Image description

অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে আইন-বিধি সংস্কার করে পাঁচ-ছয় মাসের মধ্যে কাজ শেষ করে ভোটে নামতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

ইসি জানিয়েছে, স্থানীয় সরকারের ৪ হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, পার্বত্য ছাড়া ৬১টি জেলা পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ১৩টি সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন পদে ভোটের প্রস্তুতি চলছে। প্রায় দুই বছর ধরে দেশের বেশির ভাগ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান জনপ্রতিনিধিশূন্য।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা চলছে। নির্দলীয় স্থানীয় নির্বাচনে অনেক দল তাদের প্রার্থীর নামও ঘোষণা করেছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে ইসির আইন ও বিধি সংশোধন সংস্কার কমিটি এক দফা বৈঠকও করেছে। এ কমিটির আহ্বায়ক নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ বলেন, আমরা এক দফা বসেছি। কিছু তথ্য তাদের কাছে চেয়েছি। কিছু পেয়েছি, আরও কিছু তথ্য লাগবে। সামনে আবার বসব। এ বছরের শেষ দিকে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন করার বিষয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও আভাস দিয়েছেন।

আবদুর রহমানেল মাছউদ আরও জানান, সামনে বর্ষা মৌসুম। অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টির ধারা থাকে। কমিশন পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি- কখন কোন নির্বাচন হবে। এ বছরের শেষের দিকে ভোট শুরু হয়ে যাবে।

সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ নাকি ইউনিয়ন পরিষদ কোন প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন আগে হবে, তা নিয়ে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপে বসার পরিকল্পনা করছে ইসি।

সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, অতীতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সংঘাত ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। রক্তপাতহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনই ইসির প্রধান লক্ষ্য। এজন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।