। পর্যাপ্ত প্রস্তুতি না নিয়েই তাদের এইচএসসি পরীক্ষায় বসতে বাধ্য করা হবে। এতে শিখন ঘাটতি বাড়বে এবং নাম-সর্বস্ব ডিগ্রি অর্জন করে শিক্ষাজীবন শেষ করবেন অনেক শিক্ষার্থী।
এসএসসির ফল প্রকাশে রেকর্ড সময়!
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় ২১ এপ্রিল। লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ফল প্রকাশের সময়সীমা কমিয়ে আনার ঘোষণা দেন। ওইদিন শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দিয়েছিলেন ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।
মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ফল তৈরি ও প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। গত ১১ জুলাই বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, ২০ জুলাইয়ের মধ্যেই ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় যে তারিখ নির্ধারণ করবে, সেদিনই তারা ফল প্রকাশে প্রস্তুত।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে হঠাৎ সেই বক্তব্য থেকে সরে আসেন বোর্ড চেয়ারম্যান। ১৮ জুলাই তিনি জাগো নিউজকে জানান, ২০ জুলাই ফল প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাদের ফল এখনো প্রস্তুত হয়নি। পূর্বঘোষিত সময়ে ফল প্রকাশ না করায় পরীক্ষার্থী-অভিভাবকদের মনে নানান প্রশ্ন দেখা দেয়। সন্দেহ-সংশয় দানা বাঁধতে শুরু করে।
পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে যে, এবার এসএসসির ফল খুব খারাপ হয়েছে, সেজন্য প্রকাশ করতে সময় নিচ্ছে বোর্ড। কোথাও কোথাও লেখা হয়, পাসের হার বাড়াতে সময় নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ড। জল্পনার মধ্যেই গত ২৮ জুলাই শিক্ষামন্ত্রী জানান, ১০ আগস্ট ফল প্রকাশ করা হবে। সে অনুযায়ী সোমবার ফল প্রকাশ করতে যাচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। এতে ২০ বছরের রেকর্ড ভাঙছে, সেই রেকর্ড সবচেয়ে দেরিতে ফল প্রকাশের রেকর্ড।
বিগত ২০ বছরে কোন সালে কতদিনে ফল প্রকাশ
শিক্ষা বোর্ডগুলোর তথ্য ও প্রকাশিত সময়সূচি পর্যালোচনা করে দেখা যায়, ২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত সময়ে ১৮ বছরই এবারের (২০২৬) চেয়ে কম সময়ে এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। মাঝে করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে ৯৪ দিন সময় লেগেছিল ২০২০ সালে। এটি সম্পূর্ণ বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় তুলনীয় নয় বলে মানছেন খোদ বোর্ডের কর্মকর্তারাও।
বোর্ড সূত্র জানায়, ২০০৭ সালে ৪ এপ্রিল এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। ৬৮ দিন পর ১২ জুন এ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ২০০৮ সালে অবশ্য মাত্র ৩২ দিনে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই বছর ২৭ এপ্রিল এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। আর ২৯ মে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল।
২০০৯ সালে লেগেছিল ৫১ দিন। সে বছর ৫ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ২৬ মে ফল প্রকাশ করা হয়। পরের বছর ২০১০ সালে অবশ্য ৭০ দিন সময় লেগেছিল এসএসসির ফল প্রকাশে। ওই বচর ১৮ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ও ২৭ মে ফল প্রকাশ করা হয়।
৬০ দিনে ফল প্রকাশ করতেই হবে—এমন আইন নেই। কিন্তু এ প্রথা ও রীতিটি এমন যে, সেটা বোর্ডের কাছে বা শিক্ষা প্রশাসনে আইনের মতোই। এটি একদিকে প্রেস্টিজিয়াস (সম্মান রক্ষার), অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের সেশনজট থেকে বাঁচানোর বিষয়।—অধ্যাপক তপন কুমার সরকার
২০১১ সালে ১০ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ১২ মে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। এতে সময় লেগেছিল ৬৩ দিন। ২০১২ সালে ১৫ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৭ মে ফল প্রকাশ করা হয়। ওই বছর সময় লেগেছিল ৫৩ দিন। ২০১৩ সালে ফল প্রকাশে সময় নেওয়া হয় ৬৫ দিন। ৫ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৯ মে ফল প্রকাশ করা হয়।
