Image description

পানি কমার সঙ্গে সঙ্গে ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন। আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বাড়িঘরে ফিরেও নেই স্বস্তি। ঘরগুলো এখনো থাকার অনুপযুক্ত। অনেকের মাটির ঘর ধসে পড়েছে। মিলছে না প্রয়োজনীয় ওষুধ। চলছে খাবারের তীব্র সংকট। অনেক এলাকায় সড়ক বিধ্বস্ত হয়ে বিচ্ছিন্ন রয়েছে যোগাযোগ। সঙ্গে সাপের উপদ্রব। শুধু

কক্সবাজারেই ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি, ২ হাজার ৪৮ কিলোমিটার সড়ক, ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা। রাঙামটিতে প্রায় ৮ হাজার কৃষক ও খামারি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। খাগড়াছড়িতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা ৭ হাজার ৩৪৩। বান্দরবানে তালিকা করা হয়েছে ৫ হাজার ৩২৩ কৃষকের। বগুড়ায় টানা বৃষ্টিতে ৪০০ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। খুলনায় ৩৪০ হেক্টর জমির ফসল পানির নিচে। টানা বৃষ্টিতে ভেসে গেছে ৬৫০টি ঘের ও ১৬২ পুকুরের ২ কোটি টাকার  মাছ। বাগেরহাটে ১০ দিনের অতি বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। চট্টগ্রামে ৫ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ উপজেলায় সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন ৯৬ জন।

চট্টগ্রাম : টানা বর্ষণে চট্টগ্রামে সৃষ্ট বন্যার ১০ দিন পরও বেশির ভাগ এলাকার কোথাও কোমর পানি, কোথাও হাঁটুসমান। যেসব এলাকায় পানি নেমেছে সেসব এলাকায় ভেসে উঠছে ক্ষতচিহ্ন।

বাঁশখালী উপজেলার শীলকূপ এলাকার বাসিন্দা ইলিয়াস বলেন, প্রায় ১০ দিন পর পানি কমতে শুরু করেছে। সোমবার বৃষ্টি না হওয়ায় পানি ধীরে ধীরে নামছে। তবে গ্রামীণ সড়কে এখনো হাঁটুপানি। বাড়িঘরে পানি কমলেও বসবাস করার মতো পরিবেশ নেই। তিনি জানান, পর্যাপ্ত ত্রাণও আসছে না। সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে ত্রাণগুলো নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় চলে যাচ্ছে। ছনুয়া, খানখানাবাদ ও শীলকূপসহ উপকূলীয় এলাকায় পর্যাপ্ত ত্রাণ পাঠানোর উদ্যোগ নিতে হবে।

সরেজমিন বাঁশখালী উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের মধ্যম মানিকপাঠান গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বন্যার পানি ধীরে ধীরে নামছে। ভেসে উঠছে ক্ষতের চিত্র। ধসে পড়েছে মাটির দেয়াল। গ্রামের উলা মিয়া (৪৮) বন্যার সময় ছেলেমেয়েদের নিয়ে তিন কিলোমিটার দূরে বৈলছড়ি ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন। পানি নামার খবরে বাড়ি দেখতে এসে দেখেন মাটির দেয়ালের গোড়া এতটাই নরম হয়েছে যে, যেকোনো সময় ধসে পড়তে পারে। ভিতরে ঢোকার সাহস হচ্ছে না কারও। একই চিত্র পারভীন আক্তারেরও। টিন ও মাটির তৈরি ছোট্ট ঘর ধসে গেছে। পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে পাঁচ দিন বড় ভাইয়ের পাকা বাড়িতে আশ্রয়ে ছিলেন। পানি কমলেও নিজের ভিটায় ফেরার পরিস্থিতি নেই। যে ঘরে ফিরবেন, সেই ঘর আর নেই।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের অজ্ঞাত রোগীর বন্ধুখ্যাত প্রকৌশলী সাইফুল ইসলাম নেসার বলেন, বাঁশখালী উপজেলায় ত্রাণ নিয়ে গিয়েছিলাম। সেখানকার অবস্থা এখনো খারাপ। প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছেনি ত্রাণ। রয়েছে খাবারের সংকট। সঙ্গে ওষুধের সংকটও। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ৫ থেকে ১৩ জুলাই পর্যন্ত ১৫ উপজেলায় সাপের কামড়ে আহত হয়েছেন ৯৬ জন। শঙ্খিনী, অজগর, গোখরা, পদ্মগোখরা, কালাচ, দুধরাজ সাপের উপদ্রপ বেশি বলে জানা যায়। 

