Image description

ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে পুলিশের হামলায় আহতদের একটি তালিকা প্রকাশ করেছে গ্রাহক ফোরাম। সংগঠনটির দাবি, এ ঘটনায় অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন।

তাদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

 

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, মতিউর রহমানের পায়ে সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতে গিরা ফেটে গেছে।

মো. সোহেলের বাম কানে সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিংয়ের আঘাতে ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং সেখানে পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে। জহির উদ্দিন বাবরের পিঠে সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতে ক্ষত হয়েছে।
ইব্রাহিমের পায়েও সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিংয়ের আঘাতে গিরা ফেটে গেছে।

 

এ ছাড়া মো. সেহেল, শহিদুল্লাহ, সোহাগ, জামাল উদ্দিন ও জহির আহমেদ পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েছেন।

ওমর ফারুকের পায়ে সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিংয়ের আঘাতে গিরা ফেটে যাওয়ার পাশাপাশি হাতে লাঠিচার্জের আঘাত রয়েছে। ইকবাল হোসেনের পায়ে সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিংয়ের আঘাতে গুরুতর জখম হয়েছে। দেলোয়ার হোসেনের কানে সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্রিংয়ের আঘাতে ক্ষত হওয়ায় সেখানে পাঁচটি সেলাই দিতে হয়েছে।

 

তালিকায় আরও রয়েছেন জামাল উদ্দিন মোবারক (ডান হাতে আঘাতপ্রাপ্ত), মো. মজিবুর রহমান (ডান পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত), মো. সোহাগ (বাম পায়ে আঘাতপ্রাপ্ত), জুয়েল রানা (ডান কাঁধে সাউন্ড গ্রেনেডের আঘাতপ্রাপ্ত), আতিকুর রহমান (৫০), মিকাইল ইসলাম (৪২), রেজাউল করিম (৩৫), ইকবাল হোসেন (৬০), হাবিবুর রহমান (৪৬) ও নুর মোহাম্মদ (৩১)।

গ্রাহক ফোরাম জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে ফারুক-ই-আজম মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সংগঠনটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে।

প্রসঙ্গত, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মো. খুরশীদ আলমের নিয়োগ বাতিল এবং সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওমর ফারুক খানকে পুনর্বহালের দাবিতে সোমবার (১ জুন) রাজধানীর মতিঝিলে ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচি ছত্রভঙ্গ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে