২০২৪ সালের ১৮ জুলাই দেশের প্রথম স্বৈরাচারমুক্ত ক্যাম্পাস হিসাবে পরিচিতি পায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি)। সেই ঐতিহাসিক জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয় ‘জুলাই ৩৬’ স্মৃতিফলক নির্মাণের। নামফলক উদ্বোধনের ১৪ মাসেও স্মৃতিফলকটি আলোর মুখ দেখেনি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর নির্মাণকাজ আর এগোয়নি। ফলে নামফলকেই আটকে আছে দেশের প্রথম জুলাই স্মৃতিফলক নির্মাণের উদ্যোগ। আবু সাঈদ হত্যার পর ২০২৪ সালের ১৭ জুলাই ববির তৎকালীন উপাচার্যের বাসভবনের বিপরীতে শিক্ষার্থীরা অস্থায়ীভাবে ‘জুলাই ৩৬’ স্মৃতিফলক নির্মাণ করেন। পরদিন শিক্ষার্থী-জনতার প্রতিরোধের মুখে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্যাম্পাস ছাড়তে বাধ্য হয়। দিনটি ববি শিক্ষার্থীদের কাছে ঐতিহাসিক হয়ে ওঠে।
এরপর ২০২৫ সালের ২৮ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১ নম্বর গেটসংলগ্ন এলাকায় ‘জুলাই ৩৬’ স্মৃতিফলক নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম। তবে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্মাণকাজ আর এগোয়নি। ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ১৪ মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান হয়নি স্মৃতিস্তম্ভের নির্মাণকাজ। জুলাই অভ্যুত্থানের সংগঠক ও ববির তৎকালীন শিক্ষার্থী সুজয় শুভ বলেন, আমরা দ্রুত এ স্মৃতিফলকের নির্মাণকাজ শেষ করার দাবি জানাই। এ বিষয়ে জানতে ববি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. মামুন অর রশিদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হুমায়ুন কবীর ও অর্থ দপ্তরের প্রধান সুব্রত কুমার বাহাদুরের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তারা সাড়া দেননি।