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় সাপের উপদ্রপ অনেক বেড়েছে। সাপের কামড়ে আহতদের চিকিৎসায় সব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুত রাখা হয়েছে।

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে গত ৫ জুলাই শুরু হওয়া টানা ভারী বর্ষণে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালী, সাতকানিয়া, লোহাগাড়া, চন্দনাইশ, সন্দ্বীপ, মিরসরাই, রাউজান, ফটিকছড়ি, সীতাকুণ্ড ও বোয়ালখালীসহ অনেক উপজেলা বন্যাকবলিত হয় পড়ে।

বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া, শেখেরখীল, পুঁইছড়ি, খানখানাবাদ, গণ্ডামারা, কাথরিয়া, বৈলছড়ি ও ছনুয়া ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। আনোয়ারা উপজেলার রায়পুর, বারশত, পরৈকোড়া ও হাইলধর এলাকার কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সাতকানিয়া উপজেলার এওচিয়া, কেওচিয়া, ধর্মপুর, বাজালিয়াসহ ১৮টি ইউনিয়ন। এসব এলাকার কোথাও কোথাও প্রায় ৮০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত। তবে রবিবার থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়ার কারণে পানি নেমে যেতে শুরু করেছে।

কক্সবাজার : কক্সবাজারে টানা ৯ দিনের বৃষ্টিতে পাহাড়ধস ও বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য নিরূপণ করেছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে প্রাণহানি, বসতবাড়ি, সড়ক, বেড়িবাঁধে ভাঙনসহ ব্যাপক ক্ষতির চিত্র পাওয়া গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি প্লাবিত হয়েছে পেকুয়া উপজেলা, যেখানে ৯৫ শতাংশ এলাকা পানির নিচে চলে যায়। মাতামুহুরীতে ৮৫ শতাংশ, চকরিয়ায় ৮০ শতাংশ, কুতুবদিয়ায় ৬৫ শতাংশ এবং মহেশখালীতে ৫০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়। রামু উপজেলার ৩৫ শতাংশ, কক্সবাজার সদর, উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার ২৫ শতাংশ করে এবং ঈদগাঁও উপজেলার ৫ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, পাহাড়ধস ও বন্যাজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় ১৪ জন রোহিঙ্গাসহ ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া একজন নিখোঁজ রয়েছেন। সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে উখিয়া উপজেলায়। সেখানে পাহাড় ধসে ১৪ জন রোহিঙ্গা নাগরিকসহ ১৪ জন নিহত হয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের প্রাথমিক সমন্বিত ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জেলার ১০টি উপজেলার ৭০টি ইউনিয়ন ও চারটি পৌরসভা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বন্যায় ১ লাখ ৩০ হাজারের বেশি পরিবার এবং ২৪ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতির মুখে পড়েছেন। প্রাথমিক হিসাবে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮৯০ কোটি টাকা। মাঠপর্যায়ের যাচাইবাছাই শেষে এ ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ১ হাজার ৬১৩টি বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) প্রাথমিক প্রতিবেদনে বলা হয়, পানি উন্নয়ন বিভাগ-১-এর আওতাধীন ৩৮০ দশমিক ২৯৫ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের ৪৪টি স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। প্রশাসনের প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, ২ হাজার ৪৮ কিলোমিটার সড়ক এবং ৭৯টি সেতু ও কালভার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চকরিয়া, মাতামুহুরী ও পেকুয়া উপজেলা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান  ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিনটি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলায়।

রাঙামাটি : রাঙামাটির ১০টি উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৭ হাজার। ক্ষতিগ্রস্ত খামারি রয়েছেন প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০। রাঙামাটি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, বন্যা আর পাহাড় ধসে কৃষি ও গবাদিপশুর খামারে ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৫০ কোটি ৯৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। বন্যার পানি কমে গেলে এ পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

খাগড়াছড়ি : খাগড়াছড়ি জেলায় কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পুরো জেলায় ৭ হাজার ৩৪৩ কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। জেলার ৯টি উপজেলার ৩৩ ইউনিয়নের ৩৪৫ জন মাছ চাষির ৪০৫টি পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার আয়তন প্রায় ৮৬ হেক্টর।

বান্দরবান : সাম্প্রতিক বন্যায় পার্বত্য জেলা বান্দরবানে কৃষি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলায় মোট কৃষি ও বাগান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২১০৪ হেক্টর।