২০১৪ সালে ২০ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ১৭ মে ফল প্রকাশ করা হয়। সে বছর সময় লেগেছিল ৫৮ দিন। ২০১৫ সালেও ৫৮ দিনে ফল প্রকাশ করা হয়। ২ এপ্রিল লিখিত পরীক্ষা শেষ ও ৩০ মে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। ২০১৬ সালে ৮ মার্চ পরীক্ষা শেষ হয় এবং ১১ মে ৬৪ দিনের মাথায় ফল প্রকাশ করা হয়।
২০১৭ সালে ৬৩ দিনে ফল প্রকাশ করা হয়েছিল। সে বছর ২ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ এবং ৪ মে ফল প্রকাশ করা হয়। ২০১৮ সালে ২ মার্চ লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৬ মে ৬৫ দিনে ফল প্রকাশ করে শিক্ষা বোর্ডগুলো। ২০১৯ সালে ৬৯ দিনে ফল প্রকাশ করা হয়। সে বছর ২৬ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৬ মে ফল প্রকাশ করা হয়।
২০২০ সালে করোনাভাইরাস মহামারি দেখা দেয়। সে বছর ২৭ ফেব্রুয়ারি লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। ১৭ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এতে চারদিকে ভয় ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে ফল প্রস্তুতে দেরি হয়। বিশেষ পরিস্থিতির কারণে ওই বছর ৯৪ দিন সময় নিয়ে ৩১ মে তারিখে ফল প্রকাশ করা হয়।
২০২১ সালে করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ও কম বিষয়ের ওপর পরীক্ষা নেওয়া হয়। এতে মাত্র ৩৭ দিনে এসএসসির ফল প্রকাশ করা হয়। ওই বছর ২৩ নভেম্বর পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশ করা হয়।
২০২২ সালে ১ অক্টোবর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ৫৮ দিনের মাথায় ২৮ নভেম্বর ফল প্রকাশ করা হয়। ২০২৩ সালে ফল প্রকাশে সময় লেগেছিল ৬১ দিন। ২৮ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ২৮ জুলাই ফল প্রকাশ করা হয়। ২০২৪ সালেও ৬১ দিন সময় লেগেছিল। ১২ মার্চ পরীক্ষা শেষ এবং ১২ মে ফল প্রকাশ করা হয়।
সবশেষ ২০২৫ সালে ৫৮ দিনে ফল প্রকাশ করে অন্তর্বর্তী সরকার। ১৩ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় এবং ১০ জুলাই ফল প্রকাশ করা হয়। আর এ বছর অর্থাৎ ২০২৬ সালে ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়েছিল। আর ফল প্রকাশ করা হচ্ছে ১০ আগস্ট। এতে সময় লেগেছে ৮২ দিন, যা স্বাভাবিক সময়ের হিসাবে ২০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি।
কতদিনে ফল প্রকাশের ‘নিয়ম’
এসএসসি, এইচএসসিসহ পাবলিক পরীক্ষাগুলোর ফল প্রকাশে ধরাবাঁধা কোনো নিয়ম নেই। তবে শিক্ষাপঞ্জি ঠিক রাখতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডগুলো একটি প্রথা বা রীতি মেনে চলে। সেটি হলো- পাবলিক পরীক্ষাগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যেই ফল প্রকাশ করা হয়। এটিই দীর্ঘদিনের রীতি। এ নিয়মে ব্যত্যয় ঘটলে শিক্ষাপঞ্জি এলোমেলো হয়ে পড়ে।
পাবলিক পরীক্ষাগুলোর কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে প্রায় এক থেকে দেড় বছর সময় নষ্ট হচ্ছে। এসএসসির পর বিরতি এবং অলস সময়। এইচএসসির পরও ফল পেতে তাদের অপেক্ষায় থাকতে হয়। এ গ্যাপ (বিরতি) কমাতে পারলে আরও কম সময়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি শেষ হবে।—অধ্যাপক মজিবুর রহমান
ঢাকা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে বলেন, ‘৬০ দিনে ফল প্রকাশ করতেই হবে—এমন আইন নেই। কিন্তু এ প্রথা ও রীতিটি এমন যে, সেটা বোর্ডের কাছে বা শিক্ষা প্রশাসনে আইনের মতোই। এটি একদিকে প্রেস্টিজিয়াস (সম্মান রক্ষার), অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের সেশনজট থেকে বাঁচানোর বিষয়।’
‘এ কারণে আমরা যখন বোর্ডে দায়িত্বে ছিলাম তখন ৬০ দিন হিসাবে ধরে ফল প্রকাশের কাজ করা হতো। সেখানে এক-দুদিন এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে খুব বেশি দেরি হতো না’—বলেন তিনি।
এবার ফল প্রকাশে এত দেরি কেন?
