Image description

‘প্রশাসন আমার কিছুই করতে পারবে না। আমি প্রতি মাসে থানায় ৬০ হাজার টাকা মাসোহারা দিয়ে ব‍্যবসা করি’ বলে মন্তব্য করেছেন এক মাদক কারবারি। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের নদী পাড়ার রুপালি খাতুন (৪০)।

গতকাল শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা রুপালির বাড়িতে যান। তারা তাকে মাদকের কারবার বন্ধ করতে বলে। জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেছেন।

পরে পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে রুপালির বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় তার কাছ থেকে ২৫টি ও তার ছেলে আল-আমিনের কাছ থেকে ১৫টি ইয়াবা এবং ১১ হাজার ৭৫ টাকা উদ্ধার করা হয়। আজ রবিবার সকালে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উপজেলায় মাদকের বিস্তার লাভ করায় স্থানীয়রা প্রতিরোধের সিদ্ধান্ত নেন। গত ১১ ও ১৩ তারিখে পাইকপাড়া গ্রাম থেকে দুই যুবককে ইয়াবাসহ আটক করে পুলিশে দেয়। পরে শনিবার রাতে স্থানীয়রা রাসেল ও রুপালির বাড়িতে যায়।

স্থানীয় টিটোন হোসেন নামের এক যুবক জানান, আমরা স্থানীয় ১৮ থেকে ২০ জন মিলে নদী পাড়ার কয়েকজন চিহ্নিত কারবারির বাড়িতে গিয়ে মাদক বিক্রি বন্ধ করতে বলি। এ সময় রুপালি আমাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। তিনি বলেছেন, প্রশাসনও আমার কিছু করতে পারবে না। আমি থানা পুলিশকে মাসিক ৬০ হাজার টাকা চাঁদা দিয়ে ব‍্যবসা করি। কিছুক্ষণ পর সেখানে ওসিসহ পুলিশের একটি টিম উপস্থিত হয়।

এবিষয়ে কালীগঞ্জ থানার ওসি জেল্লাল হোসেন জানান, কেউ প্রমাণ দিতে পারবে না যে কালীগঞ্জ থানার কাউকে মাদকের একটি টাকা দিয়েছে। যদি কেউ প্রমাণ দিতে পারে তাহলে আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।