এর মধ্যে ৩৬৮ হেক্টর জমির ফসল সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি জানান, প্রাথমিক হিসাবে এ পর্যন্ত ৫ হাজার ৩২৩ জন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করা হয়েছে।

খুলনা : গত চার দিনের টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতায় ৩৪০ দশমিক ৪৮ হেক্টর জমির ফসল আক্রান্ত হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনার পরিচালক নজরুল ইসলাম জানান, খুলনা জেলায় মাঠে ফসল রয়েছে ১০ হাজার ৬৬২ হেক্টর। অতি বৃষ্টিতে আউশ ধান, রোপা আমনের বীজতলা, অফসিজনাল তরমুজ ও মরিচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বগুড়া : বগুড়ায় অতি বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, বন্যা ও জলাবদ্ধতায় ৪১৭ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ৩৩ হাজার ২৫৩ হেক্টর জমিতে আউশ, আমন বীজতলা, মরিচ ও পাটসহ বিভিন্ন ধরনের সবজির আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ১৬০ হেক্টর জমিতে আউশ, ৯ হাজার ৫৮০ হেক্টর জমিতে পাট, ৬ হাজার ৭৫১ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি, ৪ হাজার ৫১০ হেক্টর জমিতে আমনের বীজতলা, ৫৯২ হেক্টর জমিতে মরিচ এবং ৬৬০ হেক্টর জমিতে ভুট্টা রয়েছে। এসব ফসলের মধ্যে অতি বৃষ্টিতে ৪০০ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।

যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সারিয়াকান্দি উপজেলা। এ উপজেলার ৩ হাজার ২০০ কৃষকের ১৬৮ হেক্টর জমির ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এ ছাড়া শাজাহানপুরের ৯১ কৃষকের ১৪ হেক্টর, সোনাতলার ৩২৪ কৃষকের ৩৮ হেক্টর, দুপচাঁচিয়ার ৪৭০ কৃষকের ৬০ হেক্টর, কাহালুর ৪৯১ কৃষকের ৭৫ হেক্টর এবং আদমদিঘীর ৩৮৫ কৃষকের ৪৫ হেক্টর জমির ফলস নিমজ্জিত হয়েছে।

এসব ফসলের মধ্যে ৩১ হেক্টর জমির আউশ, ১১৫ হেক্টর জমির পাট, ৯৬ হেক্টর জমির বিভিন্ন সবজি, ১২৩ হেক্টর জমির আমনের বীজতলা, ২২ হেক্টর জমির মরচিসহ অন্যান্য ফসলের ১৩ হেক্টর জমি বৃষ্টির পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪২ কৃষকের আমনের বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বাগেরহাট : বাগেরহাটে পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়েছে ৫১৮ হেক্টর আউস ধান, ৪০ দশমিক ৫ হেক্টর আমন ধানের বীজতলা, অপসিজনের এক হেক্টর তরমুজ ও ৩ দশমিক ৫ হেক্টর জমির মরিচ খেত।

গোপালগঞ্জ : গত সাত দিনের প্রবল বর্ষণে গোপালগঞ্জের ৩০৬ হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। এর মধ্যে ৮৫ হেক্টর জমির শাক-সবজির খেত তলিয়ে ১ হাজার ৩৬০ জন সবজি চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ ছাড়া আউশ ধান, মরিচ, বোনা আমন, তিল, কলা, শসা, পেঁপে, আদা, ভুট্টা, গ্রীষ্মকালীন পিঁয়াজ ও পাটখেত তলিয়ে গেছে।

মৌলভীবাজার : চলমান বন্যায় মৌলভীবাজারে মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বন্যায় জেলায় ১ কোটি ১৬ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে মৎস্য খাতে।

হবিগঞ্জ : টানা ভারী বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে হবিগঞ্জের খোয়াই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধ ভেঙে অন্তত ৩৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়। কৃষি ও মৎস্য বিভাগের প্রাথমিক হিসাবে এই দুই খাতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭০ কোটি টাকারও বেশি।

পটুয়াখালী : বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার ডুবে প্রাণ হারিয়েছেন পাঁচ জেলে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত আরও ২৫ জন জেলে। আমনের বীজতলা ও আউশসহ গ্রীষ্মকালীন শাকসবজির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পানিতে তলিয়ে মাছের ঘের, পুকুর, খামারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৭ কোটি টাকা।