চলতি বছর ২১ এপ্রিল এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়। ২০ মে লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। সে হিসাবে ২০ জুলাইয়ের মধ্যে এসএসসির ফল প্রকাশের কথা ছিল। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনও ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে এসএসসি ও এইচএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের সময়সীমা আরও কমিয়ে আনার উদ্যোগের কথা জানান মন্ত্রী।
মন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে ফল প্রস্তুতের কথা জানান শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরাও। গত ১১ জুলাই ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, তারা সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দিলেই ফল প্রকাশ করা হবে। অথচ এর এক সপ্তাহ পর বোর্ড চেয়ারম্যান ২০ জুলাই ফল প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে জানান।
বিষয়টি নিয়ে খোঁজ নিয়ে দুই ধরনের তথ্য পাওয়া যায়। বোর্ড চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে এক ধরনের কারণ জানান। আবার নাম প্রকাশ না করে ভিন্ন তথ্য জানান বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শাখার কর্মকর্তারা।
প্রকাশ্যে বোর্ড কর্মকর্তারা জানান, অতিবৃষ্টি ও বন্যার কারণে এইচএসসি পরীক্ষা ঘিরে ঝামেলার কারণে ফল প্রকাশের প্রস্তুতি নিতে পারেননি তারা। এতে সংকটের তৈরি হয়েছে।
আর নাম প্রকাশ না করে ফল বিপর্যয়ের ইঙ্গিত করে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক দপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, ভুল-ত্রুটি ও ‘ফল সমন্বয়’ করার জন্য প্রস্তুতিতে সময় লেগেছে। প্রথম দফায় কাজ শেষ হলেও তা পুনরায় আবার প্রস্তুত করা হয়। যদিও ফল বিপর্যয়ের এমন গুঞ্জন ও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
ফল প্রকাশে দেরিতে একাদশে ভর্তিতেও বিলম্ব, সেশনজট
নিয়ম অনুযায়ী- এসএসসি পরীক্ষা শেষে ফল প্রকাশ করা হবে। সেটা জুলাইয়ের আগেই শেষ করতে হবে। কারণ শিক্ষাপঞ্জি অনুযায়ী, জুলাই থেকে একাদশ শ্রেণির শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়। তার আগেই এসএসসি পাস করাদের আবেদন, ভর্তি শেষ করার কথা।
অথচ এবার এসএসসির ফল প্রকাশ করতেই আগস্টের ১০ তারিখ অর্থাৎ, এক মাস ১০ দিন পিছিয়ে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। আবেদন ও ভর্তি শেষ করতে আরও দেড় থেকে দুইমাস লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে ক্লাস শুরু হতে পারে অক্টোবরে। অর্থাৎ, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা ক্লাস শুরুর আগেই তিন মাসের সেশনজটে পড়বেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইআর) অধ্যাপক মজিবুর রহমান জাগো নিউজকে বলেন, ‘পাবলিক পরীক্ষাগুলোর কারণে আমাদের শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে প্রায় এক থেকে দেড় বছর সময় নষ্ট হচ্ছে। এসএসসির পর বিরতি এবং অলস সময়। এইচএসসির পরও ফল পেতে তাদের অপেক্ষায় থাকতে হয়। এ গ্যাপ (বিরতি) কমাতে পারলে আরও কম সময়ে শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি শেষ হবে।’
